
ঘনিয়ে এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। নির্বাচন যখন আর মাত্র ১০ দিন দূরে, তখন ফোর্বস জানিয়েছে—নতুন দুটি জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে আছেন কমলা হ্যারিস। তবে অধিকাংশ জরিপেই এই দুজনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস পাওয়া গেছে।
গত রোববার এবিসি নিউজ ও ইপসোসের একটি যৌথ জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্পের চেয়ে চার পয়েন্টে এগিয়ে আছেন কমলা। জরিপটিতে কমলার পক্ষে ৫১ শতাংশ সমর্থন দেখা গেছে। বিপরীতে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন ছিল ৪৭ শতাংশ। চলতি মাসের শুরুর দিকের তুলনায় কমলার সমর্থন কিছুটা বেড়েছে। এই জরিপে মার্জিন ত্রুটি ছিল ২.৫ শতাংশ।
সিবিএস নিউজ ও ইউগভের যৌথ জরিপেও ট্রাম্পের তুলনায় ১ পয়েন্টে এগিয়ে আছেন কমলা। জরিপটিতে কমলার প্রতি সমর্থন ৫০ শতাংশ আর ট্রাম্পের প্রতি ৪৯ শতাংশ সমর্থন দেখা গেছে। এই জরিপের মার্জিন ত্রুটি ছিল ২.৬ শতাংশ।
এদিকে গত শনিবার প্রকাশিত ইমারসন কলেজের আরেক জরিপে দেখা গেছে, কমলা এবং ট্রাম্প দুজনেরই সমান ৪৯ শতাংশ সমর্থন রয়েছে।
গত শুক্রবার প্রকাশিত টাইমস ও সিয়েনার জরিপে সম্ভাব্য ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্প এবং হ্যারিস সমান ৪৮ শতাংশ সমর্থন উপভোগ করছিলেন। তবে এই ফলাফলগুলো হ্যারিসের জন্য উৎসাহজনক নয়। কারণ অতীতে এমনও দেখা গেছে ডেমোক্র্যাটরা নির্বাচনে জনপ্রিয় ভোটে জিতলেও হোয়াইট হাউস দখলে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। আরেকটি বিষয় হলো—টাইমসের জরিপটিতে পূর্বের তুলনায় কমলার সমর্থন বাড়েনি বরং কমেছে। কিছুদিন আগেই এই জরিপটিতে ট্রাম্পের চেয়ে ৪৯-৪৬ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন তিনি।
গত শক্রবার প্রকাশিত সিএনএন ও এসএসআরএস জরিপে হ্যারিসের সমর্থন কমার প্রবণতা দেখা গেছে। জরিপটির সর্বশেষ অবস্থান অনুযায়ী, দুই প্রার্থীই সমান ৪৭ শতাংশ সমর্থন উপভোগ করছেন। যদিও গত মাসে (সেপ্টেম্বর) এই জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে এক পয়েন্টে (৪৮-৪৭) এগিয়ে ছিলেন কমলা। তবে একই জরিপে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পরপরই ট্রাম্প কমলার চেয়ে ৩ পয়েন্ট (৪৯-৪৬) ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন। সেই হিসেবে এই জরিপে ট্রাম্পের সমর্থনে বড় পতন দেখা গেছে।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত নিবন্ধিত ভোটারদের নিয়ে সিএনবিসির জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্প ২ পয়েন্টে (৪৮-৪৬) এগিয়ে আছেন কমলার চেয়ে।

ঘনিয়ে এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। নির্বাচন যখন আর মাত্র ১০ দিন দূরে, তখন ফোর্বস জানিয়েছে—নতুন দুটি জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে আছেন কমলা হ্যারিস। তবে অধিকাংশ জরিপেই এই দুজনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস পাওয়া গেছে।
গত রোববার এবিসি নিউজ ও ইপসোসের একটি যৌথ জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্পের চেয়ে চার পয়েন্টে এগিয়ে আছেন কমলা। জরিপটিতে কমলার পক্ষে ৫১ শতাংশ সমর্থন দেখা গেছে। বিপরীতে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন ছিল ৪৭ শতাংশ। চলতি মাসের শুরুর দিকের তুলনায় কমলার সমর্থন কিছুটা বেড়েছে। এই জরিপে মার্জিন ত্রুটি ছিল ২.৫ শতাংশ।
সিবিএস নিউজ ও ইউগভের যৌথ জরিপেও ট্রাম্পের তুলনায় ১ পয়েন্টে এগিয়ে আছেন কমলা। জরিপটিতে কমলার প্রতি সমর্থন ৫০ শতাংশ আর ট্রাম্পের প্রতি ৪৯ শতাংশ সমর্থন দেখা গেছে। এই জরিপের মার্জিন ত্রুটি ছিল ২.৬ শতাংশ।
এদিকে গত শনিবার প্রকাশিত ইমারসন কলেজের আরেক জরিপে দেখা গেছে, কমলা এবং ট্রাম্প দুজনেরই সমান ৪৯ শতাংশ সমর্থন রয়েছে।
গত শুক্রবার প্রকাশিত টাইমস ও সিয়েনার জরিপে সম্ভাব্য ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্প এবং হ্যারিস সমান ৪৮ শতাংশ সমর্থন উপভোগ করছিলেন। তবে এই ফলাফলগুলো হ্যারিসের জন্য উৎসাহজনক নয়। কারণ অতীতে এমনও দেখা গেছে ডেমোক্র্যাটরা নির্বাচনে জনপ্রিয় ভোটে জিতলেও হোয়াইট হাউস দখলে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। আরেকটি বিষয় হলো—টাইমসের জরিপটিতে পূর্বের তুলনায় কমলার সমর্থন বাড়েনি বরং কমেছে। কিছুদিন আগেই এই জরিপটিতে ট্রাম্পের চেয়ে ৪৯-৪৬ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন তিনি।
গত শক্রবার প্রকাশিত সিএনএন ও এসএসআরএস জরিপে হ্যারিসের সমর্থন কমার প্রবণতা দেখা গেছে। জরিপটির সর্বশেষ অবস্থান অনুযায়ী, দুই প্রার্থীই সমান ৪৭ শতাংশ সমর্থন উপভোগ করছেন। যদিও গত মাসে (সেপ্টেম্বর) এই জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে এক পয়েন্টে (৪৮-৪৭) এগিয়ে ছিলেন কমলা। তবে একই জরিপে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পরপরই ট্রাম্প কমলার চেয়ে ৩ পয়েন্ট (৪৯-৪৬) ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন। সেই হিসেবে এই জরিপে ট্রাম্পের সমর্থনে বড় পতন দেখা গেছে।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত নিবন্ধিত ভোটারদের নিয়ে সিএনবিসির জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্প ২ পয়েন্টে (৪৮-৪৬) এগিয়ে আছেন কমলার চেয়ে।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
২ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে