আজকের পত্রিকা ডেস্ক

নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি থাকেন কুইন্সের অ্যাস্টোরিয়ায় একটি সাধারণ ভাড়া অ্যাপার্টমেন্ট। মাসে ২ হাজার ৩০০ ডলার ভাড়ার এক বেডরুমের একটি ফ্ল্যাটে থাকেন তিনি। সিঙ্ক ফুটা হয়ে পানি চুঁইয়ে পড়ছিল, তাইলে তোয়ালে দিয়ে মেঝে ঢাকতে হয়েছিল তাঁকে। দৈনন্দিন এমন গৃহস্থালী সমস্যা এবং ‘এক বেডরুম এখনকার জন্য একটু বেশিই ছোট’–সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে জোহরান এই হতাশা প্রকাশ করেছেন।
তবে এই ধরনের সাধারণ সমস্যাগুলো আর বেশিদিন তাঁকে সামলাতে হবে না। কারণ, নিউইয়র্ক সিটির সরকারি বাসভবন গ্রেসি ম্যানশনের বাসিন্দা হবেন শিগগিরই।
জোহরান মামদানির বর্তমান অ্যাপার্টমেন্টটি বড়জোর ৮০০ বর্গফুট হতে পারে। সেখানে রয়েছে হিটিং ও গরম পানির ব্যবস্থা, রান্নাঘরে একটি জানালা, দুটি ক্লোজেট—এমন সাধারণ কিছু আসবাবপত্র।
অন্যদিকে, গ্রেসি ম্যানশন হলো ২২৬ বছরের পুরোনো, ১১ হাজার বর্গফুটের একটি প্রাসাদ। আপার ইস্ট সাইডে ইস্ট নদীর তীরে কার্ল শুরজ পার্কে অবস্থিত এই ভবন। ঝাড়বাতির আলোয় উজ্জ্বল আয়না, চকচকে মেহগনি কাঠের দরজা, বিশাল লনে রয়েছে আপেল ও ডুমুর গাছ এবং সবজি বাগান। বাগানে অবশ্য মাঝেমধ্যেই খরগোশেরা বেশ উপদ্রব করে। এমন এক রাজকীয় আবহ রয়েছে সেখানে।
গ্রেসি ম্যানশনকে একবার নিউইয়র্ক টাইমসের একজন রিপোর্টার ‘ফ্যাকাশে লেমন কেকের মতো বাড়ি’ বলে বর্ণনা করেছিলেন। এটি কেবল বাসস্থান নয়, এটি কঠোর নিরাপত্তা এবং বিলাসবহুল আয়োজনের এক অভিজাত কেন্দ্র।

বাসভবনের নিচতলাটি অত্যন্ত জমকালো ‘ফেডারেল’ স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত। এই স্থাপত্য নকশায় মেয়রের ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। এখানে একটি গ্র্যান্ড ফায়ারপ্লেস-সহ বিনোদন কক্ষ এবং প্যারিসের বাগানচিত্রযুক্ত ওয়ালপেপার দিয়ে মোড়ানো একটি ডাইনিং রুম রয়েছে।
মেয়রদের জন্য এখানে রয়েছে পূর্ণ-সময়ের শেফ, যিনি তাঁর জন্য খাবার প্রস্তুত করেন। করিডোরের ওপারে রয়েছে বিশাল বলরুম। ১৯৬৬ সালে এটি উদ্বোধন করা হয়।

মূল ভবনে ওপর তলায় রয়েছে পাঁচটি বেডরুম। যদিও ঘরোয়া আবহ আনার জন্য বিভিন্ন মেয়র তাঁদের মতো করে অভ্যন্তরীণ সজ্জা পরিবর্তন করেছেন। মেয়র বিল ডি ব্লাসিওর পরিবার আধুনিকীকরণের জন্য একজন ডেকোরেটর নিয়োগ করেছিলেন। এ ছাড়া মেয়র আব্রাহাম বিমের স্ত্রী মাঝরাতের হালকা খাবার খাওয়ার জন্য একটি ঘরকে ছোট ডাইনেটে রূপান্তরিত করেছিলেন।
মেয়র ডি ব্লাসিওর ছেলে ড্যান্টে ডি ব্লাসিও স্মরণ করেন, ‘বিশাল লন এবং বলরুম পাওয়াটা ছিল আমেরিকার সবচেয়ে ভাগ্যবান শিশুর মতো অনুভূতি।’ তবে তিনি স্বীকার করেন, এই বিশালতা শহরের দৈনন্দিন বাস্তবতা, এর গৌরব ও বিনয়ের দিকগুলো থেকে ব্যক্তিকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

অ্যাস্টোরিয়া, যেখানে মামদানি এখনো অ্যাসেম্বলিম্যান হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেন, সেটি হলো বহু সংস্কৃতির মিলনক্ষেত্র—গ্রিক, মিশরীয়, মরক্কো এবং লাতিন জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল। এটি সাশ্রয়ী, কোলাহলপূর্ণ এবং নিউইয়র্কের অন্যতম সেরা ফুড জোন। মামদানি নিজেই তাঁর পাড়ার থাই রেস্তোরাঁর কাঁচা স্পাইসি বিফ এবং সামুদ্রিক খাবারের স্পটগুলো (বাহারি ইস্টিয়াটোরিও, ইলিয়াস কর্নার এবং আবুকার) সুপারিশ করেন।
অন্যদিকে, আপার ইস্ট সাইড দীর্ঘকাল ধরে নিউইয়র্কের সবচেয়ে ধনী এবং অভিজাত এলাকা। এখানে বার্গার বা স্প্যাগেটি পমোডোরো সহজে খুঁজে পেলেও অ্যাস্টোরিয়ার মতো ভিন্ন স্বাদের খাবার পাওয়া কঠিন। সেন্ট্রাল পার্কের কাছে অবস্থিত মার্ক হোটেলের মতো বিলাসবহুল স্থানে এক প্লেট গ্রিলড ব্ল্যাক সি বাসের দাম ৭২ ডলার।
মামদানির অ্যাস্টোরিয়ার অ্যাপার্টমেন্টে কোনো বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। কিন্তু গ্রেসি ম্যানশনের আসল আকর্ষণ হলো এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। উঁচু প্রাচীর, চতুর্দিকে ক্যামেরা এবং বাইরে মোতায়েন থাকা পুলিশ কর্মকর্তাদের দল—নিরাপত্তার এই স্তরটি নিশ্চিত করার জন্যই মেয়ররা শেষ পর্যন্ত এখানে আসতে বাধ্য হন। প্রাক্তন মেয়র বিল ডি ব্লাসিও মামদানিকে এই কারণেই গ্রেসি ম্যানশনে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন: ‘নিরাপত্তার জন্য হলেও তার সেখানে যাওয়া উচিত।’
মেয়র ফিওরেলো লাগার্ডিয়া ১৯৪২ সালে প্রথম এই ম্যানশনে স্থানান্তরিত হন এবং এর নাম পরিবর্তন করে আরও সাধারণ ‘গ্রেসি ফার্ম’ রাখার চেষ্টা করেন। যদিও নামটি টেকেনি, কিন্তু তাঁর স্ত্রী নিজে বাড়ির সমস্ত গৃহস্থালির কাজ করতেন এবং লনে পরিবারের কাপড় শুকাতেন।
তবে সাবেক মেয়র এরিক অ্যাডামস এই বাড়ির এক অন্যরকম হুমকির কথা বলেছিলেন: ‘ম্যানশনে ভূত আছে, ভাই!’
মেয়র রুডি গুলিয়ানিকে তাঁর তৎকালীন স্ত্রী ডোনা হ্যানোভার ডিভোর্স দিলে, সিটি হল ছাড়ার কয়েক বছর পরে এটির লনেই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ের অনুষ্ঠান করেন রুডি।
মেয়র এড কচ প্রথমে তাঁর ভাড়া বাড়িতে থাকতে চাইলেও পরে ভোটারদের ফোনের অত্যাচারে বিরক্ত হয়ে গ্রেসি ম্যানশনে চলে যান। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘পশ জীবনের সঙ্গে খুব দ্রুত মানিয়ে নেওয়া যায়, এবং আমি সেটাই করেছিলাম।’
ড্যান্টে ডি ব্লাসিওর পরামর্শ ছিল, ‘আপনার প্রচুর পার্টি করা উচিত!’

নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি থাকেন কুইন্সের অ্যাস্টোরিয়ায় একটি সাধারণ ভাড়া অ্যাপার্টমেন্ট। মাসে ২ হাজার ৩০০ ডলার ভাড়ার এক বেডরুমের একটি ফ্ল্যাটে থাকেন তিনি। সিঙ্ক ফুটা হয়ে পানি চুঁইয়ে পড়ছিল, তাইলে তোয়ালে দিয়ে মেঝে ঢাকতে হয়েছিল তাঁকে। দৈনন্দিন এমন গৃহস্থালী সমস্যা এবং ‘এক বেডরুম এখনকার জন্য একটু বেশিই ছোট’–সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে জোহরান এই হতাশা প্রকাশ করেছেন।
তবে এই ধরনের সাধারণ সমস্যাগুলো আর বেশিদিন তাঁকে সামলাতে হবে না। কারণ, নিউইয়র্ক সিটির সরকারি বাসভবন গ্রেসি ম্যানশনের বাসিন্দা হবেন শিগগিরই।
জোহরান মামদানির বর্তমান অ্যাপার্টমেন্টটি বড়জোর ৮০০ বর্গফুট হতে পারে। সেখানে রয়েছে হিটিং ও গরম পানির ব্যবস্থা, রান্নাঘরে একটি জানালা, দুটি ক্লোজেট—এমন সাধারণ কিছু আসবাবপত্র।
অন্যদিকে, গ্রেসি ম্যানশন হলো ২২৬ বছরের পুরোনো, ১১ হাজার বর্গফুটের একটি প্রাসাদ। আপার ইস্ট সাইডে ইস্ট নদীর তীরে কার্ল শুরজ পার্কে অবস্থিত এই ভবন। ঝাড়বাতির আলোয় উজ্জ্বল আয়না, চকচকে মেহগনি কাঠের দরজা, বিশাল লনে রয়েছে আপেল ও ডুমুর গাছ এবং সবজি বাগান। বাগানে অবশ্য মাঝেমধ্যেই খরগোশেরা বেশ উপদ্রব করে। এমন এক রাজকীয় আবহ রয়েছে সেখানে।
গ্রেসি ম্যানশনকে একবার নিউইয়র্ক টাইমসের একজন রিপোর্টার ‘ফ্যাকাশে লেমন কেকের মতো বাড়ি’ বলে বর্ণনা করেছিলেন। এটি কেবল বাসস্থান নয়, এটি কঠোর নিরাপত্তা এবং বিলাসবহুল আয়োজনের এক অভিজাত কেন্দ্র।

বাসভবনের নিচতলাটি অত্যন্ত জমকালো ‘ফেডারেল’ স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত। এই স্থাপত্য নকশায় মেয়রের ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। এখানে একটি গ্র্যান্ড ফায়ারপ্লেস-সহ বিনোদন কক্ষ এবং প্যারিসের বাগানচিত্রযুক্ত ওয়ালপেপার দিয়ে মোড়ানো একটি ডাইনিং রুম রয়েছে।
মেয়রদের জন্য এখানে রয়েছে পূর্ণ-সময়ের শেফ, যিনি তাঁর জন্য খাবার প্রস্তুত করেন। করিডোরের ওপারে রয়েছে বিশাল বলরুম। ১৯৬৬ সালে এটি উদ্বোধন করা হয়।

মূল ভবনে ওপর তলায় রয়েছে পাঁচটি বেডরুম। যদিও ঘরোয়া আবহ আনার জন্য বিভিন্ন মেয়র তাঁদের মতো করে অভ্যন্তরীণ সজ্জা পরিবর্তন করেছেন। মেয়র বিল ডি ব্লাসিওর পরিবার আধুনিকীকরণের জন্য একজন ডেকোরেটর নিয়োগ করেছিলেন। এ ছাড়া মেয়র আব্রাহাম বিমের স্ত্রী মাঝরাতের হালকা খাবার খাওয়ার জন্য একটি ঘরকে ছোট ডাইনেটে রূপান্তরিত করেছিলেন।
মেয়র ডি ব্লাসিওর ছেলে ড্যান্টে ডি ব্লাসিও স্মরণ করেন, ‘বিশাল লন এবং বলরুম পাওয়াটা ছিল আমেরিকার সবচেয়ে ভাগ্যবান শিশুর মতো অনুভূতি।’ তবে তিনি স্বীকার করেন, এই বিশালতা শহরের দৈনন্দিন বাস্তবতা, এর গৌরব ও বিনয়ের দিকগুলো থেকে ব্যক্তিকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

অ্যাস্টোরিয়া, যেখানে মামদানি এখনো অ্যাসেম্বলিম্যান হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেন, সেটি হলো বহু সংস্কৃতির মিলনক্ষেত্র—গ্রিক, মিশরীয়, মরক্কো এবং লাতিন জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল। এটি সাশ্রয়ী, কোলাহলপূর্ণ এবং নিউইয়র্কের অন্যতম সেরা ফুড জোন। মামদানি নিজেই তাঁর পাড়ার থাই রেস্তোরাঁর কাঁচা স্পাইসি বিফ এবং সামুদ্রিক খাবারের স্পটগুলো (বাহারি ইস্টিয়াটোরিও, ইলিয়াস কর্নার এবং আবুকার) সুপারিশ করেন।
অন্যদিকে, আপার ইস্ট সাইড দীর্ঘকাল ধরে নিউইয়র্কের সবচেয়ে ধনী এবং অভিজাত এলাকা। এখানে বার্গার বা স্প্যাগেটি পমোডোরো সহজে খুঁজে পেলেও অ্যাস্টোরিয়ার মতো ভিন্ন স্বাদের খাবার পাওয়া কঠিন। সেন্ট্রাল পার্কের কাছে অবস্থিত মার্ক হোটেলের মতো বিলাসবহুল স্থানে এক প্লেট গ্রিলড ব্ল্যাক সি বাসের দাম ৭২ ডলার।
মামদানির অ্যাস্টোরিয়ার অ্যাপার্টমেন্টে কোনো বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। কিন্তু গ্রেসি ম্যানশনের আসল আকর্ষণ হলো এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। উঁচু প্রাচীর, চতুর্দিকে ক্যামেরা এবং বাইরে মোতায়েন থাকা পুলিশ কর্মকর্তাদের দল—নিরাপত্তার এই স্তরটি নিশ্চিত করার জন্যই মেয়ররা শেষ পর্যন্ত এখানে আসতে বাধ্য হন। প্রাক্তন মেয়র বিল ডি ব্লাসিও মামদানিকে এই কারণেই গ্রেসি ম্যানশনে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন: ‘নিরাপত্তার জন্য হলেও তার সেখানে যাওয়া উচিত।’
মেয়র ফিওরেলো লাগার্ডিয়া ১৯৪২ সালে প্রথম এই ম্যানশনে স্থানান্তরিত হন এবং এর নাম পরিবর্তন করে আরও সাধারণ ‘গ্রেসি ফার্ম’ রাখার চেষ্টা করেন। যদিও নামটি টেকেনি, কিন্তু তাঁর স্ত্রী নিজে বাড়ির সমস্ত গৃহস্থালির কাজ করতেন এবং লনে পরিবারের কাপড় শুকাতেন।
তবে সাবেক মেয়র এরিক অ্যাডামস এই বাড়ির এক অন্যরকম হুমকির কথা বলেছিলেন: ‘ম্যানশনে ভূত আছে, ভাই!’
মেয়র রুডি গুলিয়ানিকে তাঁর তৎকালীন স্ত্রী ডোনা হ্যানোভার ডিভোর্স দিলে, সিটি হল ছাড়ার কয়েক বছর পরে এটির লনেই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ের অনুষ্ঠান করেন রুডি।
মেয়র এড কচ প্রথমে তাঁর ভাড়া বাড়িতে থাকতে চাইলেও পরে ভোটারদের ফোনের অত্যাচারে বিরক্ত হয়ে গ্রেসি ম্যানশনে চলে যান। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘পশ জীবনের সঙ্গে খুব দ্রুত মানিয়ে নেওয়া যায়, এবং আমি সেটাই করেছিলাম।’
ড্যান্টে ডি ব্লাসিওর পরামর্শ ছিল, ‘আপনার প্রচুর পার্টি করা উচিত!’

কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন বিশ্বসেরা গবেষকদের আকর্ষণে বড় ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে। মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থ ছাঁটাই ও নীতিগত চাপের কারণে আমেরিকান অনেক গবেষক যখন অনিশ্চয়তায় পড়েছেন, ঠিক তখনই নতুন তহবিল ও অভিবাসন কাঠামো ঘোষণার মাধ্যমে গবেষকদের জন্য অনুকূল পরিবেশ...
১ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনকে সহায়তা করতে ইউরোপে আটকে থাকা রাশিয়ার প্রায় ১০০ বিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের সম্পদ দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আশা করছে, কয়েক দিনের মধ্যেই এই বিষয়ে একটি চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে।
৩ ঘণ্টা আগে
পূর্ব ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহর পোকরভস্ক নিয়ে লড়াই এখনো চলছে। অথচ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্প্রতি দাবি করেছিলেন, শহরটি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেন বলছে, পুতিনের ওই দাবি সত্য নয়। শহরের উত্তরাংশ এখনো তাদের হাতে রয়েছে এবং তারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রায় দুই দশক ধরে ইসলামাবাদ সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করে আসা টিটিপি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানের সীমান্ত অঞ্চলে হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, ২০২১ সালে আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসা তালেবান টিটিপিকে আশ্রয় দিচ্ছে। তবে কাবুল এই অভিযোগ অস্বীকার করে এবং দাবি করে, এটি পাকিস্তানের একটি
৬ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন বিশ্বসেরা গবেষকদের আকর্ষণে বড় ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে। মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থ ছাঁটাই ও নীতিগত চাপের কারণে আমেরিকান অনেক গবেষক যখন অনিশ্চয়তায় পড়েছেন, ঠিক তখনই নতুন তহবিল ও অভিবাসন কাঠামো ঘোষণার মাধ্যমে গবেষকদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে কানাডা।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রয়টার্স জানিয়েছে, অটোয়ার ঘোষিত ১.৭ বিলিয়ন কানাডীয় ডলারের এই পরিকল্পনার লক্ষ্য আগামী এক দশকে হাজারের বেশি আন্তর্জাতিক গবেষককে কানাডায় নিয়ে যাওয়া। ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য কয়েকজন গবেষক যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে কানাডায় যাচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে আছেন এমআইটির খ্যাতনামা কানাডীয় অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্ট সারা সিগার, যিনি আগামী সেপ্টেম্বর থেকে টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেবেন।
সারা সিগার জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে বিজ্ঞান গবেষণায় বাজেট সংকোচন এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার কারণেই তিনি কানাডায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
টরন্টো, আলবার্টা, ম্যাকমাস্টার এবং ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার মতো কানাডার বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জানিয়েছে—সরকার ঘোষিত নতুন অর্থায়ন তাদেরকে বৈশ্বিক মানসম্পন্ন গবেষক ও প্রফেসর নিয়োগে সহায়তা করবে। টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় ইতিমধ্যেই জলবায়ুবিজ্ঞান থেকে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে ১০০ নতুন পোস্ট ডক্টরাল পজিশন ঘোষণা করেছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন অর্থ সংকটের মুখে। এমআইটি-এর প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটি বছরে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার বাজেট ঘাটতির ঝুঁকিতে রয়েছে। ফলে অনেক গবেষণা প্রকল্প কমিয়ে আনতে হয়েছে বা স্থগিত করতে হয়েছে।
এদিকে, নতুন নীতির অংশ হিসেবে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসাধারী বিজ্ঞানী ও গবেষকদের জন্য দ্রুত ভিসা সুবিধা চালু করছে। ২০২৬ সাল থেকে দেশটিতে মাস্টার্স ও পিএইচডি শিক্ষার্থীদের স্টাডি পারমিট কোটা থেকেও বাদ দেওয়া হবে এবং তাঁদের ভিসা প্রক্রিয়ার সময় কমিয়ে ১৪ দিন করা হবে।
তবে চ্যালেঞ্জও আছে। অতীত অভিজ্ঞতার পরিসংখ্যান বলছে, কানাডায় উচ্চশিক্ষিত অভিবাসীদের প্রায় অর্ধেকই পাঁচ বছরের মধ্যেই দেশটি ছেড়ে যান। মূলত কম বেতন ও সীমিত সুযোগের কারণেই তাঁদের মধ্যে এই প্রবণতা দেখা যায়।
তারপরও বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে অস্থিরতার এই সময়টি কানাডার জন্য ‘একটি ঐতিহাসিক সুযোগ’—যার সদ্ব্যবহার করলে দেশটি আগামী দশকে বৈশ্বিক গবেষণা ও উদ্ভাবনের শক্ত কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।

কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন বিশ্বসেরা গবেষকদের আকর্ষণে বড় ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে। মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থ ছাঁটাই ও নীতিগত চাপের কারণে আমেরিকান অনেক গবেষক যখন অনিশ্চয়তায় পড়েছেন, ঠিক তখনই নতুন তহবিল ও অভিবাসন কাঠামো ঘোষণার মাধ্যমে গবেষকদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে কানাডা।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রয়টার্স জানিয়েছে, অটোয়ার ঘোষিত ১.৭ বিলিয়ন কানাডীয় ডলারের এই পরিকল্পনার লক্ষ্য আগামী এক দশকে হাজারের বেশি আন্তর্জাতিক গবেষককে কানাডায় নিয়ে যাওয়া। ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য কয়েকজন গবেষক যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে কানাডায় যাচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে আছেন এমআইটির খ্যাতনামা কানাডীয় অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্ট সারা সিগার, যিনি আগামী সেপ্টেম্বর থেকে টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেবেন।
সারা সিগার জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে বিজ্ঞান গবেষণায় বাজেট সংকোচন এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার কারণেই তিনি কানাডায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
টরন্টো, আলবার্টা, ম্যাকমাস্টার এবং ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার মতো কানাডার বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জানিয়েছে—সরকার ঘোষিত নতুন অর্থায়ন তাদেরকে বৈশ্বিক মানসম্পন্ন গবেষক ও প্রফেসর নিয়োগে সহায়তা করবে। টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় ইতিমধ্যেই জলবায়ুবিজ্ঞান থেকে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে ১০০ নতুন পোস্ট ডক্টরাল পজিশন ঘোষণা করেছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন অর্থ সংকটের মুখে। এমআইটি-এর প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটি বছরে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার বাজেট ঘাটতির ঝুঁকিতে রয়েছে। ফলে অনেক গবেষণা প্রকল্প কমিয়ে আনতে হয়েছে বা স্থগিত করতে হয়েছে।
এদিকে, নতুন নীতির অংশ হিসেবে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসাধারী বিজ্ঞানী ও গবেষকদের জন্য দ্রুত ভিসা সুবিধা চালু করছে। ২০২৬ সাল থেকে দেশটিতে মাস্টার্স ও পিএইচডি শিক্ষার্থীদের স্টাডি পারমিট কোটা থেকেও বাদ দেওয়া হবে এবং তাঁদের ভিসা প্রক্রিয়ার সময় কমিয়ে ১৪ দিন করা হবে।
তবে চ্যালেঞ্জও আছে। অতীত অভিজ্ঞতার পরিসংখ্যান বলছে, কানাডায় উচ্চশিক্ষিত অভিবাসীদের প্রায় অর্ধেকই পাঁচ বছরের মধ্যেই দেশটি ছেড়ে যান। মূলত কম বেতন ও সীমিত সুযোগের কারণেই তাঁদের মধ্যে এই প্রবণতা দেখা যায়।
তারপরও বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে অস্থিরতার এই সময়টি কানাডার জন্য ‘একটি ঐতিহাসিক সুযোগ’—যার সদ্ব্যবহার করলে দেশটি আগামী দশকে বৈশ্বিক গবেষণা ও উদ্ভাবনের শক্ত কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।

নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি থাকেন কুইন্সের অ্যাস্টোরিয়ায় একটি সাধারণ ভাড়া অ্যাপার্টমেন্ট। মাসে ২ হাজার ৩০০ ডলার ভাড়ার এক বেডরুমের একটি ফ্ল্যাটে থাকেন তিনি। সিঙ্ক ফুটা হয়ে পানি চুঁইয়ে পড়ছিল, তাইলে তোয়ালে দিয়ে মেঝে ঢাকতে হয়েছিল তাঁকে।
০৯ নভেম্বর ২০২৫
ইউক্রেনকে সহায়তা করতে ইউরোপে আটকে থাকা রাশিয়ার প্রায় ১০০ বিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের সম্পদ দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আশা করছে, কয়েক দিনের মধ্যেই এই বিষয়ে একটি চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে।
৩ ঘণ্টা আগে
পূর্ব ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহর পোকরভস্ক নিয়ে লড়াই এখনো চলছে। অথচ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্প্রতি দাবি করেছিলেন, শহরটি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেন বলছে, পুতিনের ওই দাবি সত্য নয়। শহরের উত্তরাংশ এখনো তাদের হাতে রয়েছে এবং তারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রায় দুই দশক ধরে ইসলামাবাদ সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করে আসা টিটিপি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানের সীমান্ত অঞ্চলে হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, ২০২১ সালে আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসা তালেবান টিটিপিকে আশ্রয় দিচ্ছে। তবে কাবুল এই অভিযোগ অস্বীকার করে এবং দাবি করে, এটি পাকিস্তানের একটি
৬ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইউক্রেনকে সহায়তা করতে ইউরোপে আটকে থাকা রাশিয়ার প্রায় ১০০ বিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের সম্পদ দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আশা করছে, কয়েক দিনের মধ্যেই এই বিষয়ে একটি চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে।
যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, সোমবার (৮ ডিসেম্বর) লন্ডনে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার। এই বৈঠকে ভবিষ্যতে যুদ্ধরত ইউক্রেনকে সমর্থন অব্যাহত রাখা এবং রাশিয়ার ওপর চাপ বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
ব্রিটিশ সরকারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, জব্দ করা রাশিয়ার সার্বভৌম সম্পদ ইউক্রেনের পুনর্গঠনে ব্যবহার করার বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। এই সম্পদের মধ্যে শুধু যুক্তরাজ্যের ব্যাংকেই প্রায় ৮ বিলিয়ন পাউন্ড রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বৈঠক শেষে জেলেনস্কি বলেন—ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছাড়া ইউক্রেন টিকে থাকতে পারবে না। তিনি জানান, প্রতিরক্ষা সহায়তা, নিরাপত্তা নিশ্চয়তা এবং শান্তি আলোচনার পরবর্তী ধাপ নিয়ে ইউরোপের নেতাদের সঙ্গে তাঁর আলোচনাটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে।
কিয়ার স্টারমার বলেন, ইউক্রেন ইস্যু এখন ‘গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে’ দাঁড়িয়ে আছে এবং ইউরোপকে আরও কঠোরভাবে কূটনৈতিক চাপ ও সামরিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও জানান, যে কোনো সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি হতে হবে ‘ন্যায়সংগত ও স্থায়ী’।
তবে রাশিয়ার জব্দ সম্পদ ইউক্রেনকে দেওয়ার প্রশ্নে কিছুটা বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বেলজিয়াম। এই দেশটিতেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রুশ সম্পদ গচ্ছিত আছে। কিন্তু রুশ সম্পদ মুক্তির বিষয়ে আইনি ও আর্থিক ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে কিছু আপত্তি জানিয়েছে দেশটির সরকার।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তাঁর প্রস্তাবিত হালনাগাদ করা শান্তি প্রস্তাবনাটি ভালো করে পড়েই দেখেননি জেলেনস্কি। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ওই প্রস্তাবে পুতিন রাজি আছেন।
তবে ইউক্রেন, যুক্তরাজ্য ও তাদের মিত্ররা এই অবস্থানে এখনো অটল আছে যে, ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার একমাত্র ইউক্রেনেরই এবং কোনো শান্তিচুক্তির বিনিময়ে রাশিয়াকে ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়া হবে না।

ইউক্রেনকে সহায়তা করতে ইউরোপে আটকে থাকা রাশিয়ার প্রায় ১০০ বিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের সম্পদ দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আশা করছে, কয়েক দিনের মধ্যেই এই বিষয়ে একটি চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে।
যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, সোমবার (৮ ডিসেম্বর) লন্ডনে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার। এই বৈঠকে ভবিষ্যতে যুদ্ধরত ইউক্রেনকে সমর্থন অব্যাহত রাখা এবং রাশিয়ার ওপর চাপ বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
ব্রিটিশ সরকারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, জব্দ করা রাশিয়ার সার্বভৌম সম্পদ ইউক্রেনের পুনর্গঠনে ব্যবহার করার বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। এই সম্পদের মধ্যে শুধু যুক্তরাজ্যের ব্যাংকেই প্রায় ৮ বিলিয়ন পাউন্ড রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বৈঠক শেষে জেলেনস্কি বলেন—ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছাড়া ইউক্রেন টিকে থাকতে পারবে না। তিনি জানান, প্রতিরক্ষা সহায়তা, নিরাপত্তা নিশ্চয়তা এবং শান্তি আলোচনার পরবর্তী ধাপ নিয়ে ইউরোপের নেতাদের সঙ্গে তাঁর আলোচনাটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে।
কিয়ার স্টারমার বলেন, ইউক্রেন ইস্যু এখন ‘গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে’ দাঁড়িয়ে আছে এবং ইউরোপকে আরও কঠোরভাবে কূটনৈতিক চাপ ও সামরিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও জানান, যে কোনো সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি হতে হবে ‘ন্যায়সংগত ও স্থায়ী’।
তবে রাশিয়ার জব্দ সম্পদ ইউক্রেনকে দেওয়ার প্রশ্নে কিছুটা বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বেলজিয়াম। এই দেশটিতেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রুশ সম্পদ গচ্ছিত আছে। কিন্তু রুশ সম্পদ মুক্তির বিষয়ে আইনি ও আর্থিক ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে কিছু আপত্তি জানিয়েছে দেশটির সরকার।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তাঁর প্রস্তাবিত হালনাগাদ করা শান্তি প্রস্তাবনাটি ভালো করে পড়েই দেখেননি জেলেনস্কি। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ওই প্রস্তাবে পুতিন রাজি আছেন।
তবে ইউক্রেন, যুক্তরাজ্য ও তাদের মিত্ররা এই অবস্থানে এখনো অটল আছে যে, ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার একমাত্র ইউক্রেনেরই এবং কোনো শান্তিচুক্তির বিনিময়ে রাশিয়াকে ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়া হবে না।

নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি থাকেন কুইন্সের অ্যাস্টোরিয়ায় একটি সাধারণ ভাড়া অ্যাপার্টমেন্ট। মাসে ২ হাজার ৩০০ ডলার ভাড়ার এক বেডরুমের একটি ফ্ল্যাটে থাকেন তিনি। সিঙ্ক ফুটা হয়ে পানি চুঁইয়ে পড়ছিল, তাইলে তোয়ালে দিয়ে মেঝে ঢাকতে হয়েছিল তাঁকে।
০৯ নভেম্বর ২০২৫
কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন বিশ্বসেরা গবেষকদের আকর্ষণে বড় ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে। মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থ ছাঁটাই ও নীতিগত চাপের কারণে আমেরিকান অনেক গবেষক যখন অনিশ্চয়তায় পড়েছেন, ঠিক তখনই নতুন তহবিল ও অভিবাসন কাঠামো ঘোষণার মাধ্যমে গবেষকদের জন্য অনুকূল পরিবেশ...
১ ঘণ্টা আগে
পূর্ব ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহর পোকরভস্ক নিয়ে লড়াই এখনো চলছে। অথচ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্প্রতি দাবি করেছিলেন, শহরটি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেন বলছে, পুতিনের ওই দাবি সত্য নয়। শহরের উত্তরাংশ এখনো তাদের হাতে রয়েছে এবং তারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রায় দুই দশক ধরে ইসলামাবাদ সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করে আসা টিটিপি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানের সীমান্ত অঞ্চলে হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, ২০২১ সালে আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসা তালেবান টিটিপিকে আশ্রয় দিচ্ছে। তবে কাবুল এই অভিযোগ অস্বীকার করে এবং দাবি করে, এটি পাকিস্তানের একটি
৬ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

পূর্ব ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহর পোকরভস্ক নিয়ে লড়াই এখনো চলছে। অথচ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্প্রতি দাবি করেছিলেন, শহরটি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেন বলছে, পুতিনের ওই দাবি সত্য নয়। শহরের উত্তরাংশ এখনো তাদের হাতে রয়েছে এবং তারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, পোকরভস্ক শহরটি দীর্ঘ সময় ধরে ইউক্রেনীয় সেনাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ রসদ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু গত প্রায় ১৮ মাস ধরে এই শহরে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলছে এবং শহরটি এখন প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
বিবিসি আরও জানায়, একটি কমান্ড পোস্টে ড্রোন ফিড দেখে শহরটির রুশ অবস্থানে আঘাত হানতে রেডিওর মাধ্যমে নির্দেশ দিচ্ছে ইউক্রেনের সেনারা। স্কালা অ্যাসল্ট রেজিমেন্টের কমান্ডার ইউরি সাংবাদিকদের একটি ড্রোন ফুটেজে দেখিয়েছেন, তাদের সৈন্যরা এখনো শহরের উত্তর অংশে ইউক্রেনের পতাকা ওড়াচ্ছে। ইউরি বলেন, ‘আমরা আমাদের ভূমি এভাবে ছেড়ে দেব না। যদি আমরা প্রতিরোধ না দেখাই, বিশ্ব আমাদের প্রতি আস্থা হারাবে।’
২৫ বছর বয়সী ইউক্রেনের এক ব্যাটালিয়ন কমান্ডার সাশা। একটি মানচিত্রে প্লাস্টিকের খেলনা সৈন্য বসিয়ে তিনি দেখালেন—কোথায় ইউক্রেনের বাহিনী এখনো অবস্থান করছে, আর কোথায় রুশ বাহিনী অগ্রসর হয়েছে। তিনি জানান, রুশ সেনারা কখনো কখনো ছদ্মবেশে, দুই থেকে চারজনের দলে আড়াল-আবডালে সামনে এগোনোর চেষ্টা করছে।
রুশ বাহিনী ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়লেও তাদের লোকবল এখনো বেশি। ‘র্যাবিট’ নামে পরিচিত এক ইউক্রেনীয় সৈন্য নিহত রুশদের নথিপত্র দেখিয়ে বলেন, ‘আমরা তাদের অনেককে মেরে ফেলেছি। কিন্তু এটাই যথেষ্ট নয়।’
সহযোদ্ধাদের কাছে ‘ঘোস্ট’ নামে পরিচিত আরেক সৈন্য জানালেন, পরিস্থিতি চাপের হলেও এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি রাশিয়ার পোকরভস্ক শহর দখলের দাবিকে একটি ‘মিথ্যা প্রচারযুদ্ধ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্মুখ সমরে সবচেয়ে বড় আতঙ্ক এখন ড্রোন। ‘খোতাবিচ’ ছদ্মনামে পরিচিত ইউক্রেনের আরেক সেনা জানিয়েছেন, রুশ ড্রোনগুলোতে থার্মাল ক্যামেরা আছে, যা রাতেও লক্ষ্যভেদ করতে পারে। তাই তাদের জন্য কুয়াশা, বৃষ্টি—এগুলোই ‘ভালো আবহাওয়া’। কারণ এমন আবহাওয়ায় ড্রোন ওড়ানো কঠিন হয়।
বর্তমান পরিস্থিতি বলছে, এখনো পুরোপুরিভাবে পোকরভস্কের পতন হয়নি এবং ইউক্রেন এখনো তাদের অবস্থান ধরে রেখেছে। শহরটিতে ইউক্রেনের যেসব সৈন্য লড়ছে—তারা এখন যুদ্ধেই মনোযোগী। শান্তি আলোচনার প্রশ্নে তাদের বেশির ভাগই নীরব। ইউক্রেনের হয়ে সেখানে লড়াইরত এক লাটভিয়ান স্বেচ্ছাসেবী বলেন, ‘যদি ইউক্রেন হেরে যায়, তাহলে পরের লক্ষ্য হবে আমাদের দেশ।’

