
ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রিন্স ও সাসেক্সের ডিউক হ্যারি মোবাইল হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছেন। এই হ্যাকিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন মিরর গ্রুপ নিউজপেপারের (এমজিএন) সাংবাদিকেরা। এ ঘটনায় আজ শুক্রবার যুক্তরাজ্যের এক আদালতে প্রিন্স হ্যারিকে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬০০ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
আদালতে সাসেক্সের ডিউক মামলার প্রমাণাদি হিসাবে ৩৩টি নমুনা দাখিল করেন। এর মধ্যে ১৫ টিতে হাইকোর্টের বিচারক হ্যারির পক্ষে রায় দেন। এসব প্রমাণাদি তিনি দাখিল করেছিলেন এমজিএনের বিরুদ্ধে, এই গ্রুপ দ্য মিরর, সানডে মিরর এবং সানডে পিপলের প্রকাশক।
মামলার বিচারক ব্রিটেন হাইকোর্টের বিচারপতি টিমোথি ফ্যানকোর্ট একটি বিবৃতিতে বলেছেন, তিনি হ্যারিকে ‘স্বল্প’ পরিমাণে ক্ষতিপূরণ দিয়েছেন কারণ ডিউকের ভোগান্তির পেছনে মিরর গ্রুপের ভূমিকা ক্ষুদ্র ছিল এবং ডিউকের সঙ্গে ঘটা সব বেআইনি কার্যকলাপের জন্য দায়ী ছিল না গ্রুপটি। বছরের পর বছর ধরে ডিউকের প্রতি গণমাধ্যমের নিপীড়নমূলক আচরণের বিষয়ে করা চুক্তি মোটেও বেআইনি ছিল না।
বিচারক বলেছেন, মামলায় তদন্ত করা ৩৩টি আর্টিকেলের মধ্যে মাত্র ১৫ টির জন্য মোবাইল হ্যাকিং বা অন্যান্য অবৈধ উপায়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
ফ্যানকোর্ট বলেন, ‘আমি বিবেচনা করি যে তাঁর ফোন স্বল্প পরিমাণে হ্যাক করা হয়েছিল এবং কয়েকটি সংবাদপত্রে নির্দিষ্ট কিছু লোকেরা সাবধানে নিয়ন্ত্রণ করেছিল। ডিউকের দাবি ছিল, প্রকাশিত সব আর্টিকেল মোবাইল হ্যাকিং ও কল রেকর্ড করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল, কারণ ওই সময় মিরর গ্রুপের মধ্যে ফোন হ্যাকিংয়ের মাত্রা ব্যাপক ছিল। কিন্তু ফোন হ্যাকিং সেই সময়ে একমাত্র সাংবাদিকতার হাতিয়ার ছিল না এবং অন্য ১৮টি নিবন্ধের পক্ষে যথেষ্ট বিশ্লেষণ নেই।
রায়ের পরে আইনজীবীর কাছে পাঠানো একটি বিবৃতিতে হ্যারি বলেছেন, এই মামলায় জয়ী হয়ে খুশি। আমি সম্মানের সঙ্গে কর্তৃপক্ষ, আর্থিক নিয়ন্ত্রক ও পুলিশকে তাঁদের দায়িত্ব পালন এবং ডেইলি মিরর গ্রুপের বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ তদন্তের আহ্বান জানাচ্ছি।’
চলতি বছরের জুন মাসে প্রিন্স হ্যারি যুক্তরাজ্যের একটি আদালতের মামলায় অবস্থান নেওয়ার জন্য সবচেয়ে সিনিয়র রাজকীয় হয়ে ওঠেন। এই মামলায় দুই দিনের বেশি সাক্ষ্য দেন।

ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রিন্স ও সাসেক্সের ডিউক হ্যারি মোবাইল হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছেন। এই হ্যাকিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন মিরর গ্রুপ নিউজপেপারের (এমজিএন) সাংবাদিকেরা। এ ঘটনায় আজ শুক্রবার যুক্তরাজ্যের এক আদালতে প্রিন্স হ্যারিকে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬০০ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
আদালতে সাসেক্সের ডিউক মামলার প্রমাণাদি হিসাবে ৩৩টি নমুনা দাখিল করেন। এর মধ্যে ১৫ টিতে হাইকোর্টের বিচারক হ্যারির পক্ষে রায় দেন। এসব প্রমাণাদি তিনি দাখিল করেছিলেন এমজিএনের বিরুদ্ধে, এই গ্রুপ দ্য মিরর, সানডে মিরর এবং সানডে পিপলের প্রকাশক।
মামলার বিচারক ব্রিটেন হাইকোর্টের বিচারপতি টিমোথি ফ্যানকোর্ট একটি বিবৃতিতে বলেছেন, তিনি হ্যারিকে ‘স্বল্প’ পরিমাণে ক্ষতিপূরণ দিয়েছেন কারণ ডিউকের ভোগান্তির পেছনে মিরর গ্রুপের ভূমিকা ক্ষুদ্র ছিল এবং ডিউকের সঙ্গে ঘটা সব বেআইনি কার্যকলাপের জন্য দায়ী ছিল না গ্রুপটি। বছরের পর বছর ধরে ডিউকের প্রতি গণমাধ্যমের নিপীড়নমূলক আচরণের বিষয়ে করা চুক্তি মোটেও বেআইনি ছিল না।
বিচারক বলেছেন, মামলায় তদন্ত করা ৩৩টি আর্টিকেলের মধ্যে মাত্র ১৫ টির জন্য মোবাইল হ্যাকিং বা অন্যান্য অবৈধ উপায়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
ফ্যানকোর্ট বলেন, ‘আমি বিবেচনা করি যে তাঁর ফোন স্বল্প পরিমাণে হ্যাক করা হয়েছিল এবং কয়েকটি সংবাদপত্রে নির্দিষ্ট কিছু লোকেরা সাবধানে নিয়ন্ত্রণ করেছিল। ডিউকের দাবি ছিল, প্রকাশিত সব আর্টিকেল মোবাইল হ্যাকিং ও কল রেকর্ড করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল, কারণ ওই সময় মিরর গ্রুপের মধ্যে ফোন হ্যাকিংয়ের মাত্রা ব্যাপক ছিল। কিন্তু ফোন হ্যাকিং সেই সময়ে একমাত্র সাংবাদিকতার হাতিয়ার ছিল না এবং অন্য ১৮টি নিবন্ধের পক্ষে যথেষ্ট বিশ্লেষণ নেই।
রায়ের পরে আইনজীবীর কাছে পাঠানো একটি বিবৃতিতে হ্যারি বলেছেন, এই মামলায় জয়ী হয়ে খুশি। আমি সম্মানের সঙ্গে কর্তৃপক্ষ, আর্থিক নিয়ন্ত্রক ও পুলিশকে তাঁদের দায়িত্ব পালন এবং ডেইলি মিরর গ্রুপের বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ তদন্তের আহ্বান জানাচ্ছি।’
চলতি বছরের জুন মাসে প্রিন্স হ্যারি যুক্তরাজ্যের একটি আদালতের মামলায় অবস্থান নেওয়ার জন্য সবচেয়ে সিনিয়র রাজকীয় হয়ে ওঠেন। এই মামলায় দুই দিনের বেশি সাক্ষ্য দেন।

নেপালকে কোনোভাবেই বাংলাদেশের পথে হাঁটতে দেওয়া হবে না— এমন মন্তব্য করেছেন দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি। সম্প্রতি কাঠমান্ডুতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি বর্তমান সরকারের ওপর রাজনৈতিক দল ও তরুণ প্রজন্মের ক্রমাগত চাপের কঠোর সমালোচনা করেন
৭ মিনিট আগে
রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নমনীয়তা মানেই আদর্শের সঙ্গে আপস নয় বলে মন্তব্য করেছেন মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (এমএনএস) প্রধান রাজ ঠাকরে। তিনি আরও বলেন, মহারাষ্ট্রকে শক্তিশালী রাখার স্বার্থে প্রয়োজন হলে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও সমর্থন করতে প্রস্তুত।
৪১ মিনিট আগে
ইরানে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করতে পারে—এমন আশঙ্কায় ইসরায়েল সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি ইসরায়েলি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
সিরিয়ার আলেপ্পো শহর থেকে কুর্দি বিদ্রোহী গোষ্ঠী সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) সর্বশেষ যোদ্ধাটিও আজ রোববার বিদায় নিয়েছে। দীর্ঘ কয়েক দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে এই সরিয়ে নেওয়ার কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আখবারিয়া জানিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে