আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন, চীন রাশিয়াকে অস্ত্র সরবরাহ করছে। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি খনিজসম্পদ চুক্তি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির কথাও জানান।
স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার কিয়েভে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলেনস্কি বলেন, ‘আমাদের বিশ্বাস, চীনা প্রতিনিধিরা রাশিয়ার ভেতরে কিছু অস্ত্র তৈরির প্রক্রিয়ায় জড়িত।’ তবে তিনি স্পষ্ট করেননি, এতে আর্টিলারি সিস্টেম নাকি গোলাবারুদ বোঝানো হয়েছে।
যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, জেলেনস্কির অভিযোগের ফলে কিয়েভ ও বেইজিংয়ের মধ্যে সম্পর্ক আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। সম্প্রতি রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধরত কিছু চীনা নাগরিককে আটক করেছে ইউক্রেন। যদিও চীন প্রকাশ্যে এই যুদ্ধের বিষয়ে নিরপেক্ষ অবস্থান দেখানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে।
জেলেনস্কি বলেন, ‘প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর কাজে চীন ও রাশিয়ার মধ্যে যৌথ অংশগ্রহণের প্রমাণ রয়েছে আমাদের কাছে।’ তিনি হতাশা প্রকাশ করে জানান, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং তাঁকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, বেইজিং মস্কোকে অস্ত্র দেবে না।
এদিকে, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি খনিজসম্পদ চুক্তির বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই করার প্রস্তুতির বিষয়েও জানান জেলেনস্কি। আজ শুক্রবার এই স্মারক সই হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার বিনিময়ে ইউক্রেনের খনিজসম্পদের ওপর বিশেষ প্রবেশাধিকার চেয়ে এই চুক্তির পক্ষে জোর দিয়েছেন।
গত সপ্তাহের শেষে ইউক্রেনীয় একটি প্রতিনিধি দল ওয়াশিংটনে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত নতুন, আরও বিস্তৃত খনিজ চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছিল।
জেলেনস্কি বলেন, ‘এটি একটি সমঝোতা স্মারক। আমাদের উদ্দেশ্য ইতিবাচক ও গঠনমূলক।’ তিনি যোগ করেন—পূর্ণাঙ্গ চুক্তি সইয়ের আগে এই সমঝোতা স্বাক্ষরের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকেই এসেছে।
ইউক্রেনের অর্থনৈতিক মন্ত্রী জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
একই সময় প্যারিসে ইউরোপীয় ও ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। এই কূটনীতি ইউরোপের গভীর উদ্বেগকে তুলে ধরেছে। কারণ হোয়াইট হাউসের মস্কোপন্থী অবস্থান ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিশেষ করে ট্রাম্প প্রশাসন তিন বছর ধরে চলমান যুদ্ধ শেষ করতে ব্যর্থ হওয়ায় এই উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
ট্রাম্প যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তিনি কিয়েভ ও মস্কো উভয়ের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তাঁর প্রশাসন রাশিয়ার দৃষ্টিভঙ্গিকেই প্রাধান্য দিয়ে বক্তব্য দিচ্ছে।
গত মাসে ইউক্রেন ট্রাম্পের একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মতি দিলেও রাশিয়া তা প্রত্যাখ্যান করে। এখন পর্যন্ত শুধু জ্বালানি স্থাপনা ও সমুদ্রভিত্তিক হামলার ওপর সীমাবদ্ধতা নিয়ে কিছুটা সমঝোতা হয়েছে। তবে দুই দেশই পরস্পরকে এই চুক্তি ভাঙার অভিযোগ করে যাচ্ছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন, চীন রাশিয়াকে অস্ত্র সরবরাহ করছে। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি খনিজসম্পদ চুক্তি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির কথাও জানান।
স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার কিয়েভে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলেনস্কি বলেন, ‘আমাদের বিশ্বাস, চীনা প্রতিনিধিরা রাশিয়ার ভেতরে কিছু অস্ত্র তৈরির প্রক্রিয়ায় জড়িত।’ তবে তিনি স্পষ্ট করেননি, এতে আর্টিলারি সিস্টেম নাকি গোলাবারুদ বোঝানো হয়েছে।
যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, জেলেনস্কির অভিযোগের ফলে কিয়েভ ও বেইজিংয়ের মধ্যে সম্পর্ক আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। সম্প্রতি রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধরত কিছু চীনা নাগরিককে আটক করেছে ইউক্রেন। যদিও চীন প্রকাশ্যে এই যুদ্ধের বিষয়ে নিরপেক্ষ অবস্থান দেখানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে।
জেলেনস্কি বলেন, ‘প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর কাজে চীন ও রাশিয়ার মধ্যে যৌথ অংশগ্রহণের প্রমাণ রয়েছে আমাদের কাছে।’ তিনি হতাশা প্রকাশ করে জানান, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং তাঁকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, বেইজিং মস্কোকে অস্ত্র দেবে না।
এদিকে, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি খনিজসম্পদ চুক্তির বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই করার প্রস্তুতির বিষয়েও জানান জেলেনস্কি। আজ শুক্রবার এই স্মারক সই হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার বিনিময়ে ইউক্রেনের খনিজসম্পদের ওপর বিশেষ প্রবেশাধিকার চেয়ে এই চুক্তির পক্ষে জোর দিয়েছেন।
গত সপ্তাহের শেষে ইউক্রেনীয় একটি প্রতিনিধি দল ওয়াশিংটনে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত নতুন, আরও বিস্তৃত খনিজ চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছিল।
জেলেনস্কি বলেন, ‘এটি একটি সমঝোতা স্মারক। আমাদের উদ্দেশ্য ইতিবাচক ও গঠনমূলক।’ তিনি যোগ করেন—পূর্ণাঙ্গ চুক্তি সইয়ের আগে এই সমঝোতা স্বাক্ষরের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকেই এসেছে।
ইউক্রেনের অর্থনৈতিক মন্ত্রী জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
একই সময় প্যারিসে ইউরোপীয় ও ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। এই কূটনীতি ইউরোপের গভীর উদ্বেগকে তুলে ধরেছে। কারণ হোয়াইট হাউসের মস্কোপন্থী অবস্থান ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিশেষ করে ট্রাম্প প্রশাসন তিন বছর ধরে চলমান যুদ্ধ শেষ করতে ব্যর্থ হওয়ায় এই উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
ট্রাম্প যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তিনি কিয়েভ ও মস্কো উভয়ের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তাঁর প্রশাসন রাশিয়ার দৃষ্টিভঙ্গিকেই প্রাধান্য দিয়ে বক্তব্য দিচ্ছে।
গত মাসে ইউক্রেন ট্রাম্পের একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মতি দিলেও রাশিয়া তা প্রত্যাখ্যান করে। এখন পর্যন্ত শুধু জ্বালানি স্থাপনা ও সমুদ্রভিত্তিক হামলার ওপর সীমাবদ্ধতা নিয়ে কিছুটা সমঝোতা হয়েছে। তবে দুই দেশই পরস্পরকে এই চুক্তি ভাঙার অভিযোগ করে যাচ্ছে।

ভারতের কেন্দ্র সরকার পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার কয়েকটি পরিত্যক্ত এয়ারস্ট্রিপ পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
৮ মিনিট আগে
হাসান আলী প্রশ্ন করেন—কেন তাঁর বাবাকে দুই দেশের মধ্যে এভাবে ছোড়াছুড়ি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার দেশ আমার বাবাকে বাংলাদেশি বলে ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ তাঁকে দুইবার ফেরত পাঠিয়েছে। তাহলে আমাদের দেশ কোনটা? আমাদের দেশ আছে কি?’
২ ঘণ্টা আগে
লোহিত সাগর অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করেছে সোমালিয়া সরকার। গতকাল সোমবার মোগাদিসু সরকার এই ঘোষণা দিয়ে পারস্য উপসাগরীয় দেশটিকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ও প্রধান বন্দর অবকাঠামো থেকে বহিষ্কার করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের মুখে ইরানি সরকার যখন ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে, তখন প্রশাসন জানিয়েছে যে সম্ভাব্য বিভিন্ন বিকল্পের মধ্যে ‘বিমান হামলা’ অন্যতম।
৩ ঘণ্টা আগে