পূর্ব ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহর পোকরভস্ক নিয়ে লড়াই এখনো চলছে। অথচ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্প্রতি দাবি করেছিলেন, শহরটি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেন বলছে, পুতিনের ওই দাবি সত্য নয়। শহরের উত্তরাংশ এখনো তাদের হাতে রয়েছে এবং তারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, পোকরভস্ক শহরটি দীর্ঘ সময় ধরে ইউক্রেনীয় সেনাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ রসদ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু গত প্রায় ১৮ মাস ধরে এই শহরে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলছে এবং শহরটি এখন প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
বিবিসি আরও জানায়, একটি কমান্ড পোস্টে ড্রোন ফিড দেখে শহরটির রুশ অবস্থানে আঘাত হানতে রেডিওর মাধ্যমে নির্দেশ দিচ্ছে ইউক্রেনের সেনারা। স্কালা অ্যাসল্ট রেজিমেন্টের কমান্ডার ইউরি সাংবাদিকদের একটি ড্রোন ফুটেজে দেখিয়েছেন, তাদের সৈন্যরা এখনো শহরের উত্তর অংশে ইউক্রেনের পতাকা ওড়াচ্ছে। ইউরি বলেন, ‘আমরা আমাদের ভূমি এভাবে ছেড়ে দেব না। যদি আমরা প্রতিরোধ না দেখাই, বিশ্ব আমাদের প্রতি আস্থা হারাবে।’
২৫ বছর বয়সী ইউক্রেনের এক ব্যাটালিয়ন কমান্ডার সাশা। একটি মানচিত্রে প্লাস্টিকের খেলনা সৈন্য বসিয়ে তিনি দেখালেন—কোথায় ইউক্রেনের বাহিনী এখনো অবস্থান করছে, আর কোথায় রুশ বাহিনী অগ্রসর হয়েছে। তিনি জানান, রুশ সেনারা কখনো কখনো ছদ্মবেশে, দুই থেকে চারজনের দলে আড়াল-আবডালে সামনে এগোনোর চেষ্টা করছে।
রুশ বাহিনী ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়লেও তাদের লোকবল এখনো বেশি। ‘র্যাবিট’ নামে পরিচিত এক ইউক্রেনীয় সৈন্য নিহত রুশদের নথিপত্র দেখিয়ে বলেন, ‘আমরা তাদের অনেককে মেরে ফেলেছি। কিন্তু এটাই যথেষ্ট নয়।’
সহযোদ্ধাদের কাছে ‘ঘোস্ট’ নামে পরিচিত আরেক সৈন্য জানালেন, পরিস্থিতি চাপের হলেও এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি রাশিয়ার পোকরভস্ক শহর দখলের দাবিকে একটি ‘মিথ্যা প্রচারযুদ্ধ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্মুখ সমরে সবচেয়ে বড় আতঙ্ক এখন ড্রোন। ‘খোতাবিচ’ ছদ্মনামে পরিচিত ইউক্রেনের আরেক সেনা জানিয়েছেন, রুশ ড্রোনগুলোতে থার্মাল ক্যামেরা আছে, যা রাতেও লক্ষ্যভেদ করতে পারে। তাই তাদের জন্য কুয়াশা, বৃষ্টি—এগুলোই ‘ভালো আবহাওয়া’। কারণ এমন আবহাওয়ায় ড্রোন ওড়ানো কঠিন হয়।
বর্তমান পরিস্থিতি বলছে, এখনো পুরোপুরিভাবে পোকরভস্কের পতন হয়নি এবং ইউক্রেন এখনো তাদের অবস্থান ধরে রেখেছে। শহরটিতে ইউক্রেনের যেসব সৈন্য লড়ছে—তারা এখন যুদ্ধেই মনোযোগী। শান্তি আলোচনার প্রশ্নে তাদের বেশির ভাগই নীরব। ইউক্রেনের হয়ে সেখানে লড়াইরত এক লাটভিয়ান স্বেচ্ছাসেবী বলেন, ‘যদি ইউক্রেন হেরে যায়, তাহলে পরের লক্ষ্য হবে আমাদের দেশ।’

নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি থাকেন কুইন্সের অ্যাস্টোরিয়ায় একটি সাধারণ ভাড়া অ্যাপার্টমেন্ট। মাসে ২ হাজার ৩০০ ডলার ভাড়ার এক বেডরুমের একটি ফ্ল্যাটে থাকেন তিনি। সিঙ্ক ফুটা হয়ে পানি চুঁইয়ে পড়ছিল, তাইলে তোয়ালে দিয়ে মেঝে ঢাকতে হয়েছিল তাঁকে।
০৯ নভেম্বর ২০২৫
কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন বিশ্বসেরা গবেষকদের আকর্ষণে বড় ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে। মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থ ছাঁটাই ও নীতিগত চাপের কারণে আমেরিকান অনেক গবেষক যখন অনিশ্চয়তায় পড়েছেন, ঠিক তখনই নতুন তহবিল ও অভিবাসন কাঠামো ঘোষণার মাধ্যমে গবেষকদের জন্য অনুকূল পরিবেশ...
১ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনকে সহায়তা করতে ইউরোপে আটকে থাকা রাশিয়ার প্রায় ১০০ বিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের সম্পদ দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আশা করছে, কয়েক দিনের মধ্যেই এই বিষয়ে একটি চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রায় দুই দশক ধরে ইসলামাবাদ সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করে আসা টিটিপি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানের সীমান্ত অঞ্চলে হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, ২০২১ সালে আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসা তালেবান টিটিপিকে আশ্রয় দিচ্ছে। তবে কাবুল এই অভিযোগ অস্বীকার করে এবং দাবি করে, এটি পাকিস্তানের একটি
৬ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলায় ছয়জন সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা। এ হামলা আফগানিস্তান ও পাকিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
পুলিশ ও নিরাপত্তা সূত্র জানায়, সোমবার রাতে খাইবার পাখতুনখাওয়ার কুররাম জেলায় একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা চালায়। এর ফলে সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র গোলাগুলি হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, মোট ছয়জন সেনা শহীদ হয়েছেন এবং চারজন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি লড়াইয়ে দুজন জঙ্গিও নিহত হয়েছে।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি তালেবান বা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এ হামলার দায় স্বীকার করেছে।
প্রায় দুই দশক ধরে ইসলামাবাদ সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করে আসা টিটিপি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানের সীমান্ত অঞ্চলে হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, ২০২১ সালে আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসা তালেবান টিটিপিকে আশ্রয় দিচ্ছে। তবে কাবুল এ অভিযোগ অস্বীকার করে এবং দাবি করে, এটি পাকিস্তানের একটি অভ্যন্তরীণ বিষয়।
গত অক্টোবরে এক সপ্তাহের লড়াই এবং গোলাগুলির ফলে প্রায় ৭০ জন নিহত এবং শত শত মানুষ আহত হয়েছিল। কাতার, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মধ্যস্থতায় আফগান ও পাকিস্তানি কর্মকর্তারা তখন একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। তবে সীমান্তজুড়ে উত্তেজনা এখনো রয়ে গেছে এবং আন্তসীমান্ত হামলা অব্যাহত থাকায় সংঘর্ষ লেগেই আছে।
আফগানিস্তানের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ গত শুক্রবার সীমান্ত ক্রসিংয়ে গোলাগুলিতে চার বেসামরিক নাগরিক এবং একজন সেনা নিহত হন।
সম্প্রতি লক্ষাধিক আফগান শরণার্থীকে ফেরত পাঠিয়েছে ইসলামাবাদ। সীমান্ত সংঘর্ষ ছাড়াও এ বিষয়টিও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে।

উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলায় ছয়জন সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা। এ হামলা আফগানিস্তান ও পাকিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
পুলিশ ও নিরাপত্তা সূত্র জানায়, সোমবার রাতে খাইবার পাখতুনখাওয়ার কুররাম জেলায় একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা চালায়। এর ফলে সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র গোলাগুলি হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, মোট ছয়জন সেনা শহীদ হয়েছেন এবং চারজন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি লড়াইয়ে দুজন জঙ্গিও নিহত হয়েছে।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি তালেবান বা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এ হামলার দায় স্বীকার করেছে।
প্রায় দুই দশক ধরে ইসলামাবাদ সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করে আসা টিটিপি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানের সীমান্ত অঞ্চলে হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, ২০২১ সালে আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসা তালেবান টিটিপিকে আশ্রয় দিচ্ছে। তবে কাবুল এ অভিযোগ অস্বীকার করে এবং দাবি করে, এটি পাকিস্তানের একটি অভ্যন্তরীণ বিষয়।
গত অক্টোবরে এক সপ্তাহের লড়াই এবং গোলাগুলির ফলে প্রায় ৭০ জন নিহত এবং শত শত মানুষ আহত হয়েছিল। কাতার, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মধ্যস্থতায় আফগান ও পাকিস্তানি কর্মকর্তারা তখন একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। তবে সীমান্তজুড়ে উত্তেজনা এখনো রয়ে গেছে এবং আন্তসীমান্ত হামলা অব্যাহত থাকায় সংঘর্ষ লেগেই আছে।
আফগানিস্তানের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ গত শুক্রবার সীমান্ত ক্রসিংয়ে গোলাগুলিতে চার বেসামরিক নাগরিক এবং একজন সেনা নিহত হন।
সম্প্রতি লক্ষাধিক আফগান শরণার্থীকে ফেরত পাঠিয়েছে ইসলামাবাদ। সীমান্ত সংঘর্ষ ছাড়াও এ বিষয়টিও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে।

নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি থাকেন কুইন্সের অ্যাস্টোরিয়ায় একটি সাধারণ ভাড়া অ্যাপার্টমেন্ট। মাসে ২ হাজার ৩০০ ডলার ভাড়ার এক বেডরুমের একটি ফ্ল্যাটে থাকেন তিনি। সিঙ্ক ফুটা হয়ে পানি চুঁইয়ে পড়ছিল, তাইলে তোয়ালে দিয়ে মেঝে ঢাকতে হয়েছিল তাঁকে।
০৯ নভেম্বর ২০২৫
কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন বিশ্বসেরা গবেষকদের আকর্ষণে বড় ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে। মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থ ছাঁটাই ও নীতিগত চাপের কারণে আমেরিকান অনেক গবেষক যখন অনিশ্চয়তায় পড়েছেন, ঠিক তখনই নতুন তহবিল ও অভিবাসন কাঠামো ঘোষণার মাধ্যমে গবেষকদের জন্য অনুকূল পরিবেশ...
১ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনকে সহায়তা করতে ইউরোপে আটকে থাকা রাশিয়ার প্রায় ১০০ বিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের সম্পদ দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আশা করছে, কয়েক দিনের মধ্যেই এই বিষয়ে একটি চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে।
৩ ঘণ্টা আগে
পূর্ব ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহর পোকরভস্ক নিয়ে লড়াই এখনো চলছে। অথচ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্প্রতি দাবি করেছিলেন, শহরটি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেন বলছে, পুতিনের ওই দাবি সত্য নয়। শহরের উত্তরাংশ এখনো তাদের হাতে রয়েছে এবং তারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে