
কৃষকদের ডাকা ‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচিতে আরও একটি উত্তাল দিন দেখতে যাচ্ছে ভারত। শম্ভু সীমান্ত থেকে শুরু হতে চলেছে ‘দিল্লি চলো’ পদযাত্রা। হরিয়ানার আম্বালায় আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বড় জমায়েত নিষিদ্ধ করতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
শম্ভু সীমান্তে আন্দোলনস্থল থেকে দিল্লির পার্লামেন্ট ভবনের দিকে পদযাত্রা শুরু হবে আজ দুপুর ১টা থেকে।
এ সপ্তাহে এটি হবে দ্বিতীয় পদযাত্রা। এর আগে গত সোমবার উত্তর প্রদেশের কৃষকেরা দিল্লির দিকে পদযাত্রা করার চেষ্টা করেন। যদিও তাঁদের নয়ডাতেই থামিয়ে দেওয়া হয়। তবে ওই পদযাত্রার কারণে দুই সীমান্তেই ব্যাপক যানজট হয়।
এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা (অরাজনৈতিক)। তাঁরা ফসলের জন্য ন্যূনতম মূল্য (এমএসপি) নির্ধারণের আইনি নিশ্চয়তার দাবি তুলেছেন।
এমএসপি ছাড়াও কৃষকদের দাবি—ঋণ মওকুফ, কৃষকদের এবং তাদের শ্রমিকদের জন্য পেনশন, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি না করা, পুলিশের মামলা প্রত্যাহার এবং ২০২১ সালের লাখিমপুর খেরিতে সহিংসতার শিকার কৃষকদের ‘ন্যায়বিচার’ পাওয়া নিশ্চিত করা।
দিল্লি অভিমুখী মিছিল নিরাপত্তা বাহিনী থামিয়ে দিলে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শম্ভু এবং খানৌরি সীমান্তে অবস্থান নেন কৃষকেরা। গত ২১ ফেব্রুয়ারি খানৌরি সীমান্তে সংঘর্ষের সময় পাঞ্জাবের কৃষক শুভকরন সিং নিহত যান। দিল্লির দিকে যাওয়ার চেষ্টার সময় এই সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনী টিয়ারশেল ছোড়ে এবং এ সময় গুলির ঘটনাও ঘটে।
এদিকে কৃষকদের এই কর্মসূচিকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। চার বা ততোধিক লোকের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এটি যে কোনো ধরনের পদযাত্রা, যানবাহন বা অন্যান্য মাধ্যমে মিছিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
হরিয়ানার সীমান্তে কেন্দ্রীয় আধা–সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। একাধিক স্তরে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে এবং ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা সীমান্তে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন।
কৃষকদের এই আন্দোলন প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট বলেছেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকার, তবে তা জনজীবনে বিঘ্ন সৃষ্টি করা উচিত নয়।
বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং উজ্জ্বল ভূইঞার বেঞ্চ বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করতে পারেন, তবে মানুষের অসুবিধা সৃষ্টি করবেন না। আপনারা সবাই জানেন, খানৌরি সীমান্ত পাঞ্জাবের লাইফলাইন। আমরা প্রতিবাদ সঠিক নাকি ভুল তা নিয়ে মন্তব্য করছি না।
নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কৃষকদের এই আন্দোলন কীভাবে গতি পায় এবং দিল্লি–হরিয়ানা–পাঞ্জাব সীমান্তে এর প্রভাব কতটা পড়বে তা দিনের বাকি সময়ের মধ্যেই বোঝা যাবে।

কৃষকদের ডাকা ‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচিতে আরও একটি উত্তাল দিন দেখতে যাচ্ছে ভারত। শম্ভু সীমান্ত থেকে শুরু হতে চলেছে ‘দিল্লি চলো’ পদযাত্রা। হরিয়ানার আম্বালায় আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বড় জমায়েত নিষিদ্ধ করতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
শম্ভু সীমান্তে আন্দোলনস্থল থেকে দিল্লির পার্লামেন্ট ভবনের দিকে পদযাত্রা শুরু হবে আজ দুপুর ১টা থেকে।
এ সপ্তাহে এটি হবে দ্বিতীয় পদযাত্রা। এর আগে গত সোমবার উত্তর প্রদেশের কৃষকেরা দিল্লির দিকে পদযাত্রা করার চেষ্টা করেন। যদিও তাঁদের নয়ডাতেই থামিয়ে দেওয়া হয়। তবে ওই পদযাত্রার কারণে দুই সীমান্তেই ব্যাপক যানজট হয়।
এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা (অরাজনৈতিক)। তাঁরা ফসলের জন্য ন্যূনতম মূল্য (এমএসপি) নির্ধারণের আইনি নিশ্চয়তার দাবি তুলেছেন।
এমএসপি ছাড়াও কৃষকদের দাবি—ঋণ মওকুফ, কৃষকদের এবং তাদের শ্রমিকদের জন্য পেনশন, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি না করা, পুলিশের মামলা প্রত্যাহার এবং ২০২১ সালের লাখিমপুর খেরিতে সহিংসতার শিকার কৃষকদের ‘ন্যায়বিচার’ পাওয়া নিশ্চিত করা।
দিল্লি অভিমুখী মিছিল নিরাপত্তা বাহিনী থামিয়ে দিলে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শম্ভু এবং খানৌরি সীমান্তে অবস্থান নেন কৃষকেরা। গত ২১ ফেব্রুয়ারি খানৌরি সীমান্তে সংঘর্ষের সময় পাঞ্জাবের কৃষক শুভকরন সিং নিহত যান। দিল্লির দিকে যাওয়ার চেষ্টার সময় এই সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনী টিয়ারশেল ছোড়ে এবং এ সময় গুলির ঘটনাও ঘটে।
এদিকে কৃষকদের এই কর্মসূচিকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। চার বা ততোধিক লোকের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এটি যে কোনো ধরনের পদযাত্রা, যানবাহন বা অন্যান্য মাধ্যমে মিছিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
হরিয়ানার সীমান্তে কেন্দ্রীয় আধা–সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। একাধিক স্তরে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে এবং ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা সীমান্তে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন।
কৃষকদের এই আন্দোলন প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট বলেছেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকার, তবে তা জনজীবনে বিঘ্ন সৃষ্টি করা উচিত নয়।
বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং উজ্জ্বল ভূইঞার বেঞ্চ বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করতে পারেন, তবে মানুষের অসুবিধা সৃষ্টি করবেন না। আপনারা সবাই জানেন, খানৌরি সীমান্ত পাঞ্জাবের লাইফলাইন। আমরা প্রতিবাদ সঠিক নাকি ভুল তা নিয়ে মন্তব্য করছি না।
নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কৃষকদের এই আন্দোলন কীভাবে গতি পায় এবং দিল্লি–হরিয়ানা–পাঞ্জাব সীমান্তে এর প্রভাব কতটা পড়বে তা দিনের বাকি সময়ের মধ্যেই বোঝা যাবে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে