আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইন্দোনেশিয়ার বালিতে এক কেজি কোকেন পাচারের দায়ে মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি তিন ব্রিটিশ নাগরিক। ফায়ারিং স্কোয়াডে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হতে পারে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেট্রো।
মেট্রোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্তরা হলেন—জোনাথন ক্রিস্টোফার কোলিয়ার (২৮), লিসা এলেন স্টকার (২৯) ও ফিনিয়াস অ্যামব্রোস ফ্লোট (৩১)। বালির দেনপাসার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জোনাথন ক্রিস্টোফার ও লিসা এলেনের লাগেজে সন্দেহজনক বস্তু শনাক্ত হলে তৎক্ষণাৎ আটক করা হয়। প্রসিকিউটররা জানান, ক্রিস্টোফারের লাগেজ থেকে ১০টি অ্যাঞ্জেল ডিলাইট পাউডার এবং লিসার ব্যাগ থেকে কোকেন-সমৃদ্ধ ৭টি ডেজার্ট প্যাকেট ধরা পড়ে। সব মিলিয়ে তাঁদের কাছে ছিল মোট ৯৯৩ দশমিক ৫৬ গ্রাম কোকেন, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৬০০ কোটি ইন্দোনেশীয় রুপিয়াহ (প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার পাউন্ড)। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই মাদকের অর্থমূল্য সাড়ে ৪ কোটি টাকা।
এ ঘটনার দুই দিন পর একটি হোটেলের পার্কিং এলাকায় ছদ্মবেশী ডেলিভারির ফাঁদে ফেলে গ্রেপ্তার করা হয় ফিনিয়াস অ্যামব্রোস ফ্লোটকে। তাঁকে আলাদাভাবে বিচারের সম্মুখীন করা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে, তিনজনেরই মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। ইন্দোনেশিয়ায় মাদক চোরাচালানের দায়ে দোষী সাব্যস্তদের কখনো কখনো গুলি করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
প্রসিকিউটর আই মাদে দিপা উম্বারা বলেন, এই মাদক যুক্তরাজ্য থেকে ইন্দোনেশিয়ায় আনা হয়। কাতারের দোহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁদের ট্রানজিট ছিল। বালির পুলিশ মাদক ইউনিটের উপপরিচালক পনচো ইন্দ্রিয়ো আগে সাংবাদিকদের জানান, এই তিনজন এর আগেও দু’বার বালিতে মাদক পাচার করেছেন। গত দুবার নজর এড়িয়ে গেলেও এবার ধরা পড়েন তাঁরা।
এই তিনজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাঠের পর তিন সদস্যের বিচারক প্যানেল মামলার পরবর্তী শুনানি ১০ জুন পর্যন্ত মুলতবি রেখেছেন, ওই দিন সাক্ষীদের জবানবন্দি শোনা হবে। আসামি ও তাঁদের আইনজীবীরা গণমাধ্যমে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি।
ইন্দোনেশিয়ার অভিবাসন ও সংশোধন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, দেশটিতে বর্তমানে প্রায় ৫৩০ জন ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অবস্থায় রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৯৬ জন বিদেশি—এবং বেশির ভাগই মাদক-সম্পর্কিত অপরাধে দণ্ডিত। ইন্দোনেশিয়ায় সর্বশেষ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল ২০১৬ সালের জুলাইয়ে। ওই সময় একজন স্থানীয় ও তিনজন বিদেশিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
আরেক ব্রিটিশ নাগরিক, ৬৯ বছর বয়সী লিন্ডসে স্যান্ডিফোর্ড, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ইন্দোনেশিয়ায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অবস্থায় রয়েছেন। তিনিও মাদক পাচারের অভিযোগে ২০১২ সালে বালির বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার হন। তাঁর লাগেজ থেকে ৩ দশমিক ৮ কেজি কোকেন পাওয়া গিয়েছিল।
জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ দপ্তরের তথ্যমতে, ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান মাদক চোরাচালান কেন্দ্র। যদিও মাদক ইস্যুতে সবচেয়ে কড়া আইন আছে যে দেশগুলোতে তার মধ্যে ইন্দোনেশিয়া শুরুর দিকেই থাকবে।

ইন্দোনেশিয়ার বালিতে এক কেজি কোকেন পাচারের দায়ে মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি তিন ব্রিটিশ নাগরিক। ফায়ারিং স্কোয়াডে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হতে পারে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেট্রো।
মেট্রোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্তরা হলেন—জোনাথন ক্রিস্টোফার কোলিয়ার (২৮), লিসা এলেন স্টকার (২৯) ও ফিনিয়াস অ্যামব্রোস ফ্লোট (৩১)। বালির দেনপাসার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জোনাথন ক্রিস্টোফার ও লিসা এলেনের লাগেজে সন্দেহজনক বস্তু শনাক্ত হলে তৎক্ষণাৎ আটক করা হয়। প্রসিকিউটররা জানান, ক্রিস্টোফারের লাগেজ থেকে ১০টি অ্যাঞ্জেল ডিলাইট পাউডার এবং লিসার ব্যাগ থেকে কোকেন-সমৃদ্ধ ৭টি ডেজার্ট প্যাকেট ধরা পড়ে। সব মিলিয়ে তাঁদের কাছে ছিল মোট ৯৯৩ দশমিক ৫৬ গ্রাম কোকেন, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৬০০ কোটি ইন্দোনেশীয় রুপিয়াহ (প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার পাউন্ড)। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই মাদকের অর্থমূল্য সাড়ে ৪ কোটি টাকা।
