
জার্মানিতে আবিষ্কৃত একটি রুপার তাবিজ খ্রিষ্টধর্মের সবচেয়ে পুরোনো নিদর্শন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সম্প্রতি তাবিজের ভেতরে থাকা রুপার পাতায় খোদাই করা ল্যাটিন ভাষার ব্যাখ্যা থেকে এই তথ্য উদ্ঘাটিত হয়।
ফ্রাঙ্কফুর্ট সিটির কর্মকর্তারা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, রুপার পাতায় সেন্ট টাইটাস ও যিশুখ্রিষ্টকে আহ্বান জানানো হয়েছে এবং লেখা রয়েছে, ‘পবিত্র, পবিত্র, পবিত্র!’
এ ছাড়া আরও উদ্ধৃত আছে, ‘যিশুখ্রিষ্টের সামনে প্রতিটি হাঁটু নত হয়—যারা স্বর্গে, পৃথিবীতে এবং মাটির নিচে রয়েছে এবং প্রতিটি জিহ্বা তা স্বীকার করে।’
তাবিজ ও রুপার পাতাটি ২৩০ থেকে ২৭০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে কোনো একসময় তৈরি হয়েছিল বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডে এর আগেও তৃতীয় শতকের খ্রিষ্টধর্মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে আল্পসের উত্তরের রোমান সাম্রাজ্যের অঞ্চলে পাওয়া এই তাবিজের বয়স ওইসব প্রমাণের চেয়ে অন্তত ৫০ বছর বেশি।
২০১৮ সালে ফ্রাঙ্কফুর্টের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে পাওয়া ওই তাবিজটি শুধু এর বয়সের জন্য নয়, বরং অন্যান্য দিকেও উল্লেখযোগ্য।
ফ্রাঙ্কফুর্টের গোয়েথে ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মার্কুস শোলজ বলেছেন, ‘ওই সময়ের জন্য এটি ব্যতিক্রমী। কারণ, সেই সময়ের তাবিজে সাধারণত গ্রিক বা হিব্রু ভাষায় লেখা থাকত।’
তাবিজের ভেতর ‘পবিত্র, পবিত্র, পবিত্র!’ বাক্যাংশটি আগে চতুর্থ শতকের আগে ব্যবহার করা হয়নি বলে ধারণা করা হয়। এ ছাড়া রুপার পাতাটি আরও বিশেষত্বপূর্ণ। কারণ, এতে কোনো পৌত্তলিক দেবতা, ইহুদি নবী, জাহওয়ে বা গ্যাব্রিয়েল ও মাইকেলের মতো দেবদূতদের উল্লেখ নেই।
অন্য অনেক সময়কালের নিদর্শনে দেখা যায়—ইহুদি, পৌত্তলিক ও খ্রিষ্টীয় ব্যক্তিত্বদের একত্রে উল্লেখ করা হতো। কিন্তু ফ্রাঙ্কফুর্টের এই তাবিজে শুধু খ্রিষ্টধর্মের চরিত্র ও সেন্ট পলের ফিলিপীয়দের প্রতি পত্রের উদ্ধৃতি ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রায় হুবহু লেখা।
এই আবিষ্কার আল্পসের উত্তরাঞ্চলে খ্রিষ্টধর্মের প্রাথমিক বিস্তার ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি উন্মোচন করেছে।

জার্মানিতে আবিষ্কৃত একটি রুপার তাবিজ খ্রিষ্টধর্মের সবচেয়ে পুরোনো নিদর্শন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সম্প্রতি তাবিজের ভেতরে থাকা রুপার পাতায় খোদাই করা ল্যাটিন ভাষার ব্যাখ্যা থেকে এই তথ্য উদ্ঘাটিত হয়।
ফ্রাঙ্কফুর্ট সিটির কর্মকর্তারা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, রুপার পাতায় সেন্ট টাইটাস ও যিশুখ্রিষ্টকে আহ্বান জানানো হয়েছে এবং লেখা রয়েছে, ‘পবিত্র, পবিত্র, পবিত্র!’
এ ছাড়া আরও উদ্ধৃত আছে, ‘যিশুখ্রিষ্টের সামনে প্রতিটি হাঁটু নত হয়—যারা স্বর্গে, পৃথিবীতে এবং মাটির নিচে রয়েছে এবং প্রতিটি জিহ্বা তা স্বীকার করে।’
তাবিজ ও রুপার পাতাটি ২৩০ থেকে ২৭০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে কোনো একসময় তৈরি হয়েছিল বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডে এর আগেও তৃতীয় শতকের খ্রিষ্টধর্মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে আল্পসের উত্তরের রোমান সাম্রাজ্যের অঞ্চলে পাওয়া এই তাবিজের বয়স ওইসব প্রমাণের চেয়ে অন্তত ৫০ বছর বেশি।
২০১৮ সালে ফ্রাঙ্কফুর্টের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে পাওয়া ওই তাবিজটি শুধু এর বয়সের জন্য নয়, বরং অন্যান্য দিকেও উল্লেখযোগ্য।
ফ্রাঙ্কফুর্টের গোয়েথে ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মার্কুস শোলজ বলেছেন, ‘ওই সময়ের জন্য এটি ব্যতিক্রমী। কারণ, সেই সময়ের তাবিজে সাধারণত গ্রিক বা হিব্রু ভাষায় লেখা থাকত।’
তাবিজের ভেতর ‘পবিত্র, পবিত্র, পবিত্র!’ বাক্যাংশটি আগে চতুর্থ শতকের আগে ব্যবহার করা হয়নি বলে ধারণা করা হয়। এ ছাড়া রুপার পাতাটি আরও বিশেষত্বপূর্ণ। কারণ, এতে কোনো পৌত্তলিক দেবতা, ইহুদি নবী, জাহওয়ে বা গ্যাব্রিয়েল ও মাইকেলের মতো দেবদূতদের উল্লেখ নেই।
অন্য অনেক সময়কালের নিদর্শনে দেখা যায়—ইহুদি, পৌত্তলিক ও খ্রিষ্টীয় ব্যক্তিত্বদের একত্রে উল্লেখ করা হতো। কিন্তু ফ্রাঙ্কফুর্টের এই তাবিজে শুধু খ্রিষ্টধর্মের চরিত্র ও সেন্ট পলের ফিলিপীয়দের প্রতি পত্রের উদ্ধৃতি ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রায় হুবহু লেখা।
এই আবিষ্কার আল্পসের উত্তরাঞ্চলে খ্রিষ্টধর্মের প্রাথমিক বিস্তার ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি উন্মোচন করেছে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৫ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৮ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৯ ঘণ্টা আগে