আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় শহর মিলানের বেরগামো বিমানবন্দরে বাতাসের টানে উড়োজাহাজের ইঞ্জিনের ভেতরে ঢুকে এক ব্যক্তির প্রাণহানি ঘটেছে। বিমানটি উড্ডয়নের প্রস্তুতির সময় ইঞ্জিনের বাতাসের টানে ওই ব্যক্তি সেখানে ঢুকে যাওয়ায় তাঁর প্রাণহানি ঘটে।
আজ মঙ্গলবার বেরগামো বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের এক মুখপাত্র ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
বিমানবন্দর পরিচালনাকারী সংস্থা স্যাকবোর ওই মুখপাত্র বলেছেন, যে ব্যক্তি মারা গেছেন, তিনি বিমানের যাত্রী নন। এমনকি বিমানবন্দরের কোনো কর্মচারী নন তিনি। ওই ব্যক্তিকে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মীরা থামানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি জোরপূর্বক বিমানবন্দরের রানওয়েতে ঢুকে পড়েন।
ইতালির স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা কুরিয়েরে দেলা সেরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত ব্যক্তির বয়স ৩০ এর কোঠায়। তিনি হঠাৎ বিমানবন্দরে ঢুকে পড়েন এবং জরুরি বহির্গমন পথ ব্যবহার করে দৌড়ে রানওয়ের দিকে চলে যান। সেই সময় রানওয়েতে একটি উড়োজাহাজ উড্ডয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
এর আগে, স্পেনের বিমান সংস্থা ভোলোটিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছে, বেরগামো থেকে স্পেনের আস্তুরিয়াসগামী ভোলোটিয়ার একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ‘দুর্ঘটনার’ শিকার হয়েছে।
পোস্টে বলা হয়, দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তি উড়োজাহাজে ছিলেন না এবং আমাদের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও যুক্ত নন। এই ঘটনায় তিনি গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। বিমানের ১৫৪ যাত্রী ও ছয়জন ক্রুর সবাই নিরাপদে আছেন।
ভোলোটিয়া বলেছে, আমরা এই ঘটনায় ভুক্তভোগী যাত্রী ও ক্রুদের সর্বোচ্চ সহায়তা করছি। এমনকি তাদের মানসিক সমর্থনও দেওয়া হচ্ছে। ইতালীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে উড়োজাহাজ কর্তৃপক্ষ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
আকাশে উড়োজাহাজের অবস্থান শনাক্তকারী সাইট ফ্লাইটরাডার২৪ বলেছে, বেরগামো বিমানবন্দরে দুর্ঘটনার কবলে পড়া উড়োজাহাজটি ছিল একটি এয়ারবাস এ৩১৯। এই দুর্ঘটনার পরপরই ইতালির তৃতীয় সর্বোচ্চ যাত্রী চলাচলকারী বেরগামো বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে স্যাকবো বলেছে, দুপুরের পর থেকে বিমানবন্দরে আবারও ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে।

ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় শহর মিলানের বেরগামো বিমানবন্দরে বাতাসের টানে উড়োজাহাজের ইঞ্জিনের ভেতরে ঢুকে এক ব্যক্তির প্রাণহানি ঘটেছে। বিমানটি উড্ডয়নের প্রস্তুতির সময় ইঞ্জিনের বাতাসের টানে ওই ব্যক্তি সেখানে ঢুকে যাওয়ায় তাঁর প্রাণহানি ঘটে।
আজ মঙ্গলবার বেরগামো বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের এক মুখপাত্র ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
বিমানবন্দর পরিচালনাকারী সংস্থা স্যাকবোর ওই মুখপাত্র বলেছেন, যে ব্যক্তি মারা গেছেন, তিনি বিমানের যাত্রী নন। এমনকি বিমানবন্দরের কোনো কর্মচারী নন তিনি। ওই ব্যক্তিকে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মীরা থামানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি জোরপূর্বক বিমানবন্দরের রানওয়েতে ঢুকে পড়েন।
ইতালির স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা কুরিয়েরে দেলা সেরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত ব্যক্তির বয়স ৩০ এর কোঠায়। তিনি হঠাৎ বিমানবন্দরে ঢুকে পড়েন এবং জরুরি বহির্গমন পথ ব্যবহার করে দৌড়ে রানওয়ের দিকে চলে যান। সেই সময় রানওয়েতে একটি উড়োজাহাজ উড্ডয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
এর আগে, স্পেনের বিমান সংস্থা ভোলোটিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছে, বেরগামো থেকে স্পেনের আস্তুরিয়াসগামী ভোলোটিয়ার একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ‘দুর্ঘটনার’ শিকার হয়েছে।
পোস্টে বলা হয়, দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তি উড়োজাহাজে ছিলেন না এবং আমাদের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও যুক্ত নন। এই ঘটনায় তিনি গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। বিমানের ১৫৪ যাত্রী ও ছয়জন ক্রুর সবাই নিরাপদে আছেন।
ভোলোটিয়া বলেছে, আমরা এই ঘটনায় ভুক্তভোগী যাত্রী ও ক্রুদের সর্বোচ্চ সহায়তা করছি। এমনকি তাদের মানসিক সমর্থনও দেওয়া হচ্ছে। ইতালীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে উড়োজাহাজ কর্তৃপক্ষ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
আকাশে উড়োজাহাজের অবস্থান শনাক্তকারী সাইট ফ্লাইটরাডার২৪ বলেছে, বেরগামো বিমানবন্দরে দুর্ঘটনার কবলে পড়া উড়োজাহাজটি ছিল একটি এয়ারবাস এ৩১৯। এই দুর্ঘটনার পরপরই ইতালির তৃতীয় সর্বোচ্চ যাত্রী চলাচলকারী বেরগামো বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে স্যাকবো বলেছে, দুপুরের পর থেকে বিমানবন্দরে আবারও ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে।

হাসান আলী প্রশ্ন করেন—কেন তাঁর বাবাকে দুই দেশের মধ্যে এভাবে ছোড়াছুড়ি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার দেশ আমার বাবাকে বাংলাদেশি বলে ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ তাঁকে দুইবার ফেরত পাঠিয়েছে। তাহলে আমাদের দেশ কোনটা? আমাদের দেশ আছে কি?’
২৪ মিনিট আগে
লোহিত সাগর অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করেছে সোমালিয়া সরকার। গতকাল সোমবার মোগাদিসু সরকার এই ঘোষণা দিয়ে পারস্য উপসাগরীয় দেশটিকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ও প্রধান বন্দর অবকাঠামো থেকে বহিষ্কার করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের মুখে ইরানি সরকার যখন ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে, তখন প্রশাসন জানিয়েছে যে সম্ভাব্য বিভিন্ন বিকল্পের মধ্যে ‘বিমান হামলা’ অন্যতম।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা যেকোনো দেশের ওপর বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। দেশটিতে বিক্ষোভ সহিংসভাবে দমনের কারণে তেহরান সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে