Ajker Patrika

নজিরবিহীন কূটনৈতিক সৌজন্য দেখিয়ে সিকে বিমানবন্দরে গিয়ে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১: ৪২
নজিরবিহীন কূটনৈতিক সৌজন্য দেখিয়ে সিকে বিমানবন্দরে গিয়ে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প
চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ে বিমানবন্দরে গিয়ে স্বাগত জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এএফপি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ওয়াশিংটন ডিসিতে রাষ্ট্রীয় সফরে আসা চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংকে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে স্বাগত জানান। মার্কিন প্রেসিডেন্টরা সাধারণত সফররত বিদেশি নেতাদের হোয়াইট হাউসে স্বাগত জানান। ফলে ট্রাম্পের বিমানবন্দরে গিয়ে সিকে স্বাগত জানানো একটি নজিরবিহীন কূটনৈতিক সৌজন্য।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের খবরে বলা হয়েছে, চীনা প্রেসিডেন্টের বিমান মার্কিন বিমানঘাঁটি জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে অবতরণের পর বিমানের সিঁড়ির কাছে সির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ট্রাম্প। মেরিল্যান্ডে অবস্থিত এই মার্কিন সামরিক ঘাঁটিটি হোয়াইট হাউস থেকে ১৩ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে।

সফররত নেতাদের হোয়াইট হাউসে গিয়ে স্বাগত জানানোই মার্কিন প্রেসিডেন্টদের জন্য অনেক বেশি প্রচলিত রীতি। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির উত্তেজনাপূর্ণ সফর শুরুর সময় ট্রাম্প ওয়েস্ট উইংয়ের প্রবেশপথে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। চলতি বছরের এপ্রিলে হোয়াইট হাউসের সাউথ পোর্টিকোতে রাজা তৃতীয় চার্লসকে স্বাগত জানানো হয়।

সাম্প্রতিক দশকগুলোতে মার্কিন প্রেসিডেন্টরা মাঝেমধ্যে ওয়াশিংটন এলাকার বিমানবন্দরে সফররত পোপদের স্বাগত জানিয়েছেন। তবে অন্য বিদেশি নেতাদের ক্ষেত্রে বিমানবন্দরে গিয়ে স্বাগত জানানোর রীতি অনেকটাই উঠে গেছে।

প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি ১৯৬২ সালে ওয়াশিংটন এলাকার বিমানবন্দরগুলোতে ব্যক্তিগতভাবে বেশ কয়েকজন বিদেশি নেতাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন আইভরি কোস্টের প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স উফুয়ে-বোয়িনি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ২০০৮ সালে অ্যান্ড্রুজে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টকে এবং প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ২০১৫ সালে সেখানে পোপ ফ্রান্সিসকে স্বাগত জানিয়েছিলেন।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি অ্যাক্সিওসকে বলেন, ‘এই গ্রীষ্মে প্রেসিডেন্ট সি এক ঐতিহাসিক সম্মেলনের জন্য চীনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আতিথ্য দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও এই সপ্তাহে চীনা প্রতিনিধিদলকে পাল্টা সফরে স্বাগত জানিয়ে তাঁর আতিথেয়তার প্রতিদান দিচ্ছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় স্বার্থ এগিয়ে নিতে এবং আমেরিকান জনগণের জন্য ভালো চুক্তি করতে প্রেসিডেন্ট যে কারও সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলবেন।’

বিমানবন্দরের রানওয়েতে ট্রাম্পের এই স্বাগত জানানো এমন একটি প্রেসিডেন্টীয় রীতিকে আবার সামনে নিয়ে এসেছে, যা পোপদের সফর ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে এখন খুবই বিরল হয়ে গেছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত