
দেশে ফেরার পরপরই বিমানবন্দর থেকেই জেলে নেওয়া হয় থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রাকে। কিন্তু জেলে নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই মঙ্গলবার দিবাগত রাতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। কারা কর্তৃপক্ষ আজ বুধবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৭৪ বছর বয়সী থাকসিন সিনাওয়াত্রাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাঁর রক্তচাপ এবং হৃদ্রোগ সংক্রান্ত জটিলতা বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দীর্ঘ ১৫ বছর পর দেশে ফেরেন থাকসিন সিনাওয়াত্রা। কিন্তু খুব বেশিক্ষণ মুক্ত থাকার সৌভাগ্য হয়নি তাঁর। দেশটির সর্বোচ্চ আদালতের দেওয়া আট বছরের কারাদণ্ডাদেশ নিয়ে সরাসরি ব্যাংককের কারাগারে যেতে হয়েছে।
থাকসিন ব্যক্তিগত বিমানে ব্যাংককের ডন মুয়াং বিমানবন্দরে অবতরণ করার পরপরই সেখান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে নেওয়া হয় দেশটির সর্বোচ্চ আদালতে। সেখানে চারটি মামলার শুনানি শেষে আদালত তাঁকে আট বছরের কারাদণ্ড দেন। দণ্ডাদেশ শেষে তাঁকে নেওয়া হয় ব্যাংককের একটি কারাগারে।
তবে গ্রেপ্তারের আগে অল্প কিছু সময় তিনি তাঁর তিন সন্তানের সঙ্গে দেখা করেন এবং ভক্তদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন। বিমানবন্দরে তাঁকে বরণ করে নিতে বিমানবন্দরে হাজারো মানুষ সমবেত হয়েছিলেন। তাঁদের অধিকাংশই থাকসিনের মেয়ের নেতৃত্বাধীন ফেউ থাই পার্টির নেতা-কর্মী।
টেলিকম ব্যবসায়ের মাধ্যমে দেশটির শীর্ষ ধনকুবের বনে যান থাকসিন সিনাওয়াত্রা। ২০০১ সালে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তিনি। পরে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ২০০৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ক্ষমতাচ্যুত হন তিনি। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই তিনি দেশের বাইরে স্বেচ্ছা নির্বাসনে ছিলেন। অবশ্য মাঝে একবার ২০০৮ সালে তিনি থাইল্যান্ডে গিয়েছিলেন। এরই মধ্যে থাকসিনের অনুপস্থিতিতেই সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে চারটি মামলায় ১২ বছরের কারাদণ্ড দেন।

দেশে ফেরার পরপরই বিমানবন্দর থেকেই জেলে নেওয়া হয় থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রাকে। কিন্তু জেলে নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই মঙ্গলবার দিবাগত রাতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। কারা কর্তৃপক্ষ আজ বুধবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৭৪ বছর বয়সী থাকসিন সিনাওয়াত্রাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাঁর রক্তচাপ এবং হৃদ্রোগ সংক্রান্ত জটিলতা বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দীর্ঘ ১৫ বছর পর দেশে ফেরেন থাকসিন সিনাওয়াত্রা। কিন্তু খুব বেশিক্ষণ মুক্ত থাকার সৌভাগ্য হয়নি তাঁর। দেশটির সর্বোচ্চ আদালতের দেওয়া আট বছরের কারাদণ্ডাদেশ নিয়ে সরাসরি ব্যাংককের কারাগারে যেতে হয়েছে।
থাকসিন ব্যক্তিগত বিমানে ব্যাংককের ডন মুয়াং বিমানবন্দরে অবতরণ করার পরপরই সেখান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে নেওয়া হয় দেশটির সর্বোচ্চ আদালতে। সেখানে চারটি মামলার শুনানি শেষে আদালত তাঁকে আট বছরের কারাদণ্ড দেন। দণ্ডাদেশ শেষে তাঁকে নেওয়া হয় ব্যাংককের একটি কারাগারে।
তবে গ্রেপ্তারের আগে অল্প কিছু সময় তিনি তাঁর তিন সন্তানের সঙ্গে দেখা করেন এবং ভক্তদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন। বিমানবন্দরে তাঁকে বরণ করে নিতে বিমানবন্দরে হাজারো মানুষ সমবেত হয়েছিলেন। তাঁদের অধিকাংশই থাকসিনের মেয়ের নেতৃত্বাধীন ফেউ থাই পার্টির নেতা-কর্মী।
টেলিকম ব্যবসায়ের মাধ্যমে দেশটির শীর্ষ ধনকুবের বনে যান থাকসিন সিনাওয়াত্রা। ২০০১ সালে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তিনি। পরে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ২০০৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ক্ষমতাচ্যুত হন তিনি। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই তিনি দেশের বাইরে স্বেচ্ছা নির্বাসনে ছিলেন। অবশ্য মাঝে একবার ২০০৮ সালে তিনি থাইল্যান্ডে গিয়েছিলেন। এরই মধ্যে থাকসিনের অনুপস্থিতিতেই সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে চারটি মামলায় ১২ বছরের কারাদণ্ড দেন।

চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
২৩ মিনিট আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৪১ মিনিট আগে
চলতি মাসের শুরুতে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে মসজিদসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে চার পাতার একটি ফরম বিতরণ করা হয়। এর শিরোনাম ছিল—‘মসজিদের প্রোফাইলিং’। কিন্তু ভারত সরকারের এই উদ্যোগ কাশ্মীরের মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর মানুষের মধ্যে তৈরি করেছে একধরনের উদ্বেগ।
১ ঘণ্টা আগে
ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় এবার নজিরবিহীন বিতর্কের সৃষ্টি হলো। খোদ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র (নাতির ছেলে) চন্দ্র বসুকে নাগরিকত্বের প্রমাণ যাচাইয়ের জন্য ‘এসআইআর’ শুনানিতে তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। এই নোটিস পাওয়া মাত্রই তীব্র বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক এই বিজেপি নেতা।
৪ ঘণ্টা আগে