
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস প্রদেশের রাজধানী জনবহুল শহর সিডনির একটি শপিং মলে ছুরি হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও অন্তত আটজন। আহতদের বেশির ভাগের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পরে ছুরিকাঘাতকারী ব্যক্তি পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সিডনি মর্নিং হেরাল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় আজ শনিবার বিকেল ৪টার কিছু আগে সিডনি শহরের ওয়েস্টফিল্ড এলাকার বন্ডি জংশন শপিং সেন্টারে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারী একজন পুরুষ এবং তাঁকে থামাতে পুলিশ গুলি করে। হামলার পর পুলিশ মলটির আশপাশের এলাকায় যান চলাচল সীমিত রেখেছে।
এ ব্যাপারে পুলিশ বলেছেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। এখন এ ব্যাপারে আর বেশি কিছু বলার সুযোগ নেই। তবে এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী দুই ব্যক্তি অস্ট্রেলীয় সংবাদমাধ্যম নাইন নিউজকে বলেন, ‘আমরা হঠাৎ দেখলাম এক ব্যক্তি তাড়াহুড়ো করে মলে ঢুকে এক নারীর দিকে দৌড়ে গেল। ওই নারীর সঙ্গে এক শিশুও ছিল। তারপরও ওই ব্যক্তি আবারও দৌড়ে সামনে এগিয়ে যায়।’
তাঁরা আরও বলেন, ‘আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ওই নারী ও শিশুর কাছে ছুটে গিয়ে দেখি তারা গুরুতর আহত হয়েছেন। নিজেদের শার্ট ছিঁড়ে তাদের রক্তপাত থামানোর প্রাথমিক চেষ্টা করেছিলাম।’ পরে জানা গেছে, আহত ওই নারী ও শিশু মারা যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, হামলাকারীর পরনে ছিল হুডি ও শর্টস। হামলাকারী উদ্ভ্রান্তের মতো শপিং মলে ছুটে বেড়িয়ে কয়েকজনকে ছুরিকাঘাত করে। ওই ব্যক্তি নির্দিষ্ট কাউকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে—এমনটা মনে হয়নি বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।
ঘটনার খবর পেয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে হামলাকারীকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। কিন্তু হামলাকারী সেই নির্দেশ না মানায় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে পুলিশ। স্থানীয় এক দোকানি সিডনি মর্নিং হেরাল্ডকে জানিয়েছেন, পুলিশের গুলিতে হামলাকারী নিহত হয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস প্রদেশের রাজধানী জনবহুল শহর সিডনির একটি শপিং মলে ছুরি হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও অন্তত আটজন। আহতদের বেশির ভাগের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পরে ছুরিকাঘাতকারী ব্যক্তি পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সিডনি মর্নিং হেরাল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় আজ শনিবার বিকেল ৪টার কিছু আগে সিডনি শহরের ওয়েস্টফিল্ড এলাকার বন্ডি জংশন শপিং সেন্টারে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারী একজন পুরুষ এবং তাঁকে থামাতে পুলিশ গুলি করে। হামলার পর পুলিশ মলটির আশপাশের এলাকায় যান চলাচল সীমিত রেখেছে।
এ ব্যাপারে পুলিশ বলেছেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। এখন এ ব্যাপারে আর বেশি কিছু বলার সুযোগ নেই। তবে এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী দুই ব্যক্তি অস্ট্রেলীয় সংবাদমাধ্যম নাইন নিউজকে বলেন, ‘আমরা হঠাৎ দেখলাম এক ব্যক্তি তাড়াহুড়ো করে মলে ঢুকে এক নারীর দিকে দৌড়ে গেল। ওই নারীর সঙ্গে এক শিশুও ছিল। তারপরও ওই ব্যক্তি আবারও দৌড়ে সামনে এগিয়ে যায়।’
তাঁরা আরও বলেন, ‘আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ওই নারী ও শিশুর কাছে ছুটে গিয়ে দেখি তারা গুরুতর আহত হয়েছেন। নিজেদের শার্ট ছিঁড়ে তাদের রক্তপাত থামানোর প্রাথমিক চেষ্টা করেছিলাম।’ পরে জানা গেছে, আহত ওই নারী ও শিশু মারা যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, হামলাকারীর পরনে ছিল হুডি ও শর্টস। হামলাকারী উদ্ভ্রান্তের মতো শপিং মলে ছুটে বেড়িয়ে কয়েকজনকে ছুরিকাঘাত করে। ওই ব্যক্তি নির্দিষ্ট কাউকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে—এমনটা মনে হয়নি বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।
ঘটনার খবর পেয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে হামলাকারীকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। কিন্তু হামলাকারী সেই নির্দেশ না মানায় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে পুলিশ। স্থানীয় এক দোকানি সিডনি মর্নিং হেরাল্ডকে জানিয়েছেন, পুলিশের গুলিতে হামলাকারী নিহত হয়েছেন।

ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৫ মিনিট আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৩৪ মিনিট আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে