
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ ইউক্রেন ইস্যুতে রেড লাইন বা বিপৎসীমা অতিক্রম না করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়া হতে পারে—এমন সম্ভাবনার আলোকে তিনি এই মন্তব্য করেছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভ বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক প্রতিরোধের (ডিটারেন্স) বোধ হারিয়ে ফেলছে, যা স্নায়ুযুদ্ধের পর থেকে মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যে নিরাপত্তার ভারসাম্য বজায় রেখেছিল, এটি বিপজ্জনক। সম্প্রতি রয়টার্স একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে বলা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে জেএএসএসএম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ পাওয়ার জন্য একটি চুক্তির কাছাকাছি। এসব ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়ার অনেক গভীরে হামলা চালাতে সক্ষম।
লাভরভ বলেন, ‘আমি এমনটা হলে কোনোভাবেই অবাক হব না। আমেরিকানরা এরই মধ্যে নিজেদের জন্য নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করেছে। তাদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে (মার্কিন প্রশাসনের তরফ থেকে) এবং জেলেনস্কি অবশ্যই এটি দেখেন এবং এর সদ্ব্যবহার করেন।’
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ সময় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘তবে তাদের (যুক্তরাষ্ট্রের) বোঝা উচিত, তারা এখানে আমাদের বিপৎসীমা নিয়ে রসিকতা করছে। আমাদের বিপৎসীমা নিয়ে তাদের রসিকতা করা উচিত নয়।’
তিনি বলেছেন, ‘(মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন) কারবি বলেছেন, ইউক্রেনের জন্য সমর্থন বাড়ানোর বিষয়টিকে সাবধানতার সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত, যাতে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধকে উসকে দেওয়া না হয়। কারণ সংঘাত বা যুদ্ধ ইউরোপে পৌঁছে যাওয়াটা দেখা হবে দুঃখজনক।
লাভরভ বলেন, তিনি আশা করেন ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের সম্ভাব্য পরিণতি উপলব্ধি করবে ওয়াশিংটন। তিনি বলেন, ‘আমি নিশ্চিত যে, সেখানে উল্লেখযোগ্য প্রভাবসম্পন্ন যুক্তিবোধসম্পন্ন লোক রয়েছে। এবং আমি আশা করি, মার্কিন স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২০২২ সালে রুশ সেনাবাহিনীকে ইউক্রেনে পাঠিয়ে আগ্রাসন শুরু করেন। তিনি এই যুদ্ধকে পশ্চিমের সঙ্গে পূর্বের ঐতিহাসিক সংগ্রামের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর রাশিয়াকে অপমান করা হয়েছে।
ইউক্রেন ও পশ্চিমারা বলছে, (যুদ্ধের নামে) পুতিন সাম্রাজ্যবাদী ধাঁচে ভূখণ্ড দখলে নিয়োজিত রয়েছেন। তারা রাশিয়াকে পরাজিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। যদিও বর্তমানে ক্রিমিয়াসহ ইউক্রেনের প্রায় ১৮ শতাংশ এবং পূর্ব ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলের কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে রাশিয়া।
রাশিয়া বলেছে, একসময় রুশ সাম্রাজ্যের অংশ থাকা এসব ভূখণ্ড এখন আবার রাশিয়ার অংশ হয়েছে এবং এগুলো আর কখনোই ফেরত দেওয়া হবে না।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ ইউক্রেন ইস্যুতে রেড লাইন বা বিপৎসীমা অতিক্রম না করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়া হতে পারে—এমন সম্ভাবনার আলোকে তিনি এই মন্তব্য করেছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভ বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক প্রতিরোধের (ডিটারেন্স) বোধ হারিয়ে ফেলছে, যা স্নায়ুযুদ্ধের পর থেকে মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যে নিরাপত্তার ভারসাম্য বজায় রেখেছিল, এটি বিপজ্জনক। সম্প্রতি রয়টার্স একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে বলা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে জেএএসএসএম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ পাওয়ার জন্য একটি চুক্তির কাছাকাছি। এসব ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়ার অনেক গভীরে হামলা চালাতে সক্ষম।
লাভরভ বলেন, ‘আমি এমনটা হলে কোনোভাবেই অবাক হব না। আমেরিকানরা এরই মধ্যে নিজেদের জন্য নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করেছে। তাদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে (মার্কিন প্রশাসনের তরফ থেকে) এবং জেলেনস্কি অবশ্যই এটি দেখেন এবং এর সদ্ব্যবহার করেন।’
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ সময় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘তবে তাদের (যুক্তরাষ্ট্রের) বোঝা উচিত, তারা এখানে আমাদের বিপৎসীমা নিয়ে রসিকতা করছে। আমাদের বিপৎসীমা নিয়ে তাদের রসিকতা করা উচিত নয়।’
তিনি বলেছেন, ‘(মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন) কারবি বলেছেন, ইউক্রেনের জন্য সমর্থন বাড়ানোর বিষয়টিকে সাবধানতার সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত, যাতে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধকে উসকে দেওয়া না হয়। কারণ সংঘাত বা যুদ্ধ ইউরোপে পৌঁছে যাওয়াটা দেখা হবে দুঃখজনক।
লাভরভ বলেন, তিনি আশা করেন ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের সম্ভাব্য পরিণতি উপলব্ধি করবে ওয়াশিংটন। তিনি বলেন, ‘আমি নিশ্চিত যে, সেখানে উল্লেখযোগ্য প্রভাবসম্পন্ন যুক্তিবোধসম্পন্ন লোক রয়েছে। এবং আমি আশা করি, মার্কিন স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২০২২ সালে রুশ সেনাবাহিনীকে ইউক্রেনে পাঠিয়ে আগ্রাসন শুরু করেন। তিনি এই যুদ্ধকে পশ্চিমের সঙ্গে পূর্বের ঐতিহাসিক সংগ্রামের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর রাশিয়াকে অপমান করা হয়েছে।
ইউক্রেন ও পশ্চিমারা বলছে, (যুদ্ধের নামে) পুতিন সাম্রাজ্যবাদী ধাঁচে ভূখণ্ড দখলে নিয়োজিত রয়েছেন। তারা রাশিয়াকে পরাজিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। যদিও বর্তমানে ক্রিমিয়াসহ ইউক্রেনের প্রায় ১৮ শতাংশ এবং পূর্ব ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলের কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে রাশিয়া।
রাশিয়া বলেছে, একসময় রুশ সাম্রাজ্যের অংশ থাকা এসব ভূখণ্ড এখন আবার রাশিয়ার অংশ হয়েছে এবং এগুলো আর কখনোই ফেরত দেওয়া হবে না।

প্রায় সিকি শতাব্দী ধরে রাশিয়ার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছেন ভ্লাদিমির পুতিন। বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী এই নেতার মুখ ও বক্তব্য অহরহ দেখা গেলেও তাঁর ব্যক্তিগত জীবন আজও রয়ে গেছে কঠোর গোপনীয়তার আড়ালে। রাষ্ট্রীয় প্রচারণা যন্ত্রের ছাঁকনি পেরিয়ে পুতিনের পারিবারিক জীবনের খুব কম তথ্যই জনসমক্ষ
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শয়তান’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ইরানি জাতি বরাবরের মতোই শত্রুদের হতাশ করবে।
১০ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মেয়র হিসেবে প্রথম দিনেই মামদানি তাঁর আসল চেহারা দেখিয়েছেন। তিনি ইহুদিবিদ্বেষের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা (আইএইচআরএ) বাতিল করেছেন এবং ইসরায়েল বয়কটের ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছেন। এটি নেতৃত্ব নয়, বরং এটি খোলা আগুনে ইহুদিবিদ্বেষী ঘি ঢালার সমান।
১১ ঘণ্টা আগে
গত মাসে এসটিসি এই অঞ্চলটি দখলের পর সৌদি জোটের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম সরাসরি প্রাণঘাতী হামলা। এর আগে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী হাজরামাউতের সামরিক স্থাপনাগুলো ‘শান্তিপূর্ণভাবে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু ওই ঘোষণা দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিমান হামলা শুরু হয়।
১২ ঘণ্টা আগে