
সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্দার ভুসিক অভিযোগ করেছেন, তাঁর দেশে ‘রঙিন বিপ্লব’ বা ‘কালার রেভল্যুশন’ মঞ্চস্থ করার চেষ্টা চালাচ্ছে পশ্চিমা বিশ্ব। এবার সেই একই অভিযোগ শোনা গেল রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেও। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, পশ্চিমা বিশ্ব সার্বিয়ায় মায়দান বা কালার ‘রঙিন বিপ্লব’ মঞ্চস্থ করার চেষ্টা করছে এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
রুশ সংবাদমাধ্যম তাসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মারিয়া জাখারোভা অভিযোগ করেছেন—সার্বিয়ার বর্তমান সরকারকে উৎখাত করতেই মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর মদদে গত রোববার বেলগ্রেড নগর প্রশাসনের ভবনে হামলা চালানো হয়েছিল।
গত ১৭ ডিসেম্বর সার্বিয়ায় পার্লামেন্ট ও স্থানীয় নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হয়। তবে ভোটের ফল প্রত্যাখ্যান করেন বিরোধীরা। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, এই নির্বাচনে ভোট কেনা, জাল ভোট ও প্রশাসনে প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভুসিকের প্রভাব খাটানোসহ ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে।
সেই অভিযোগের সূত্র ধরে গত রোববার নির্বাচনের ফল বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেন সার্বিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা। সেদিন সন্ধ্যায় শত শত বিক্ষোভকারী বেলগ্রেড সিটি হলে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করলে দাঙ্গা পুলিশ তাঁদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল ও পেপার স্প্রে ছোড়ে। বিক্ষোভকারীরা রাজধানীর প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করলে দাঙ্গা পুলিশ তাদের বাধা দেয়। তখন তারা ‘ভুসিক চোর’ ও ‘ভুসিক পুতিন’ বলে স্লোগান দেওয়া শুরু করে এবং লাঠি ও পাথর দিয়ে জানালা ভেঙে ফেলে।
নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণার সময় নির্বাচন কর্তৃপক্ষ বলে, প্রায় ৪৭ শতাংশ ভোট পেয়ে পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে ক্ষমতাসীন ভুসিকের সার্বিয়ান প্রগ্রেসিভ পার্টি (এসএনএস)। আর মধ্য বামপন্থী দল সার্বিয়া অ্যাগেইনস্ট ভায়োলেন্স পার্টি পেয়েছে ২৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ ভোট এবং সোশ্যালিস্ট পার্টি অব সার্বিয়া পেয়েছে ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ ভোট।
সার্বিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভুসিক এই বিক্ষোভকে রঙিন বিপ্লবের চেষ্টা বলে আখ্যা দিয়েছেন। গতকাল সোমবার মারিয়া জাখারোভা ভুসিকের সঙ্গে এ বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন। জাখারোভা বলেন, ‘সার্বিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নাড়িয়ে দিতে পশ্চিমের সম্মিলিত প্রচেষ্টা যে রঙিন বিপ্লবের প্রচেষ্টা সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।’
রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, ‘গত সপ্তাহের নির্বাচনের বিষয়ে একটাই প্রতিক্রিয়া হতে পারে। আর তা হলো, এই নির্বাচনের ফলাফল তীব্রভাবে সংবিধানের প্রতিটি শব্দ ও মূল চেতনার অনুগামী এবং এটি জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন।’

সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্দার ভুসিক অভিযোগ করেছেন, তাঁর দেশে ‘রঙিন বিপ্লব’ বা ‘কালার রেভল্যুশন’ মঞ্চস্থ করার চেষ্টা চালাচ্ছে পশ্চিমা বিশ্ব। এবার সেই একই অভিযোগ শোনা গেল রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেও। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, পশ্চিমা বিশ্ব সার্বিয়ায় মায়দান বা কালার ‘রঙিন বিপ্লব’ মঞ্চস্থ করার চেষ্টা করছে এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
রুশ সংবাদমাধ্যম তাসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মারিয়া জাখারোভা অভিযোগ করেছেন—সার্বিয়ার বর্তমান সরকারকে উৎখাত করতেই মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর মদদে গত রোববার বেলগ্রেড নগর প্রশাসনের ভবনে হামলা চালানো হয়েছিল।
গত ১৭ ডিসেম্বর সার্বিয়ায় পার্লামেন্ট ও স্থানীয় নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হয়। তবে ভোটের ফল প্রত্যাখ্যান করেন বিরোধীরা। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, এই নির্বাচনে ভোট কেনা, জাল ভোট ও প্রশাসনে প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভুসিকের প্রভাব খাটানোসহ ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে।
সেই অভিযোগের সূত্র ধরে গত রোববার নির্বাচনের ফল বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেন সার্বিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা। সেদিন সন্ধ্যায় শত শত বিক্ষোভকারী বেলগ্রেড সিটি হলে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করলে দাঙ্গা পুলিশ তাঁদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল ও পেপার স্প্রে ছোড়ে। বিক্ষোভকারীরা রাজধানীর প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করলে দাঙ্গা পুলিশ তাদের বাধা দেয়। তখন তারা ‘ভুসিক চোর’ ও ‘ভুসিক পুতিন’ বলে স্লোগান দেওয়া শুরু করে এবং লাঠি ও পাথর দিয়ে জানালা ভেঙে ফেলে।
নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণার সময় নির্বাচন কর্তৃপক্ষ বলে, প্রায় ৪৭ শতাংশ ভোট পেয়ে পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে ক্ষমতাসীন ভুসিকের সার্বিয়ান প্রগ্রেসিভ পার্টি (এসএনএস)। আর মধ্য বামপন্থী দল সার্বিয়া অ্যাগেইনস্ট ভায়োলেন্স পার্টি পেয়েছে ২৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ ভোট এবং সোশ্যালিস্ট পার্টি অব সার্বিয়া পেয়েছে ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ ভোট।
সার্বিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভুসিক এই বিক্ষোভকে রঙিন বিপ্লবের চেষ্টা বলে আখ্যা দিয়েছেন। গতকাল সোমবার মারিয়া জাখারোভা ভুসিকের সঙ্গে এ বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন। জাখারোভা বলেন, ‘সার্বিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নাড়িয়ে দিতে পশ্চিমের সম্মিলিত প্রচেষ্টা যে রঙিন বিপ্লবের প্রচেষ্টা সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।’
রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, ‘গত সপ্তাহের নির্বাচনের বিষয়ে একটাই প্রতিক্রিয়া হতে পারে। আর তা হলো, এই নির্বাচনের ফলাফল তীব্রভাবে সংবিধানের প্রতিটি শব্দ ও মূল চেতনার অনুগামী এবং এটি জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন।’

ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৮ মিনিট আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৩৬ মিনিট আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে