
ইরানে বড় ধরনের গণ-অভ্যুত্থান কেন হচ্ছে না, তা নিয়ে নিজের বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান সরকারের দমন-পীড়নের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তার অভাবই সেখানে প্রতিবাদের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে নিজেকে এখনই বিজয়ী ঘোষণা করার কোনো কারণ দেখছেন না ট্রাম্প।
রোববার প্রেসিডেন্ট বিমানে (এয়ার ফোর্স ওয়ান) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প ইরান পরিস্থিতি নিয়ে এই মন্তব্য করেন।
ইরানি নেতৃত্বের প্রতি ইঙ্গিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘আপনারা একদল সন্ত্রাসীর মোকাবিলা করছেন।’ তিনি অভিযোগ করেন, ইরান সরকার দেশজুড়ে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে যাতে কেউ সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে না পারে।
ট্রাম্প আরও যোগ করেন, ‘তারা (ইরান সরকার) সবাইকে জানিয়ে দিয়েছে এবং বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে যে কেউ যদি প্রতিবাদ করতে রাস্তায় নামে, তবে তাকে সরাসরি গুলি করে মেরে ফেলা হবে। সুতরাং, আন্দোলনকারীরা কেন এখন চুপ করে আছে, তা আমি পুরোপুরি বুঝতে পারছি।’
উল্লেখ্য, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার পরপরই ট্রাম্প ইরানি জনগণকে রাজপথে নেমে আসার এবং তাদের সরকারকে উৎখাত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে বড় কোনো গণ-অভ্যুত্থান না ঘটায় সাংবাদিকেরা তাঁর কাছে কারণ জানতে চাইলে তিনি এই জীবননাশের হুমকির প্রসঙ্গটি টেনে আনেন।
ইরান বর্তমানে সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে কতটা চাপে আছে জানতে চেয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, প্রেসিডেন্ট এখনই নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা করতে প্রস্তুত কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘না, আমি এখনই তা করতে চাই না। তার কোনো প্রয়োজনও নেই। তবে আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি, তারা (ইরানি নেতৃত্ব) বর্তমানে সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখে দাঁড়িয়ে আছে।’
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই মন্তব্যগুলো ইরানের ওপর মার্কিন চাপ আরও বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। একই সঙ্গে এটি ইরানি জনগণের প্রতি মার্কিন প্রশাসনের সমর্থনের একটি বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে, যেখানে সরকারবিরোধী আন্দোলনের অনুকূল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে।

ইরানি সশস্ত্র বাহিনী তাদের অপারেশন ‘ট্রু প্রমিজ-৪’ অভিযানের ৫৪তম ধাপ শুরু করেছে। এই ধাপে ইসরায়েলি ও মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে দেশটি। এতে নানা ধরনের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়, যার মধ্যে ছিল সিজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রও। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হওয়া আরোপিত যুদ্ধের পর এই প্রথম সিজ্জিল...
১ ঘণ্টা আগে
গাজায় বহুজাতিক বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল। আগামী মে মাসের মধ্যেই এই বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে তারা। গাজা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এ পদক্ষেপ নিচ্ছে ইসরায়েল।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের নৌবাহিনী ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সেই দাবি নাকচ করেছে। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘সাহস থাকলে’ পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠিয়ে দেখতে পারে সেটার কী পরিণতি হয়। তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর...
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার ন্যাটো মিত্রদের কাছে হরমুজ প্রণালি রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। একই সময়ে জাপান এবং অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, তারা ট্রাম্পের আহ্বান মেনে হরমুজ প্রণালিতে কোনো যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে না বা কোনো জাহাজকে এসকর্ট দেবে না। খবর আল জাজিরার।
৩ ঘণ্টা আগে