আজকের পত্রিকা ডেস্ক

দক্ষিণ-পূর্ব স্পেনের তোরে-পাচেকো শহরে শনিবার রাতে উত্তর আফ্রিকান অভিবাসীদের সঙ্গে উগ্র-ডানপন্থী গোষ্ঠী ও স্থানীয়দের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক দিন আগে বয়স্ক এক ব্যক্তি অজ্ঞাত হামলাকারীদের হাতে আহত হওয়ার পর এই উত্তেজনা শুরু হয়।
স্থানীয় প্রশাসনের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছে এবং একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত কয়েক দশকে স্পেনে এমন ঘটনা বিরল। আজ রোববার পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও সরকারি সূত্র বলছে, আরও গ্রেপ্তার হতে পারে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, উগ্র-ডানপন্থী প্রতীকসংবলিত পোশাক পরা কিছু লোক ও মরক্কোর পতাকা হাতে অভিবাসীরা একে অপরের দিকে বিভিন্ন বস্তু ছুড়ে মারছে। এই সহিংসতা কয়েক দিন ধরে চলা হালকা উত্তেজনার চূড়ান্ত রূপ।
সিএনএন জানিয়েছে, গত বুধবার স্থানীয় ও বৃদ্ধ এক ব্যক্তিকে রাস্তায় আক্রমণ করা হয়। তিনি বর্তমানে বাড়িতে থেকে সেরে উঠছেন। হামলার উদ্দেশ্য স্পষ্ট নয় এবং এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
সরকারের স্থানীয় প্রতিনিধি মারিওলা গেভারা স্পেনের রাষ্ট্রীয় টিভিকে বলেছেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। সহিংসতা দমনে অতিরিক্ত সিভিল গার্ড মোতায়েন করা হবে।
স্থানীয় প্রশাসনের তথ্যমতে, তোরে-পাচেকোর এক-তৃতীয়াংশ জনসংখ্যা অভিবাসী। শহরটি মুরসিয়া অঞ্চলে অবস্থিত। সেখানে কৃষিশ্রমিক হিসেবে বহু অভিবাসী কাজ করেন।
এদিকে মাত্র দুই সপ্তাহ আগেই মুরসিয়া সরকারের একটি প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে। ওই প্রস্তাব অনুযায়ী, অনাথ অভিবাসী শিশুদের জন্য বাড়ি কেনার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। প্রস্তাবটি বাতিলের কারণ হলো—ক্ষমতাসীন রক্ষণশীল পিপলস পার্টি এমন সিদ্ধান্তের জন্য উগ্র-ডানপন্থী ভক্স পার্টির সমর্থন হারাতে বসেছিল।
উল্লেখ্য, ২০০০ সালে স্পেনের দক্ষিণের এল এহিদো শহরে অভিবাসনবিরোধী বড় ধরনের দাঙ্গা হয়েছিল। মরক্কোর অভিবাসীদের হাতে তিন স্প্যানিশ নাগরিক নিহত হওয়ার জের ধরে ওই দাঙ্গা সংঘটিত হয়।

দক্ষিণ-পূর্ব স্পেনের তোরে-পাচেকো শহরে শনিবার রাতে উত্তর আফ্রিকান অভিবাসীদের সঙ্গে উগ্র-ডানপন্থী গোষ্ঠী ও স্থানীয়দের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক দিন আগে বয়স্ক এক ব্যক্তি অজ্ঞাত হামলাকারীদের হাতে আহত হওয়ার পর এই উত্তেজনা শুরু হয়।
স্থানীয় প্রশাসনের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছে এবং একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত কয়েক দশকে স্পেনে এমন ঘটনা বিরল। আজ রোববার পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও সরকারি সূত্র বলছে, আরও গ্রেপ্তার হতে পারে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, উগ্র-ডানপন্থী প্রতীকসংবলিত পোশাক পরা কিছু লোক ও মরক্কোর পতাকা হাতে অভিবাসীরা একে অপরের দিকে বিভিন্ন বস্তু ছুড়ে মারছে। এই সহিংসতা কয়েক দিন ধরে চলা হালকা উত্তেজনার চূড়ান্ত রূপ।
সিএনএন জানিয়েছে, গত বুধবার স্থানীয় ও বৃদ্ধ এক ব্যক্তিকে রাস্তায় আক্রমণ করা হয়। তিনি বর্তমানে বাড়িতে থেকে সেরে উঠছেন। হামলার উদ্দেশ্য স্পষ্ট নয় এবং এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
সরকারের স্থানীয় প্রতিনিধি মারিওলা গেভারা স্পেনের রাষ্ট্রীয় টিভিকে বলেছেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। সহিংসতা দমনে অতিরিক্ত সিভিল গার্ড মোতায়েন করা হবে।
স্থানীয় প্রশাসনের তথ্যমতে, তোরে-পাচেকোর এক-তৃতীয়াংশ জনসংখ্যা অভিবাসী। শহরটি মুরসিয়া অঞ্চলে অবস্থিত। সেখানে কৃষিশ্রমিক হিসেবে বহু অভিবাসী কাজ করেন।
এদিকে মাত্র দুই সপ্তাহ আগেই মুরসিয়া সরকারের একটি প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে। ওই প্রস্তাব অনুযায়ী, অনাথ অভিবাসী শিশুদের জন্য বাড়ি কেনার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। প্রস্তাবটি বাতিলের কারণ হলো—ক্ষমতাসীন রক্ষণশীল পিপলস পার্টি এমন সিদ্ধান্তের জন্য উগ্র-ডানপন্থী ভক্স পার্টির সমর্থন হারাতে বসেছিল।
উল্লেখ্য, ২০০০ সালে স্পেনের দক্ষিণের এল এহিদো শহরে অভিবাসনবিরোধী বড় ধরনের দাঙ্গা হয়েছিল। মরক্কোর অভিবাসীদের হাতে তিন স্প্যানিশ নাগরিক নিহত হওয়ার জের ধরে ওই দাঙ্গা সংঘটিত হয়।

বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৬ মিনিট আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৩৬ মিনিট আগে
ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক হামলায় নিজেদের ভূখণ্ড বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না সৌদি আরব। সৌদি সরকারের ঘনিষ্ঠ দুটি সূত্রের বরাতে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
৪০ মিনিট আগে
গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ডেনমার্কের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক লড়াই এখন তুঙ্গে। আজ বুধবার নিজের ট্রুথ সোশ্যালের এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিনল্যান্ড আমাদের প্রয়োজন। ন্যাটো জোটেরই উচিত আমাদের এটি পাইয়ে দিতে নেতৃত্ব দেওয়া।
৪১ মিনিট আগে