আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মালয়েশিয়ার পূর্ব উপকূলীয় মহাসড়কে (ইস্ট কোস্ট হাইওয়ে) মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন তিন বাংলাদেশি নাগরিক। আহত হয়েছেন আরও দুজন। স্থানীয় গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় কুয়ানতান শহরের কাছে মহাসড়কের কিলোমিটার ২০০ দশমিক ৮ নম্বর পয়েন্ট পিলারের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম বারনামার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়ানতান জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ প্রধান সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ আদলি মাত দাউদ জানান, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে একটি বহুমুখী যান টয়োটা অ্যাভাঞ্জা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তা থেকে ছিটকে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যান। নিহতরা হলেন—গাড়িচালক মো. সাব্বির হাসান (৩০), যাত্রী মো. জাহিদ হাসান (২১) ও আবদুল্লাহ (২৪)। তাঁরা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গাড়িটি কুয়ানতান থেকে কুয়ালালামপুরের দিকে যাচ্ছিল। পথে চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারালে সেটি রাস্তার বাম পাশে ছিটকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। গাড়িতে থাকা বাকি দুই যাত্রী—মো. হাবিব বিশ্বাস (৪৫) ও মনিরাম চন্দ্র বসুকে (৪০) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কুয়ানতানের টেংকু আমপুয়ান আফজান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত চালকের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না। পাশাপাশি গাড়িটির রোড ট্যাক্স চলতি বছরের মে মাসে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। এসব বিষয় তদন্তে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ঘটনাটি মালয়েশিয়ার সড়ক পরিবহন আইনের ১৯৮৭ সালের ৪১ (১) ধারা অনুযায়ী তদন্ত করছে পুলিশ, যা বেপরোয়া ও অবহেলাজনিত গাড়ি চালানোর মাধ্যমে প্রাণহানির ঘটনার জন্য প্রযোজ্য।
পুলিশের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং নিহতদের মরদেহ স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মালয়েশিয়ার পূর্ব উপকূলীয় মহাসড়কে (ইস্ট কোস্ট হাইওয়ে) মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন তিন বাংলাদেশি নাগরিক। আহত হয়েছেন আরও দুজন। স্থানীয় গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় কুয়ানতান শহরের কাছে মহাসড়কের কিলোমিটার ২০০ দশমিক ৮ নম্বর পয়েন্ট পিলারের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম বারনামার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়ানতান জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ প্রধান সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ আদলি মাত দাউদ জানান, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে একটি বহুমুখী যান টয়োটা অ্যাভাঞ্জা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তা থেকে ছিটকে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যান। নিহতরা হলেন—গাড়িচালক মো. সাব্বির হাসান (৩০), যাত্রী মো. জাহিদ হাসান (২১) ও আবদুল্লাহ (২৪)। তাঁরা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গাড়িটি কুয়ানতান থেকে কুয়ালালামপুরের দিকে যাচ্ছিল। পথে চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারালে সেটি রাস্তার বাম পাশে ছিটকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। গাড়িতে থাকা বাকি দুই যাত্রী—মো. হাবিব বিশ্বাস (৪৫) ও মনিরাম চন্দ্র বসুকে (৪০) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কুয়ানতানের টেংকু আমপুয়ান আফজান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত চালকের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না। পাশাপাশি গাড়িটির রোড ট্যাক্স চলতি বছরের মে মাসে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। এসব বিষয় তদন্তে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ঘটনাটি মালয়েশিয়ার সড়ক পরিবহন আইনের ১৯৮৭ সালের ৪১ (১) ধারা অনুযায়ী তদন্ত করছে পুলিশ, যা বেপরোয়া ও অবহেলাজনিত গাড়ি চালানোর মাধ্যমে প্রাণহানির ঘটনার জন্য প্রযোজ্য।
পুলিশের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং নিহতদের মরদেহ স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
১ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে