
আবারও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির পূর্ব উপকূলের দিকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়েছে। গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়া তাদের ‘সবচেয়ে দ্রুতগতিসম্পন্ন’ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর ঘোষণা দিয়েছিল। দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী উত্তরের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের (জেসিএস) বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ের সুনান এলাকা থেকে স্থানীয় সময় ১২টা ৩ মিনিটের দিকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত করেছে। জাপানের কোস্টগার্ডও একই ধরনের কথা জানিয়ে বলেছে, উৎক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হতে পারে।
জেসিএস আরও জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি ৭৮০ কিলোমিটার উচ্চতায় উঠেছিল এবং সেটির পাল্লা ছিল ৪৭০ কিলোমিটার। ক্ষেপণাস্ত্রটির গতিবেগ ছিল মাক ১১। অর্থাৎ শব্দের বেগের চেয়ে ১১ গুণ বেশি গতিতে উড়েছিল ক্ষেপণাস্ত্রটি।
উত্তর কোরিয়ার এই পরীক্ষা চলতি বছরে ১৪তম ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। এই পরীক্ষাটি দক্ষিণ কোরিয়ার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট রক্ষণশীল ঘরানার ইউন সুক-ইওল দায়িত্ব গ্রহণের এক সপ্তাহের কম সময়ের মধ্যে চালানো হলো। এর আগে, পিয়ংইয়ং গত মাসে প্রথম আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইলের (আইসিবিএম) পরীক্ষা করেছে।
এদিকে, দক্ষিণ কোরিয়া পিয়ংইয়ংকে অবিলম্বে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। দেশটি জানিয়েছে, উত্তরের এমন পরীক্ষা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবগুলোর স্পষ্ট লঙ্ঘন। এই পরীক্ষা কোরীয় উপদ্বীপ ও এর আশপাশের অঞ্চলের শান্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার মতো একটি গুরুতর হুমকি বলে বিবেচনা করছে দেশটি।
এই পরীক্ষার প্রতিক্রিয়ায় সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জেসিএস বলেছে, ‘আমাদের সামরিক বাহিনী অতিরিক্ত উৎক্ষেপণের সম্ভাবনার বিরুদ্ধে প্রস্তুতির জন্য সংশ্লিষ্ট গতিবিধি ট্র্যাকিং এবং পর্যবেক্ষণ করছে এবং এটি একটি সম্পূর্ণ প্রস্তুতি বজায় রাখছে।’
এর আগে, গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন তাঁর দেশের পারমাণবিক অস্ত্রের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

আবারও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির পূর্ব উপকূলের দিকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়েছে। গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়া তাদের ‘সবচেয়ে দ্রুতগতিসম্পন্ন’ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর ঘোষণা দিয়েছিল। দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী উত্তরের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের (জেসিএস) বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ের সুনান এলাকা থেকে স্থানীয় সময় ১২টা ৩ মিনিটের দিকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত করেছে। জাপানের কোস্টগার্ডও একই ধরনের কথা জানিয়ে বলেছে, উৎক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হতে পারে।
জেসিএস আরও জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি ৭৮০ কিলোমিটার উচ্চতায় উঠেছিল এবং সেটির পাল্লা ছিল ৪৭০ কিলোমিটার। ক্ষেপণাস্ত্রটির গতিবেগ ছিল মাক ১১। অর্থাৎ শব্দের বেগের চেয়ে ১১ গুণ বেশি গতিতে উড়েছিল ক্ষেপণাস্ত্রটি।
উত্তর কোরিয়ার এই পরীক্ষা চলতি বছরে ১৪তম ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। এই পরীক্ষাটি দক্ষিণ কোরিয়ার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট রক্ষণশীল ঘরানার ইউন সুক-ইওল দায়িত্ব গ্রহণের এক সপ্তাহের কম সময়ের মধ্যে চালানো হলো। এর আগে, পিয়ংইয়ং গত মাসে প্রথম আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইলের (আইসিবিএম) পরীক্ষা করেছে।
এদিকে, দক্ষিণ কোরিয়া পিয়ংইয়ংকে অবিলম্বে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। দেশটি জানিয়েছে, উত্তরের এমন পরীক্ষা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবগুলোর স্পষ্ট লঙ্ঘন। এই পরীক্ষা কোরীয় উপদ্বীপ ও এর আশপাশের অঞ্চলের শান্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার মতো একটি গুরুতর হুমকি বলে বিবেচনা করছে দেশটি।
এই পরীক্ষার প্রতিক্রিয়ায় সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জেসিএস বলেছে, ‘আমাদের সামরিক বাহিনী অতিরিক্ত উৎক্ষেপণের সম্ভাবনার বিরুদ্ধে প্রস্তুতির জন্য সংশ্লিষ্ট গতিবিধি ট্র্যাকিং এবং পর্যবেক্ষণ করছে এবং এটি একটি সম্পূর্ণ প্রস্তুতি বজায় রাখছে।’
এর আগে, গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন তাঁর দেশের পারমাণবিক অস্ত্রের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
১ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে