
ইরানের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে হামলা চালানোর বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ওয়াশিংটন যদি ইরানের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তবে ‘পুরো মধ্যপ্রাচ্য অন্ধকারে ডুবে যাবে’।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লারিজানি ট্রাম্পের বক্তব্যের সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি লেখেন, ট্রাম্প বলেছেন যে ‘আমরা এক ঘণ্টার মধ্যে ইরানের বিদ্যুৎ সক্ষমতা ধ্বংস করে দিতে পারি, কিন্তু আমরা এখনো তা করিনি’। ভালো কথা, তারা যদি সত্যিই তা করে, তবে আধা ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে পুরো অঞ্চল অন্ধকারে ডুবে যাবে।
লারিজানি তাঁর পোস্টে আক্রমণাত্মক সুরে বলেন, ‘অন্ধকার আমাদের জন্য সেই সুযোগ তৈরি করে দেবে যাতে আমরা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দিগ্বিদিক ছুটতে থাকা মার্কিন সেনাদের খুঁজে বের করে হত্যা করতে পারি।’
এর আগে গতকাল হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী চাইলেই ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়ার সক্ষমতা রাখে। তবে তিনি এও জানান, ইরান যদি বৈশ্বিক তেলের সরবরাহ বন্ধ করার চেষ্টা করে, তবেই কেবল ওয়াশিংটন এ ধরনের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাবে। অন্যথায় আপাতত তারা বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে হামলা থেকে বিরত রয়েছে।

এর আগে গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, মার্কিন নৌবাহিনী পারস্য উপসাগরে জাহাজগুলোকে পাহারা দেবে। কিন্তু বাণিজ্যমন্ত্রী রাইট আজ বৃহস্পতিবার বলেছেন, এখনই এমন পদক্ষেপ নেওয়া ‘সম্ভব নয়’। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রস্তুত নই।
১২ মিনিট আগে
ইরাকের একটি ঘাঁটি থেকে সব সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপের দেশ ইতালি।কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, ইতালির সরকার ঘোষণা দিয়েছে, তারা উত্তর ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অঞ্চলের একটি সামরিক ঘাঁটি থেকে অস্থায়ীভাবে সব সেনা প্রত্যাহার করছে।
৪৪ মিনিট আগে
ফারজানা যখন তাঁর ওপর হওয়া নির্যাতনের বর্ণনা দেন, তখন বিচারক প্রমাণ যান। কিন্তু ফারজানা কোনো প্রমাণ দেখাতে না পারায় বিচারক তাঁকে ভর্ৎসনা করে বলেন, ‘তুমি যখন তরুণী ছিলে তখন স্বামীর সঙ্গে দিনগুলো উপভোগ করেছ। এখন সে বৃদ্ধ হচ্ছে দেখে তুমি বিচ্ছেদের অজুহাত খুঁজছ যাতে অন্য কাউকে বিয়ে করতে পারো।
৪৪ মিনিট আগে
পেশায় দন্তচিকিৎসক ভাস্কর সাভানি সরাসরি চিকিৎসাসংক্রান্ত জালিয়াতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তিনি মেডিকেইড বিমা চুক্তি থেকে বাতিল হওয়ার পরও অন্যের নামে বেনামি প্রতিষ্ঠান খুলে মেডিকেইড থেকে অর্থ গ্রহণ অব্যাহত রাখেন। এই স্কিমের মাধ্যমে দুই ভাই মিলে প্রায় ৩ কোটি ডলারের (৩০ মিলিয়ন) জালিয়াতি করেন।
১ ঘণ্টা আগে