আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের পরিচয় হয়েছিল যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের মাধ্যমে—সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন দাবি করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন। আর তাতে বেজায় চটেছেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। হান্টার বাইডেনের এই দাবিকে মিথ্যা, মানহানিকর, আপত্তিজনক ও উসকানিমূলক বলে অভিহিত করে হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি ডলারের ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করবেন বলে হুমকি দিয়েছেন তিনি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুতে এক সাক্ষাৎকারে জেফ্রি এপস্টেইনের মতো যৌন অপরাধীর সঙ্গে ট্রাম্পের একসময়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কড়া সমালোচনা করেন হান্টার বাইডেন। সেখানে তিনি বলেন, ট্রাম্প ও মেলানিয়ার সাক্ষাৎ হয়েছিল এপস্টেইনের মাধ্যমে। এ থেকেই বোঝা যায়, এপস্টেইনের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক কত গভীর ও বিস্তৃত ছিল।
এ বক্তব্যের জন্য হান্টার বাইডেনকে একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন মেলানিয়া ট্রাম্প। আইনি নোটিশে আরও বলা হয়েছে, হান্টার বাইডেনের এই বক্তব্য ফার্স্ট লেডির ভাবমূর্তির অবক্ষয় ও আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়েছে। অবিলম্বে বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণের মামলা করা হবে।
মেলানিয়া ট্রাম্পের অভিযোগ—অন্যের নাম ব্যবহার করে আলোচনায় থাকার চেষ্টা হান্টার বাইডেনের বহু পুরোনো অভ্যাস। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ট্রাম্পের সমালোচনামূলক এক জীবনীগ্রন্থের ওপর ভিত্তি করে এ মন্তব্য করেছেন হান্টার বাইডেন। মাইকেল ওলফ নামের এক সাংবাদিক বইটি লিখেছিলেন। সেখানেও এমন দাবি করা হয়েছে যে ট্রাম্প ও মেলানিয়ার পরিচয় হয় জেফ্রি এপস্টেইনের মাধ্যমে।
সম্প্রতি মার্কিন গণমাধ্যম দ্য ডেইলি বিস্ট মেলানিয়ার পরিচিতি প্রসঙ্গে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে বলা হয়, ট্রাম্পের সঙ্গে যখন পরিচয় হয়, তখন মেলানিয়া ট্রাম্প এপস্টেইনের এক সহযোগীর পরিচিত ছিলেন। তবে মেলানিয়ার আইনজীবীর আপত্তির পর সংস্থাটি প্রতিবেদন প্রত্যাহার করে এবং ক্ষমা চায়। কারণ, এপস্টেইন যে সরাসরি তাঁদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন এমন কোনো প্রমাণ নেই।
আইনি নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে, হান্টার বাইডেন ইতিমধ্যে প্রত্যাহার করা একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মিথ্যা দাবি করেছেন।
বিবিসি নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে মেলানিয়ার সহকারী নিক ক্লেমেন্স বলেন, ‘ফার্স্ট লেডির আইনজীবীরা যাঁরা ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন, তাঁদের কাছ থেকে অবিলম্বে বক্তব্য প্রত্যাহার ও ক্ষমা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন।’
হার্পারস বাজারে ২০১৬ সালে প্রকাশিত এক প্রোফাইলে মেলানিয়া জানান, ১৯৯৮ সালের নভেম্বরে একটি মডেলিং এজেন্সির প্রতিষ্ঠাতার আয়োজিত পার্টিতে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর প্রথম দেখা হয়। সে সময় ট্রাম্প তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী মারলা ম্যাপলসের সঙ্গে আলাদা ছিলেন, যার সঙ্গে ১৯৯৯ সালে বিচ্ছেদ হয়ে যায় ট্রাম্পের।
এই আইনি নোটিশ এমন সময়ে এসেছে, যখন এপস্টেইন-সংশ্লিষ্ট অপ্রকাশিত নথি প্রকাশের দাবিতে হোয়াইট হাউসের ওপর চাপ বাড়ছে। নির্বাচনের আগে ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ক্ষমতায় ফিরে তিনি নথিগুলো প্রকাশ করবেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের পরিচয় হয়েছিল যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের মাধ্যমে—সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন দাবি করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন। আর তাতে বেজায় চটেছেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। হান্টার বাইডেনের এই দাবিকে মিথ্যা, মানহানিকর, আপত্তিজনক ও উসকানিমূলক বলে অভিহিত করে হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি ডলারের ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করবেন বলে হুমকি দিয়েছেন তিনি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুতে এক সাক্ষাৎকারে জেফ্রি এপস্টেইনের মতো যৌন অপরাধীর সঙ্গে ট্রাম্পের একসময়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কড়া সমালোচনা করেন হান্টার বাইডেন। সেখানে তিনি বলেন, ট্রাম্প ও মেলানিয়ার সাক্ষাৎ হয়েছিল এপস্টেইনের মাধ্যমে। এ থেকেই বোঝা যায়, এপস্টেইনের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক কত গভীর ও বিস্তৃত ছিল।
এ বক্তব্যের জন্য হান্টার বাইডেনকে একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন মেলানিয়া ট্রাম্প। আইনি নোটিশে আরও বলা হয়েছে, হান্টার বাইডেনের এই বক্তব্য ফার্স্ট লেডির ভাবমূর্তির অবক্ষয় ও আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়েছে। অবিলম্বে বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণের মামলা করা হবে।
মেলানিয়া ট্রাম্পের অভিযোগ—অন্যের নাম ব্যবহার করে আলোচনায় থাকার চেষ্টা হান্টার বাইডেনের বহু পুরোনো অভ্যাস। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ট্রাম্পের সমালোচনামূলক এক জীবনীগ্রন্থের ওপর ভিত্তি করে এ মন্তব্য করেছেন হান্টার বাইডেন। মাইকেল ওলফ নামের এক সাংবাদিক বইটি লিখেছিলেন। সেখানেও এমন দাবি করা হয়েছে যে ট্রাম্প ও মেলানিয়ার পরিচয় হয় জেফ্রি এপস্টেইনের মাধ্যমে।
সম্প্রতি মার্কিন গণমাধ্যম দ্য ডেইলি বিস্ট মেলানিয়ার পরিচিতি প্রসঙ্গে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে বলা হয়, ট্রাম্পের সঙ্গে যখন পরিচয় হয়, তখন মেলানিয়া ট্রাম্প এপস্টেইনের এক সহযোগীর পরিচিত ছিলেন। তবে মেলানিয়ার আইনজীবীর আপত্তির পর সংস্থাটি প্রতিবেদন প্রত্যাহার করে এবং ক্ষমা চায়। কারণ, এপস্টেইন যে সরাসরি তাঁদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন এমন কোনো প্রমাণ নেই।
আইনি নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে, হান্টার বাইডেন ইতিমধ্যে প্রত্যাহার করা একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মিথ্যা দাবি করেছেন।
বিবিসি নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে মেলানিয়ার সহকারী নিক ক্লেমেন্স বলেন, ‘ফার্স্ট লেডির আইনজীবীরা যাঁরা ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন, তাঁদের কাছ থেকে অবিলম্বে বক্তব্য প্রত্যাহার ও ক্ষমা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন।’
হার্পারস বাজারে ২০১৬ সালে প্রকাশিত এক প্রোফাইলে মেলানিয়া জানান, ১৯৯৮ সালের নভেম্বরে একটি মডেলিং এজেন্সির প্রতিষ্ঠাতার আয়োজিত পার্টিতে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর প্রথম দেখা হয়। সে সময় ট্রাম্প তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী মারলা ম্যাপলসের সঙ্গে আলাদা ছিলেন, যার সঙ্গে ১৯৯৯ সালে বিচ্ছেদ হয়ে যায় ট্রাম্পের।
এই আইনি নোটিশ এমন সময়ে এসেছে, যখন এপস্টেইন-সংশ্লিষ্ট অপ্রকাশিত নথি প্রকাশের দাবিতে হোয়াইট হাউসের ওপর চাপ বাড়ছে। নির্বাচনের আগে ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ক্ষমতায় ফিরে তিনি নথিগুলো প্রকাশ করবেন।

চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
২ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি মাসের শুরুতে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে মসজিদসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে চার পাতার একটি ফরম বিতরণ করা হয়। এর শিরোনাম ছিল—‘মসজিদের প্রোফাইলিং’। কিন্তু ভারত সরকারের এই উদ্যোগ কাশ্মীরের মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর মানুষের মধ্যে তৈরি করেছে একধরনের উদ্বেগ।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় এবার নজিরবিহীন বিতর্কের সৃষ্টি হলো। খোদ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র (নাতির ছেলে) চন্দ্র বসুকে নাগরিকত্বের প্রমাণ যাচাইয়ের জন্য ‘এসআইআর’ শুনানিতে তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। এই নোটিস পাওয়া মাত্রই তীব্র বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক এই বিজেপি নেতা।
৬ ঘণ্টা আগে