
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের বিলাসবহুল গ্র্যান্ড হায়াত ইরাবান হোটেলে রহস্যজনকভাবে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে ছয়জনের লাশ। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন। তাঁরা সবাই ভিয়েতনামের নাগরিক। কারও কারও দ্বৈত নাগরিকত্বও আছে। প্রাথমিকভাবে তাঁদের মৃত্যুর কারণ জানা না গেলেও আজ বুধবার বিকেলে বিবিসি জানিয়েছে, নিহতদের রক্তে তীব্র বিষাক্ত বস্তু হিসেবে পরিচিত সায়ানাইডের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
বিবিসি জানায়, ময়নাতদন্তের পর নিহতদের রক্তে সায়ানাইড পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ময়নাতদন্ত বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সায়ানাইড ছাড়া ওই ছয় ব্যক্তির মৃত্যুর আর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার জন্য আবারও পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে তাঁরা জানিয়েছেন।
এর আগে ওই হোটেল কক্ষে নিহতদের ব্যবহৃত চায়ের কাপগুলোতে সায়ানাইডের উপস্থিতি শনাক্ত করেছিলেন তদন্তকারীরা। পুলিশ ধারণা করছে, নিহতদের মধ্যেই কোনো একজন চায়ের ওই কাপগুলোতে বিষ মিশিয়ে দিয়েছিলেন। ঋণের জের ধরেই তিনি এমন কাজ করেছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
চুলালংকর্ন ইউনিভার্সিটির ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক কর্নকিয়াট ভংপাইসারনসিন জানিয়েছেন, অক্সিজেনের অভাবে নিহতদের ঠোঁট এবং নখ ঘন বেগুনি হয়ে গিয়েছিল। পাশাপাশি তাঁদের শরীরের ভেতরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো রক্তক্ষরণে রঞ্জিত হয়ে যায়। এই লক্ষণগুলো সায়ানাইডে আক্রান্ত হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ।
চুলালংকর্ন ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি অব মেডিসিন ডক্টর চ্যাঞ্চাই সিত্তিপান্ত বলেছেন, মৃতদের শরীরে কী পরিমাণ সায়ানাইড প্রবেশ করেছিল তা এখনো পরীক্ষা করা হয়নি।
মঙ্গলবার দিনের শেষ ভাগে নিহতদের মৃত অবস্থায় তাঁদের জন্য নির্ধারিত কক্ষে আবিষ্কার করেন গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলের কর্মীরা। তদন্তকারীরা বলছেন, লাশ আবিষ্কারের অন্তত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা আগেই ওই ছয়জনের মৃত্যু হয়েছিল। ঘটনাটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
লাশ আবিষ্কারের পর থাই প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশকে এ ঘটনার পেছনের কারণ খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
মেট্রোপলিটন পুলিশপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল থিটি সিয়াংসোয়াং জানিয়েছিলেন, হোটেলের কক্ষ বুকিং দিয়েছিলেন ৭ জন। এর মধ্যে পাঁচজন ওই কক্ষে ছিলেন। বাকি একজনের নাম বুকিং করা ব্যক্তিদের তালিকায় ছিল না। সোমবারই তাঁদের হোটেল ছাড়ার কথা ছিল।
সোমবার স্থানীয় সময় বেলা ২টার আগে হোটেলের ওই কক্ষ থেকে কোমল পানীয়ের অর্ডার দেওয়া হয়। নিহতরা পানীয়তে মুখ দিলেও খাবারগুলো স্পর্শই করেননি। হোটেলের পঞ্চম তলার একটি কক্ষে তাঁরা মৃত অবস্থায় পড়েছিলেন। ছয়জনের মধ্যে শুধু একজনের দেহে ক্ষতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে এই ক্ষত পড়ে গিয়ে হতে পারে বলে ধারণা করেছিলেন তদন্তকারীরা।
পরিচয় গোপন রাখার শর্তে এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, গ্র্যান্ড হায়াত ইরাবান ব্যাংকক জনপ্রিয় একটি পর্যটন হোটেল। ভুক্তভোগীদের মধ্যে দু-একজন এর আগে থাইল্যান্ড ভ্রমণ করেছিলেন।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের বিলাসবহুল গ্র্যান্ড হায়াত ইরাবান হোটেলে রহস্যজনকভাবে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে ছয়জনের লাশ। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন। তাঁরা সবাই ভিয়েতনামের নাগরিক। কারও কারও দ্বৈত নাগরিকত্বও আছে। প্রাথমিকভাবে তাঁদের মৃত্যুর কারণ জানা না গেলেও আজ বুধবার বিকেলে বিবিসি জানিয়েছে, নিহতদের রক্তে তীব্র বিষাক্ত বস্তু হিসেবে পরিচিত সায়ানাইডের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
বিবিসি জানায়, ময়নাতদন্তের পর নিহতদের রক্তে সায়ানাইড পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ময়নাতদন্ত বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সায়ানাইড ছাড়া ওই ছয় ব্যক্তির মৃত্যুর আর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার জন্য আবারও পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে তাঁরা জানিয়েছেন।
এর আগে ওই হোটেল কক্ষে নিহতদের ব্যবহৃত চায়ের কাপগুলোতে সায়ানাইডের উপস্থিতি শনাক্ত করেছিলেন তদন্তকারীরা। পুলিশ ধারণা করছে, নিহতদের মধ্যেই কোনো একজন চায়ের ওই কাপগুলোতে বিষ মিশিয়ে দিয়েছিলেন। ঋণের জের ধরেই তিনি এমন কাজ করেছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
চুলালংকর্ন ইউনিভার্সিটির ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক কর্নকিয়াট ভংপাইসারনসিন জানিয়েছেন, অক্সিজেনের অভাবে নিহতদের ঠোঁট এবং নখ ঘন বেগুনি হয়ে গিয়েছিল। পাশাপাশি তাঁদের শরীরের ভেতরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো রক্তক্ষরণে রঞ্জিত হয়ে যায়। এই লক্ষণগুলো সায়ানাইডে আক্রান্ত হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ।
চুলালংকর্ন ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি অব মেডিসিন ডক্টর চ্যাঞ্চাই সিত্তিপান্ত বলেছেন, মৃতদের শরীরে কী পরিমাণ সায়ানাইড প্রবেশ করেছিল তা এখনো পরীক্ষা করা হয়নি।
মঙ্গলবার দিনের শেষ ভাগে নিহতদের মৃত অবস্থায় তাঁদের জন্য নির্ধারিত কক্ষে আবিষ্কার করেন গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলের কর্মীরা। তদন্তকারীরা বলছেন, লাশ আবিষ্কারের অন্তত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা আগেই ওই ছয়জনের মৃত্যু হয়েছিল। ঘটনাটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
লাশ আবিষ্কারের পর থাই প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশকে এ ঘটনার পেছনের কারণ খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
মেট্রোপলিটন পুলিশপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল থিটি সিয়াংসোয়াং জানিয়েছিলেন, হোটেলের কক্ষ বুকিং দিয়েছিলেন ৭ জন। এর মধ্যে পাঁচজন ওই কক্ষে ছিলেন। বাকি একজনের নাম বুকিং করা ব্যক্তিদের তালিকায় ছিল না। সোমবারই তাঁদের হোটেল ছাড়ার কথা ছিল।
সোমবার স্থানীয় সময় বেলা ২টার আগে হোটেলের ওই কক্ষ থেকে কোমল পানীয়ের অর্ডার দেওয়া হয়। নিহতরা পানীয়তে মুখ দিলেও খাবারগুলো স্পর্শই করেননি। হোটেলের পঞ্চম তলার একটি কক্ষে তাঁরা মৃত অবস্থায় পড়েছিলেন। ছয়জনের মধ্যে শুধু একজনের দেহে ক্ষতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে এই ক্ষত পড়ে গিয়ে হতে পারে বলে ধারণা করেছিলেন তদন্তকারীরা।
পরিচয় গোপন রাখার শর্তে এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, গ্র্যান্ড হায়াত ইরাবান ব্যাংকক জনপ্রিয় একটি পর্যটন হোটেল। ভুক্তভোগীদের মধ্যে দু-একজন এর আগে থাইল্যান্ড ভ্রমণ করেছিলেন।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে