
জার্মানিতে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংকট দেখা দিতে পারে বলে ‘অগ্রিম সতর্কতা’ জারি করেছে দেশটির। রাশিয়া তাদের নিজস্ব মুদ্রা রুবলে লেনদেন না করলে জার্মানিতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে এমন ঘোষণা দেওয়ার পরই জার্মানির পক্ষ থেকে এই সতর্ক অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত দেওয়া হলো। বুধবার বার্লিনে এক সংবাদ সম্মেলনে জার্মান অর্থনীতি মন্ত্রী রবার্ট হ্যাবেক দেশটির জনগণের প্রতি এই সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
হ্যাবেক বলেন যে—এই অগ্রিম সতর্কতা প্রকৃতপক্ষে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ এবং এর অর্থ হলো জার্মানিতে গ্যাস সরবরাহের ওপর নজরদারি বাড়ানো।
বুধবারের দেওয়া ঘোষণা অনুসারে, দেশটির সরকারি সংস্থা এখনো কোনো বিধিনিষেধের আওতায় পড়েনি। তবে, এ সময় হ্যাবেক দেশটির বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের পরিমিত পরিমাণে গ্যাস ব্যবহারের আহ্বান জানান।
হ্যাবেকের মতে, জার্মানিতে বর্তমানে তার গ্যাস ধারণক্ষমতার ২৫ শতাংশেরও বেশি গ্যাস রয়েছে।
জার্মান অর্থনীতি মন্ত্রী রবার্ট হ্যাবেক বলেছেন, ‘বর্তমানে সরবরাহের কোনো ঘাটতি নেই। তবুও আমাদের রাশিয়ার যে কোনো পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে এবং আরও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।’
এর আগে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন যে—রাশিয়ার বন্ধু নয় এমন দেশগুলো যদি রাশিয়ার গ্যাস কিনতে চায় তবে কেবল রুবলেই গ্যাসের দাম পরিশোধ করতে হবে নইলে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে। তবে ইউরোপে রাশিয়ার সবচেয়ে বড় জ্বালানি ক্রেতা জার্মানি পুতিনের এমন নির্দেশনাকে ‘ব্ল্যাকমেল’ বলে খারিজ করে দিয়েছে।
হ্যাবেক বলেন, ‘রুবলে লেনদেন গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা কোনোভাবেই বিভক্ত হব না এবং এই বিষয়ে জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোর অবস্থান পরিষ্কার। আমাদের মধ্যে যে চুক্তি রয়েছে তা আমরা মেনে চলব।’

জার্মানিতে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংকট দেখা দিতে পারে বলে ‘অগ্রিম সতর্কতা’ জারি করেছে দেশটির। রাশিয়া তাদের নিজস্ব মুদ্রা রুবলে লেনদেন না করলে জার্মানিতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে এমন ঘোষণা দেওয়ার পরই জার্মানির পক্ষ থেকে এই সতর্ক অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত দেওয়া হলো। বুধবার বার্লিনে এক সংবাদ সম্মেলনে জার্মান অর্থনীতি মন্ত্রী রবার্ট হ্যাবেক দেশটির জনগণের প্রতি এই সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
হ্যাবেক বলেন যে—এই অগ্রিম সতর্কতা প্রকৃতপক্ষে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ এবং এর অর্থ হলো জার্মানিতে গ্যাস সরবরাহের ওপর নজরদারি বাড়ানো।
বুধবারের দেওয়া ঘোষণা অনুসারে, দেশটির সরকারি সংস্থা এখনো কোনো বিধিনিষেধের আওতায় পড়েনি। তবে, এ সময় হ্যাবেক দেশটির বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের পরিমিত পরিমাণে গ্যাস ব্যবহারের আহ্বান জানান।
হ্যাবেকের মতে, জার্মানিতে বর্তমানে তার গ্যাস ধারণক্ষমতার ২৫ শতাংশেরও বেশি গ্যাস রয়েছে।
জার্মান অর্থনীতি মন্ত্রী রবার্ট হ্যাবেক বলেছেন, ‘বর্তমানে সরবরাহের কোনো ঘাটতি নেই। তবুও আমাদের রাশিয়ার যে কোনো পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে এবং আরও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।’
এর আগে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন যে—রাশিয়ার বন্ধু নয় এমন দেশগুলো যদি রাশিয়ার গ্যাস কিনতে চায় তবে কেবল রুবলেই গ্যাসের দাম পরিশোধ করতে হবে নইলে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে। তবে ইউরোপে রাশিয়ার সবচেয়ে বড় জ্বালানি ক্রেতা জার্মানি পুতিনের এমন নির্দেশনাকে ‘ব্ল্যাকমেল’ বলে খারিজ করে দিয়েছে।
হ্যাবেক বলেন, ‘রুবলে লেনদেন গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা কোনোভাবেই বিভক্ত হব না এবং এই বিষয়ে জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোর অবস্থান পরিষ্কার। আমাদের মধ্যে যে চুক্তি রয়েছে তা আমরা মেনে চলব।’

ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
১ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৪ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৫ ঘণ্টা আগে