
ঢাকা: গরিব দেশগুলোতে কোভিড টিকা নিশ্চিত করতে ধনী দেশগুলোকে অর্থায়ন করার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক বিশ্বনেতারা। ধনী দেশগুলোর সাবেক প্রেসিডেন্ট–প্রধানমন্ত্রীসহ শতাধিক সাবেক নেতা বিশ্বব্যাপী টিকাদান কার্যক্রমে গতি আনতে ধনী দেশগুলোর প্রতি এ আহ্বান জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন। জি–৭ শীর্ষ সম্মেলন শুরুর আগে তাঁরা এই আহ্বান জানালেন।
তাঁরা বলেছেন, করোনাভাইরাস যেন ধরন পরিবর্তন করে বারবার পৃথিবীতে এসে হুমকির সৃষ্টি করতে না পারে এ লক্ষ্যে জি-৭ ভুক্ত (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি ও জাপান) দেশগুলোর অর্থায়ন করা উচিত।
আজ সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ১১–১৩ জুন ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে ধনী দেশগুলোর সংগঠন জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন। এ সম্মেলনকে সামনে রেখে টিকাদান কার্যক্রমে অর্থায়নের এই প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে। আসন্ন সামিটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি ও জাপানের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
সাবেক বিশ্ব নেতারা চিঠিতে লিখেছেন, ২০২০ সালে বৈশ্বিক সহযোগিতা ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু ২০২১ সাল একটি নতুন যুগের সূচনা করতে পারে। আসন্ন সামিটে ধনী দেশগুলোর করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কমপক্ষে ৩০ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের নিশ্চয়তা দেওয়া উচিত।
চিঠি তাঁরা বলেছেন, জি–৭ ও জি–২০ দেশগুলোর পক্ষ থেকে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে কোভিড টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করা কোনো দাতব্য কাজ নয়। বরং জোটের প্রত্যেকটি দেশের কৌশলগত স্বার্থেই এটি করা উচিত।
যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন চিঠিতে লেখেন, ভাইরাস সংক্রমণ, ধরন পরিবর্তন এবং বারবার ফিরে আসা ঠেকাতে জি-৭–এর সদস্য দেশগুলোর এগিয়ে আসতে হবে। সর্বোপরি এটি জি-৭ দেশগুলোর নিজেদের আত্মরক্ষার্থেই কাজে দেবে।
চিঠিতে বিভিন্ন দেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাক্ষর করেছেন। চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে অন্যতম- যুক্তরাজ্যের সাবেক দুই প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন ও টনি ব্লেয়ার, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন। এ ছাড়া চিঠিটিতে আফ্রিকার সাবেক ১৫ জন নেতাও এতে স্বাক্ষর করেছেন।

ঢাকা: গরিব দেশগুলোতে কোভিড টিকা নিশ্চিত করতে ধনী দেশগুলোকে অর্থায়ন করার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক বিশ্বনেতারা। ধনী দেশগুলোর সাবেক প্রেসিডেন্ট–প্রধানমন্ত্রীসহ শতাধিক সাবেক নেতা বিশ্বব্যাপী টিকাদান কার্যক্রমে গতি আনতে ধনী দেশগুলোর প্রতি এ আহ্বান জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন। জি–৭ শীর্ষ সম্মেলন শুরুর আগে তাঁরা এই আহ্বান জানালেন।
তাঁরা বলেছেন, করোনাভাইরাস যেন ধরন পরিবর্তন করে বারবার পৃথিবীতে এসে হুমকির সৃষ্টি করতে না পারে এ লক্ষ্যে জি-৭ ভুক্ত (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি ও জাপান) দেশগুলোর অর্থায়ন করা উচিত।
আজ সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ১১–১৩ জুন ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে ধনী দেশগুলোর সংগঠন জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন। এ সম্মেলনকে সামনে রেখে টিকাদান কার্যক্রমে অর্থায়নের এই প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে। আসন্ন সামিটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি ও জাপানের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
সাবেক বিশ্ব নেতারা চিঠিতে লিখেছেন, ২০২০ সালে বৈশ্বিক সহযোগিতা ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু ২০২১ সাল একটি নতুন যুগের সূচনা করতে পারে। আসন্ন সামিটে ধনী দেশগুলোর করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কমপক্ষে ৩০ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের নিশ্চয়তা দেওয়া উচিত।
চিঠি তাঁরা বলেছেন, জি–৭ ও জি–২০ দেশগুলোর পক্ষ থেকে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে কোভিড টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করা কোনো দাতব্য কাজ নয়। বরং জোটের প্রত্যেকটি দেশের কৌশলগত স্বার্থেই এটি করা উচিত।
যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন চিঠিতে লেখেন, ভাইরাস সংক্রমণ, ধরন পরিবর্তন এবং বারবার ফিরে আসা ঠেকাতে জি-৭–এর সদস্য দেশগুলোর এগিয়ে আসতে হবে। সর্বোপরি এটি জি-৭ দেশগুলোর নিজেদের আত্মরক্ষার্থেই কাজে দেবে।
চিঠিতে বিভিন্ন দেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাক্ষর করেছেন। চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে অন্যতম- যুক্তরাজ্যের সাবেক দুই প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন ও টনি ব্লেয়ার, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন। এ ছাড়া চিঠিটিতে আফ্রিকার সাবেক ১৫ জন নেতাও এতে স্বাক্ষর করেছেন।

ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
৫ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৮ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৮ ঘণ্টা আগে