এ ঘটনার দুই দিন পর একটি হোটেলের পার্কিং এলাকায় ছদ্মবেশী ডেলিভারির ফাঁদে ফেলে গ্রেপ্তার করা হয় ফিনিয়াস অ্যামব্রোস ফ্লোটকে। তাঁকে আলাদাভাবে বিচারের সম্মুখীন করা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে, তিনজনেরই মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। ইন্দোনেশিয়ায় মাদক চোরাচালানের দায়ে দোষী সাব্যস্তদের কখনো কখনো গুলি করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
প্রসিকিউটর আই মাদে দিপা উম্বারা বলেন, এই মাদক যুক্তরাজ্য থেকে ইন্দোনেশিয়ায় আনা হয়। কাতারের দোহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁদের ট্রানজিট ছিল। বালির পুলিশ মাদক ইউনিটের উপপরিচালক পনচো ইন্দ্রিয়ো আগে সাংবাদিকদের জানান, এই তিনজন এর আগেও দু’বার বালিতে মাদক পাচার করেছেন। গত দুবার নজর এড়িয়ে গেলেও এবার ধরা পড়েন তাঁরা।
এই তিনজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাঠের পর তিন সদস্যের বিচারক প্যানেল মামলার পরবর্তী শুনানি ১০ জুন পর্যন্ত মুলতবি রেখেছেন, ওই দিন সাক্ষীদের জবানবন্দি শোনা হবে। আসামি ও তাঁদের আইনজীবীরা গণমাধ্যমে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি।
ইন্দোনেশিয়ার অভিবাসন ও সংশোধন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, দেশটিতে বর্তমানে প্রায় ৫৩০ জন ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অবস্থায় রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৯৬ জন বিদেশি—এবং বেশির ভাগই মাদক-সম্পর্কিত অপরাধে দণ্ডিত। ইন্দোনেশিয়ায় সর্বশেষ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল ২০১৬ সালের জুলাইয়ে। ওই সময় একজন স্থানীয় ও তিনজন বিদেশিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
আরেক ব্রিটিশ নাগরিক, ৬৯ বছর বয়সী লিন্ডসে স্যান্ডিফোর্ড, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ইন্দোনেশিয়ায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অবস্থায় রয়েছেন। তিনিও মাদক পাচারের অভিযোগে ২০১২ সালে বালির বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার হন। তাঁর লাগেজ থেকে ৩ দশমিক ৮ কেজি কোকেন পাওয়া গিয়েছিল।
জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ দপ্তরের তথ্যমতে, ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান মাদক চোরাচালান কেন্দ্র। যদিও মাদক ইস্যুতে সবচেয়ে কড়া আইন আছে যে দেশগুলোতে তার মধ্যে ইন্দোনেশিয়া শুরুর দিকেই থাকবে।

সুইজারল্যান্ডের একটি অভিজাত স্কি রিসোর্টে নতুন বছর উদ্যাপনের আনন্দ মুহূর্তেই ভয়াবহ ট্র্যাজেডিতে রূপ নিয়েছে। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ক্রাঁস-মঁতানা স্কি রিসোর্টে নববর্ষের রাতে একটি জনাকীর্ণ বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৪০ জন মানুষ নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ১১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়...
৩ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই নিজেকে ‘শান্তির প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বাস্তবতা ভিন্ন ছবি দেখাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, সদ্য শেষ হওয়া বছরটিতে যুক্তরাষ্ট্র অন্তত সাতটি দেশে সামরিক..
৪ ঘণ্টা আগে
গত দুই দিনে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে তিনটি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার রাতে কুহদাশত শহরে দাঙ্গাকারীদের হামলায় ২১ বছর বয়সী আমির হোসাম খোদায়ারি ফার্দ নামের এক বাসিজ সদস্য (আধা সামরিক বাহিনী) নিহত হন। এ ঘটনায় আরও ১৩ পুলিশ ও বাসিজ সদস্য আহত হয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবার নিয়ম অনুযায়ী, মার্কিন নাগরিকের স্বামী বা স্ত্রী ‘ইমিডিয়েট রিলেটিভ’ বা নিকটাত্মীয় ক্যাটাগরিতে পড়েন এবং তাঁরা গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদনের যোগ্য। তবে ৩০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অভিবাসন আইনজীবী ব্র্যাড বার্নস্টাইন সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, বর্তমান ট্রাম্প প্রশাস
৫ ঘণ্টা আগে