আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের দাবিমতো রাশিয়া থেকে তেল কেনা না কমালে ভারতের ওপর শুল্ক বাড়ানো হতে পারে বলে হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল রোববার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ হুমকি দেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ‘মোদি ভালো মানুষ। তিনি জানতেন, আমি খুশি নই। আর আমাকে খুশি করা জরুরি।
রাশিয়ার কাছ থেকে ভারতের তেল কেনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তারা বাণিজ্য করছে, আর আমরা খুব শিগগির তাদের ওপর শুল্ক বাড়াতে পারি।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ভারত সরকারের কোনো মন্তব্য করেনি।
রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ তেল কেনার শাস্তি হিসেবে গত বছর ভারতীয় পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এত উচ্চ শুল্কের পরও গত নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
ফলে ভারতীয় কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের দাবির বিপরীতে কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছেন। বিশেষ করে, কৃষিপণ্য আমদানির মতো বিষয়ে ‘সীমিত নমনীয়তার’ ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটি। তবে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি কিছুটা কমেছে।
গত সপ্তাহে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো রয়টার্সকে জনায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে রিফাইনারিগুলোকে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল কেনার তথ্য সাপ্তাহিক ভিত্তিতে প্রকাশ করতে বলেছে ভারত সরকার। এর ফলে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি দৈনিক ১০ লাখ ব্যারেলের নিচে নেমে আসতে পারে দেশটির ধারণা।
শুল্ক আরোপের পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত তিনবার ফোনে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে এসব আলোচনা এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি।
গত মাসে দিল্লিতে ভারতের বাণিজ্য সচিব রাজেশ আগরওয়াল যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ রিক সুইজারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে বৈঠক করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবিমতো রাশিয়া থেকে তেল কেনা না কমালে ভারতের ওপর শুল্ক বাড়ানো হতে পারে বলে হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল রোববার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ হুমকি দেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ‘মোদি ভালো মানুষ। তিনি জানতেন, আমি খুশি নই। আর আমাকে খুশি করা জরুরি।
রাশিয়ার কাছ থেকে ভারতের তেল কেনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তারা বাণিজ্য করছে, আর আমরা খুব শিগগির তাদের ওপর শুল্ক বাড়াতে পারি।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ভারত সরকারের কোনো মন্তব্য করেনি।
রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ তেল কেনার শাস্তি হিসেবে গত বছর ভারতীয় পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এত উচ্চ শুল্কের পরও গত নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
ফলে ভারতীয় কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের দাবির বিপরীতে কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছেন। বিশেষ করে, কৃষিপণ্য আমদানির মতো বিষয়ে ‘সীমিত নমনীয়তার’ ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটি। তবে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি কিছুটা কমেছে।
গত সপ্তাহে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো রয়টার্সকে জনায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে রিফাইনারিগুলোকে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল কেনার তথ্য সাপ্তাহিক ভিত্তিতে প্রকাশ করতে বলেছে ভারত সরকার। এর ফলে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি দৈনিক ১০ লাখ ব্যারেলের নিচে নেমে আসতে পারে দেশটির ধারণা।
শুল্ক আরোপের পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত তিনবার ফোনে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে এসব আলোচনা এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি।
গত মাসে দিল্লিতে ভারতের বাণিজ্য সচিব রাজেশ আগরওয়াল যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ রিক সুইজারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে বৈঠক করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে, ভেনেজুয়েলার মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা জ্বালানি তেল খাত থেকে ৩০ থেকে ৫০ মিলিয়ন (৩ থেকে ৫ কোটি) ব্যারেল ওয়াশিংটনকে দিতে করতে হবে। এই তেল বিক্রির অর্থ ভেনেজুয়েলা ও মার্কিন জনগণের ‘কল্যাণে’ ব্যয় করা হবে।
৩২ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো শিগগির দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের কর্তৃত্ব প্রত্যাখ্যান করেছেন। নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়ার পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্যে দেওয়া
১১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমবর্ধমান চাপ ও শুল্ক হুমকির মধ্যেও রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল আমদানিতে ভারত এখনো শক্ত অবস্থানে। সাম্প্রতিক ছয় মাসে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলেও মোট আমদানির প্রায় এক-চতুর্থাংশ এখনো রুশ তেল থেকেই আসছে।
১১ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের পর লাতিন আমেরিকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। এক কড়া বক্তব্যে তিনি বলেছেন, ‘এসে ধরুন আমাকে। আমি এখানেই আপনাদের জন্য
১২ ঘণ্টা আগে