
গত ২৯ ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার মুআন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় একটি উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়। এই দুর্ঘটনাটিকে দেশটির ইতিহাসে সংঘটিত সবচেয়ে ভয়াবহ ‘আকাশ দুর্ঘটনা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। এই দুর্ঘটনার ভয়াবহতার পর দেশের সব বিমানবন্দরে বার্ড ডিটেকশন (পাখি শনাক্তকরণ) ক্যামেরা ও রাডার স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে সিউল।
বর্তমানে দেশটির ইনচন, গিম্পো, গিমহে ও জেজু বিমানবন্দরে এই ধরনের ক্যামেরা রয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে সব বিমানবন্দরে এই সিস্টেম স্থাপনের পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ।
বেসামরিক বিমান পরিবহন উপমন্ত্রী জু জং-ওয়ান বলেন, বিমান দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে বিস্তৃত পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিমানবন্দরগুলোকে বিশেষ পরিদর্শন অভিযান চালানো হবে।
দক্ষিণ কোরিয়ার ভূমি মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সব বিমানবন্দরে অন্তত একটি করে থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যেসব স্থাপনা বিশেষভাবে পাখিদের আকৃষ্ট করে, সেগুলো নিয়ে সমীক্ষা চালানো হবে।
এ ছাড়া, মাঝারি ও বড় আকারের পাখিদের বিমানবন্দর থেকে দূরে রাখতে ‘মোবাইল সোনিক ডিভাইস’ অর্থাৎ পাখিদের তাড়ানোর প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সব বিমানবন্দরে পাখি শনাক্তকরণের জন্য রাডার বসানো হবে, যাতে দূরবর্তী পাখিদের আগেভাগে চিহ্নিত করা যায় এবং উড়োজাহাজের জন্য প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা উন্নত করা যায়। এই রাডারগুলো পাখির আকার ও তাদের গতিপথ শনাক্ত করবে। সেসব তথ্য এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের কাছে পাঠানো হবে। সে অনুযায়ী তারা পাইলটদের নির্দেশনা দেবেন।
জেজু এয়ারের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজটি ১৮১ জন আরোহী নিয়ে থাইল্যান্ড থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার মুআন শহরে যাচ্ছিল। মুআন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় আগুন ধরে বিস্ফোরিত হয়। পাইলট প্রথমবার অবতরণ করার চেষ্টা করার আগে পাখির সঙ্গে সংঘর্ষের সতর্কতা দিয়েছিলেন। দ্বিতীয়বার অবতরণের চেষ্টার সময় ল্যান্ডিং গিয়ার না খোলায় উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যম জানায়, জেজু এয়ার ফ্লাইটের উভয় ইঞ্জিনে পাখির পালক পাওয়া গেছে। যা উড়োজাহাজটির সঙ্গে পাখির ধাক্কায় দুর্ঘটনার বিষয়টির দিকে ইঙ্গিত করে।
পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তদন্ত আরও জটিল হয়ে উঠেছে। কারণ, বিধ্বস্ত ফ্লাইটের ব্ল্যাক বক্স দুর্ঘটনার চার মিনিট আগেই রেকর্ডিং বন্ধ করে দেয়।
এ কারণে এখনো দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছেন দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীরা।

গত ২৯ ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার মুআন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় একটি উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়। এই দুর্ঘটনাটিকে দেশটির ইতিহাসে সংঘটিত সবচেয়ে ভয়াবহ ‘আকাশ দুর্ঘটনা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। এই দুর্ঘটনার ভয়াবহতার পর দেশের সব বিমানবন্দরে বার্ড ডিটেকশন (পাখি শনাক্তকরণ) ক্যামেরা ও রাডার স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে সিউল।
বর্তমানে দেশটির ইনচন, গিম্পো, গিমহে ও জেজু বিমানবন্দরে এই ধরনের ক্যামেরা রয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে সব বিমানবন্দরে এই সিস্টেম স্থাপনের পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ।
বেসামরিক বিমান পরিবহন উপমন্ত্রী জু জং-ওয়ান বলেন, বিমান দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে বিস্তৃত পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিমানবন্দরগুলোকে বিশেষ পরিদর্শন অভিযান চালানো হবে।
দক্ষিণ কোরিয়ার ভূমি মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সব বিমানবন্দরে অন্তত একটি করে থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যেসব স্থাপনা বিশেষভাবে পাখিদের আকৃষ্ট করে, সেগুলো নিয়ে সমীক্ষা চালানো হবে।
এ ছাড়া, মাঝারি ও বড় আকারের পাখিদের বিমানবন্দর থেকে দূরে রাখতে ‘মোবাইল সোনিক ডিভাইস’ অর্থাৎ পাখিদের তাড়ানোর প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সব বিমানবন্দরে পাখি শনাক্তকরণের জন্য রাডার বসানো হবে, যাতে দূরবর্তী পাখিদের আগেভাগে চিহ্নিত করা যায় এবং উড়োজাহাজের জন্য প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা উন্নত করা যায়। এই রাডারগুলো পাখির আকার ও তাদের গতিপথ শনাক্ত করবে। সেসব তথ্য এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের কাছে পাঠানো হবে। সে অনুযায়ী তারা পাইলটদের নির্দেশনা দেবেন।
জেজু এয়ারের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজটি ১৮১ জন আরোহী নিয়ে থাইল্যান্ড থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার মুআন শহরে যাচ্ছিল। মুআন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় আগুন ধরে বিস্ফোরিত হয়। পাইলট প্রথমবার অবতরণ করার চেষ্টা করার আগে পাখির সঙ্গে সংঘর্ষের সতর্কতা দিয়েছিলেন। দ্বিতীয়বার অবতরণের চেষ্টার সময় ল্যান্ডিং গিয়ার না খোলায় উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যম জানায়, জেজু এয়ার ফ্লাইটের উভয় ইঞ্জিনে পাখির পালক পাওয়া গেছে। যা উড়োজাহাজটির সঙ্গে পাখির ধাক্কায় দুর্ঘটনার বিষয়টির দিকে ইঙ্গিত করে।
পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তদন্ত আরও জটিল হয়ে উঠেছে। কারণ, বিধ্বস্ত ফ্লাইটের ব্ল্যাক বক্স দুর্ঘটনার চার মিনিট আগেই রেকর্ডিং বন্ধ করে দেয়।
এ কারণে এখনো দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছেন দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীরা।

ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
১ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৪ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৫ ঘণ্টা আগে