আজকের পত্রিকা ডেস্ক

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বশান্তির জন্য অনেক কিছু করছেন। এর জন্য তিনি নোবেল পাওয়ার যোগ্য। একই সঙ্গে ট্রাম্পকে এই পুরস্কার না দেওয়ায় তিনি নোবেল কমিটির সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ট্রাম্প নোবেল না পাওয়ায় এই পুরস্কারের মর্যাদা নষ্ট হয়েছে।
নরওয়ের নোবেল কমিটি গত শুক্রবার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দিয়েছে ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে। এরপর অনেকেই বলছেন, এতে ট্রাম্পের প্রতি অবহেলা করা হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনও এমনটাই মনে করেন।
শুক্রবার তাজিকিস্তান সফরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পুতিন বলেন, ‘নোবেল কমিটির বিশ্বাসযোগ্যতা এখন অনেকটাই হারিয়েছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, ‘আগেও দেখা গেছে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার এমন কিছু ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে, যাঁরা শান্তির জন্য কিছুই করেননি। এতে পুরস্কারের মর্যাদা নষ্ট হয়েছে।’
যদিও ট্রাম্পের পুরস্কার পাওয়া উচিত কি না—এ প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেননি পুতিন। তবে ইউক্রেনে বছরের পর বছর ধরে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া পুতিন বলেন, ‘ট্রাম্প আসলেই দীর্ঘদিনের সংকট মেটানোর জন্য কাজ করছেন। কিছু ক্ষেত্রে তিনি কয়েক দশকের পুরোনো সংকটও সমাধানের চেষ্টা করছেন।’
পুতিনের দাবি, ট্রাম্প ‘সত্যিই শান্তির জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছেন, আর তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি।’
গত বুধবার ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ইসরায়েল ও হামাস গাজার যুদ্ধের অবসান ঘটাতে প্রথম ধাপের শান্তিচুক্তিতে সই করেছে। শুক্রবার ইসরায়েল জানায়, গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি একাধিক আন্তর্জাতিক সংঘাতের অবসান ঘটিয়েছেন। তবে বার্তা সংস্থা এপি এসব দাবির অনেকগুলোকে ভুল বা অতিরঞ্জিত বলে প্রমাণ করেছে।
পুতিন বলেন, ‘যদি ট্রাম্প তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু বাস্তবায়ন করতে পারেন, তাহলে তা হবে ইতিহাসে এক অসাধারণ মুহূর্ত।’
এদিকে, নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান ইয়র্গেন ওয়াটনে ফ্রিডনেস জানান, মারিয়া কোরিনা মাচাদো স্বাধীনতার সাহসী রক্ষক হিসেবে কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন ও প্রতিরোধ করেছেন। এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে এবার শান্তিতে নোবেল দেওয়া হয়েছে।
এ পর্যন্ত চারজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁরা হলেন বারাক ওবামা, জিমি কার্টার, উড্রো উইলসন, থিওডোর রুজভেল্ট এবং সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোর।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নোবেল পুরস্কারের জন্য যত চেষ্টা করেছেন, ইতিহাসে তা বিরল। প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম মেয়াদেই তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। ইসরায়েল-ইরান ও ভারত-পাকিস্তান সংঘাত কমানোর কৃতিত্ব দাবি করে একাধিকবার তিনি নিজেকে নোবেলের যোগ্য বলে প্রচার করেন। চলতি সপ্তাহে গাজা যুদ্ধ থামাতে যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময় চুক্তি ঘোষণা করেন ট্রাম্প।
এরও আগে থেকে নিজেকে একজন শান্তির দূত হিসেবে উপস্থাপন করছেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, গাজার সংঘাতসহ তিনি মোট আটটি যুদ্ধ থামিয়েছেন। কিন্তু এত কিছুর পরও এবার তাঁর ভাগ্যে নোবেল পুরস্কার জোটেনি।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বশান্তির জন্য অনেক কিছু করছেন। এর জন্য তিনি নোবেল পাওয়ার যোগ্য। একই সঙ্গে ট্রাম্পকে এই পুরস্কার না দেওয়ায় তিনি নোবেল কমিটির সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ট্রাম্প নোবেল না পাওয়ায় এই পুরস্কারের মর্যাদা নষ্ট হয়েছে।
নরওয়ের নোবেল কমিটি গত শুক্রবার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দিয়েছে ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে। এরপর অনেকেই বলছেন, এতে ট্রাম্পের প্রতি অবহেলা করা হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনও এমনটাই মনে করেন।
শুক্রবার তাজিকিস্তান সফরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পুতিন বলেন, ‘নোবেল কমিটির বিশ্বাসযোগ্যতা এখন অনেকটাই হারিয়েছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, ‘আগেও দেখা গেছে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার এমন কিছু ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে, যাঁরা শান্তির জন্য কিছুই করেননি। এতে পুরস্কারের মর্যাদা নষ্ট হয়েছে।’
যদিও ট্রাম্পের পুরস্কার পাওয়া উচিত কি না—এ প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেননি পুতিন। তবে ইউক্রেনে বছরের পর বছর ধরে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া পুতিন বলেন, ‘ট্রাম্প আসলেই দীর্ঘদিনের সংকট মেটানোর জন্য কাজ করছেন। কিছু ক্ষেত্রে তিনি কয়েক দশকের পুরোনো সংকটও সমাধানের চেষ্টা করছেন।’
পুতিনের দাবি, ট্রাম্প ‘সত্যিই শান্তির জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছেন, আর তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি।’
গত বুধবার ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ইসরায়েল ও হামাস গাজার যুদ্ধের অবসান ঘটাতে প্রথম ধাপের শান্তিচুক্তিতে সই করেছে। শুক্রবার ইসরায়েল জানায়, গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি একাধিক আন্তর্জাতিক সংঘাতের অবসান ঘটিয়েছেন। তবে বার্তা সংস্থা এপি এসব দাবির অনেকগুলোকে ভুল বা অতিরঞ্জিত বলে প্রমাণ করেছে।
পুতিন বলেন, ‘যদি ট্রাম্প তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু বাস্তবায়ন করতে পারেন, তাহলে তা হবে ইতিহাসে এক অসাধারণ মুহূর্ত।’
এদিকে, নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান ইয়র্গেন ওয়াটনে ফ্রিডনেস জানান, মারিয়া কোরিনা মাচাদো স্বাধীনতার সাহসী রক্ষক হিসেবে কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন ও প্রতিরোধ করেছেন। এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে এবার শান্তিতে নোবেল দেওয়া হয়েছে।
এ পর্যন্ত চারজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁরা হলেন বারাক ওবামা, জিমি কার্টার, উড্রো উইলসন, থিওডোর রুজভেল্ট এবং সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোর।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নোবেল পুরস্কারের জন্য যত চেষ্টা করেছেন, ইতিহাসে তা বিরল। প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম মেয়াদেই তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। ইসরায়েল-ইরান ও ভারত-পাকিস্তান সংঘাত কমানোর কৃতিত্ব দাবি করে একাধিকবার তিনি নিজেকে নোবেলের যোগ্য বলে প্রচার করেন। চলতি সপ্তাহে গাজা যুদ্ধ থামাতে যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময় চুক্তি ঘোষণা করেন ট্রাম্প।
এরও আগে থেকে নিজেকে একজন শান্তির দূত হিসেবে উপস্থাপন করছেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, গাজার সংঘাতসহ তিনি মোট আটটি যুদ্ধ থামিয়েছেন। কিন্তু এত কিছুর পরও এবার তাঁর ভাগ্যে নোবেল পুরস্কার জোটেনি।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়। স্থগিতের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে পরিবারভিত্তিক অভিবাসী ভিসা। এর আওতায়—মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রীর ভিসা (আইআর-১, সিআর-১), বাগদত্ত/বাগদত্তা ভিসা (কে-১), মার্কিন নাগরিকের পরিবারের সদস্যদের ভিসা (আইআর-২, আইআর-৫, এফ-১, এফ-৩ ও এফ-৪)...
৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ–সংক্রান্ত উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম মাত্র একদিনেই ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা আবারও জোর দিয়ে বলছেন। তবে তাঁর এমন ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইউরোপের কয়েক দেশের একটি সম্মিলিত বাহিনী দ্বীপটিতে পৌঁছেছে।
১০ ঘণ্টা আগে