
ইতালি দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কারাগারে বন্দীদের জন্য একটি ‘সেক্স রুম’ চালু করেছে। যেখানে বন্দীরা তাঁদের সঙ্গীর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ করতে পারবেন।
এই কক্ষ মূলত সেই বন্দীদের জন্য নির্ধারিত, যাঁরা কারাগারে আসা তাঁদের সঙ্গীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ সময় কাটাতে চান। এর মাধ্যমে বন্দীদের ‘ঘনিষ্ঠ সাক্ষাতের’ অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে।
একসময় কারাগারগুলোতে এ ধরনের ‘দাম্পত্য সাক্ষাৎ’ (conjugal visits) বেশ প্রচলিত ছিল। তবে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ এবং বাজেট সীমাবদ্ধতার কারণে ধীরে ধীরে তা বন্ধ হয়ে যায়। আধুনিক কারাগারগুলোতে সাধারণত পারিবারিক সাক্ষাৎকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, যৌন বা ঘনিষ্ঠ সাক্ষাৎকে নয়।
তবে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এখনো দাম্পত্য সাক্ষাৎ চালু রয়েছে। এর মধ্যে ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস এবং সর্বশেষ ইতালিও রয়েছে।
ইতালিতে এই নতুন ‘সেক্স রুম’-এর প্রথম পরীক্ষামূলক ব্যবহার করা হয় গতকাল শুক্রবার। ওই দিন এক বন্দীকে তাঁর কারাগারে আসা সঙ্গীর সঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এই কক্ষে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়।
ইতালির উমব্রিয়া অঞ্চলের বন্দী অধিকারবিষয়ক ওমবাডসম্যান জিউসেপ্পে কাফোরিও ইতালির সংবাদ সংস্থা আনসাকে (ANSA) বলেন, ‘আমরা বলতে পারি, একধরনের পরীক্ষা সফল হয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও এমন সাক্ষাৎ হবে। আমরা খুশি; কারণ, সবকিছুই নির্বিঘ্নে হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুরক্ষার জন্য সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রাখা জরুরি।’
এই কক্ষ হয়তো শ্যাম্পেন আর গোলাপের পাপড়ি ছড়ানো কোনো হোটেল রুমের মতো রোমান্টিক নয়, তবে এতে একটি বিছানা ও একটি টয়লেট রয়েছে; যা অনেকের মতে ছাত্রাবাসের কক্ষের চেয়ে ভালো। (হাতকড়া দেওয়া হয় কি না, সে বিষয়ে অবশ্য কিছু জানা যায়নি!)
অনুমোদনপ্রাপ্ত বন্দীরা সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টা পর্যন্ত এই কক্ষ ব্যবহার করতে পারবেন। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে দরজায় তালা দেওয়া যাবে না, যেন প্রয়োজনে কারারক্ষীরা প্রবেশ করতে পারেন।
ধারণা করা হচ্ছে, শুধু বিবাহিত বা দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে থাকা বন্দীরাই এই সুবিধা পাবেন, তা-ও আগেভাগে যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হলে। তবে এই ‘সুবিধা’ পাওয়ার জন্য ঠিক কী কী শর্ত পূরণ করতে হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

নেপালের রাজনীতিতে রীতিমতো বড় ভূমিকম্প ঘটে গেছে। গত বছরের জেন-জি বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার, দমন-পীড়ন ও অপরাধমূলক অবহেলার অভিযোগে দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
৬ মিনিট আগে
জাতীয় নির্বাচনের পরপরই নেপালের রাজনীতিতে বড় ধরনের ঘটনা ঘটল। গত বছরের জেন-জি বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রাণঘাতী দমনপীড়ন চালানোর অভিযোগে দেশটির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
জেন-জি বিপ্লবের হাত ধরে নেপালের নতুন সরকার গঠনের পরদিনই গেপ্তার হলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি। গত বছর বিক্ষোভ দমনে প্রাণঘাতী অভিযানের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিক্ষোভের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
এটি ইরানের জন্য রাশিয়ার পাঠানো চিকিৎসা সহায়তার দ্বিতীয় চালান। রেলপথে এই সহায়তা ইরানের সীমান্ত সংলগ্ন আজারবাইজানের শহর আস্তারায় পৌঁছানো হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর রুশ কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ইরান সরকারের অনুমোদিত প্রতিনিধিদের কাছে এসব সামগ্রী হস্তান্তর করেন।
১০ ঘণ্টা আগে