
ইউক্রেনের বাখমুত শহর ‘প্রায় ঘিরে ফেলেছে’ রুশ বাহিনী। রাশিয়ার সেনাবাহিনীর এই অর্জনকে গত ছয় মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার রুশ বাহিনী কামানের গোলা ছুড়তে ছুড়তে সামনের দিকে এগিয়ে গেছে এবং অবরুদ্ধ বাখমুত প্রায় ঘিরে ফেলেছে।
রাশিয়ার ভাড়াটে সেনাবাহিনী ওয়াগনারের প্রধান বলেছেন, গত কয়েক মাসের অব্যাহত আক্রমণে বাখমুত প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। শহরটি সব দিক থেকে ঘিরে ফেলা হলেও একটি দিকের রাস্তা এখনো ইউক্রেনের সেনাদের জন্য খোলা রাখা হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাখমুতের পশ্চিম দিকের রাস্তাগুলোতে রুশ বাহিনীকে ব্যাপক গোলাগুলি করতে দেখা গেছে। মূলত ইউক্রেনের সেনাদের শহরের ভেতরে ঢুকতে ও বাইরে যেতে বাধা দিতেই তারা এই আক্রমণ চালিয়েছে। রুশ বাহিনীর কামানের গোলার আঘাতে খ্রোমোভ শহরের একটি সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অন্যদিকে এই শহরের ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলো মেরামত করতে দেখা গেছে ইউক্রেনীয় সৈন্যদের। এ থেকে বোঝা যায়, ইউক্রেন বাহিনী এই শহর ছেড়ে দিতে নারাজ। বাখমুত শহরের পশ্চিম দিকে ইউক্রেন সেনাদের পরিখা খনন করতেও দেখা গেছে।
রাশিয়ার বার্তা সংস্থা আরআইএ একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে দেখা গেছে, ওয়াগনার যোদ্ধারা ধসে যাওয়া ভবনগুলোর পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। একজন যোদ্ধা বলছেন, ইউক্রেন বাহিনী রুশদের ঘেরাও ঠেকাতে বাখমুতের আশপাশের বসতবাড়ি ধ্বংস করছে।
ইউক্রেনের স্থলবাহিনীর কমান্ডার ওলেক্সান্ডার সিরস্কি গতকাল অবরুদ্ধ বাখমুত পরিদর্শন করেছেন। তিনি সম্মুখযোদ্ধাদের সক্ষমতা বাড়াতে স্থানীয় কমান্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।
বাখমুতে ইউক্রেনীয় সেনা ইউনিটের কমান্ডার ডেনিস ইয়ারোস্লাভস্কি স্থানীয় টেলিভিশন এসপ্রেসোকে বলেছেন, বাখমুত কসাইখানায় পরিণত হয়েছে। কিছু ইউনিটের সেনাদের সুরক্ষিত স্থানে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাখমুত অঞ্চলটি লবণ ও জিপসাম খনির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ইউক্রেন বলছে, শহরটির কৌশলগত মূল্য খুব কম। শহরটি দখলের চেষ্টায় রাশিয়া যে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি করছে, তা অকারণেই সংঘাত বাড়াচ্ছে।

ইউক্রেনের বাখমুত শহর ‘প্রায় ঘিরে ফেলেছে’ রুশ বাহিনী। রাশিয়ার সেনাবাহিনীর এই অর্জনকে গত ছয় মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার রুশ বাহিনী কামানের গোলা ছুড়তে ছুড়তে সামনের দিকে এগিয়ে গেছে এবং অবরুদ্ধ বাখমুত প্রায় ঘিরে ফেলেছে।
রাশিয়ার ভাড়াটে সেনাবাহিনী ওয়াগনারের প্রধান বলেছেন, গত কয়েক মাসের অব্যাহত আক্রমণে বাখমুত প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। শহরটি সব দিক থেকে ঘিরে ফেলা হলেও একটি দিকের রাস্তা এখনো ইউক্রেনের সেনাদের জন্য খোলা রাখা হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাখমুতের পশ্চিম দিকের রাস্তাগুলোতে রুশ বাহিনীকে ব্যাপক গোলাগুলি করতে দেখা গেছে। মূলত ইউক্রেনের সেনাদের শহরের ভেতরে ঢুকতে ও বাইরে যেতে বাধা দিতেই তারা এই আক্রমণ চালিয়েছে। রুশ বাহিনীর কামানের গোলার আঘাতে খ্রোমোভ শহরের একটি সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অন্যদিকে এই শহরের ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলো মেরামত করতে দেখা গেছে ইউক্রেনীয় সৈন্যদের। এ থেকে বোঝা যায়, ইউক্রেন বাহিনী এই শহর ছেড়ে দিতে নারাজ। বাখমুত শহরের পশ্চিম দিকে ইউক্রেন সেনাদের পরিখা খনন করতেও দেখা গেছে।
রাশিয়ার বার্তা সংস্থা আরআইএ একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে দেখা গেছে, ওয়াগনার যোদ্ধারা ধসে যাওয়া ভবনগুলোর পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। একজন যোদ্ধা বলছেন, ইউক্রেন বাহিনী রুশদের ঘেরাও ঠেকাতে বাখমুতের আশপাশের বসতবাড়ি ধ্বংস করছে।
ইউক্রেনের স্থলবাহিনীর কমান্ডার ওলেক্সান্ডার সিরস্কি গতকাল অবরুদ্ধ বাখমুত পরিদর্শন করেছেন। তিনি সম্মুখযোদ্ধাদের সক্ষমতা বাড়াতে স্থানীয় কমান্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।
বাখমুতে ইউক্রেনীয় সেনা ইউনিটের কমান্ডার ডেনিস ইয়ারোস্লাভস্কি স্থানীয় টেলিভিশন এসপ্রেসোকে বলেছেন, বাখমুত কসাইখানায় পরিণত হয়েছে। কিছু ইউনিটের সেনাদের সুরক্ষিত স্থানে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাখমুত অঞ্চলটি লবণ ও জিপসাম খনির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ইউক্রেন বলছে, শহরটির কৌশলগত মূল্য খুব কম। শহরটি দখলের চেষ্টায় রাশিয়া যে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি করছে, তা অকারণেই সংঘাত বাড়াচ্ছে।

মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
৫ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
৬ ঘণ্টা আগে