
সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে একটি যাত্রীছাউনিতে বাস ঢুকে পড়ে বেশ কয়েকজন নিহত ও আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। তবে পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় সন্ত্রাসী হামলার কোনো ইঙ্গিত এখনো পাওয়া যায়নি।
স্টকহোমের উদ্ধারকারী পরিষেবা বিভাগের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, এ ঘটনায় ছয়জন হতাহত হয়েছেন। তবে তিনি নিহত ও আহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানাননি। তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে কোনো যাত্রী ছিলেন না।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে। স্থানীয় পুলিশের এক কর্মকতা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘বাসের চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটিকে সন্ত্রাসী হামলা বলে মনে হওয়ার মতো কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই।’
পুলিশ নিহত বা আহত ব্যক্তিদের সংখ্যা, লিঙ্গ বা বয়স সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
দুর্ঘটনার পরপরই পুলিশ, উদ্ধারকর্মী ও অ্যাম্বুলেন্স সেখানে কাজ শুরু করে। সুইডিশ দৈনিক আফটোনব্লাডেট প্রকাশিত একটি ছবিতে দেখা গেছে, একটি নীল ডাবল ডেকার বাসকে ঘিরে জরুরি সেবার কর্মীরা কাজ করছেন আর বাসের চারপাশে ছড়িয়ে রয়েছে ধ্বংসাবশেষ।
পুলিশ জানায়, ঘটনাটি রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ঘটেছে।
সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘এ ঘটনার কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে এই মুহূর্তে আমাদের চিন্তা ক্ষতিগ্রস্ত ও তাদের পরিবার নিয়ে।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, এই চুক্তিটি নিশ্চিত করার আগে তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘চমৎকার’ আলোচনা করেছেন। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন দুই
৪ ঘণ্টা আগে
উদ্বেগের বিষয় হলো, যেহেতু দুই দেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, তাই ইরান তাদের মাইনের বিস্তারিত মানচিত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের জন্য একটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
গত সপ্তাহে প্রথম দফার আলোচনা শেষ হলেও মধ্যস্থতাকারী ও সহায়তাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা শেষ হয়ে যায়নি। বরং এই প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ইরান সফর করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে