আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বলিভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেসের বিরুদ্ধে এক কিশোরীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে ৬৫ বছর বয়সী এই নেতা তাই বর্তমানে গহিন জঙ্গলে আত্মগোপন করে আছেন। ধারণা করা হচ্ছে, সেখান থেকেই আবারও দেশের ক্ষমতা নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, বলিভিয়ার চাপারে অঞ্চলের ছোট্ট গ্রাম লাউকা এন-এ সাত মাস ধরে একটি রেডিও স্টেশনে আত্মগোপনে আছেন মোরালেস। বর্তমানে এই এলাকাটির চারপাশে অবস্থান নিয়ে রাত-দিন পাহারা দিচ্ছেন শত শত কোকা চাষি। তাঁদের হাতে কাঠের বর্শা আর লোহার ঢাকনা দিয়ে তৈরি ঢাল। এখানে প্রবেশ করা যে কারও জন্য এখন কঠিন, এমনকি পুলিশের জন্যও। মোরালেসের অনুরাগীরা দিনের পর দিন পাহারা দিচ্ছেন যেন তাঁদের ‘ভাই’ ইভোকে কেউ ধরতে না পারে।
মোরালেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় ১৫ বছরের এক কিশোরীকে তিনি ধর্ষণ করেছিলেন। দাবি করা হয়, ওই কিশোরীর গর্ভে তাঁর সন্তানও চলে আসে। তবে মোরালেস বলছেন, এটি একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। বর্তমান সরকার তাঁকে রাজনৈতিকভাবে ধ্বংস করে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
এদিকে মোরালেসের সাবেক মন্ত্রী ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুইস আর্সে মোরালেসের আত্মপক্ষ সমর্থনকে উড়িয়ে দিয়েছেন। এক সময়ের সহকর্মী ও ঘনিষ্ঠ দুই ব্যক্তি থেকে তাঁরা এখন একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত যদি মোরালেস উল্টাতে পারেন, তবে আগামী আগস্টের নির্বাচনে তাঁরা দুজন মুখোমুখি হতে পারেন।

বলিভিয়া বর্তমানে চরম অর্থনৈতিক সংকটে। ডলার ও জ্বালানি সংকটে মানুষ রাস্তায় বিক্ষোভ করছে। প্রেসিডেন্ট আর্সে বলছেন, তাঁর সরকার কাঠামোগত সমাধানের পথে হাঁটছে। কিন্তু মোরালেসের অনুসারীরা বলছেন, এই সংকটের জন্য বর্তমান সরকার দায়ী এবং তাঁরা নির্বাচনের আগ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবেন।
চাপারে অঞ্চলের কোকা চাষি আলবার্টিনা রদ্রিগেজ বলেন, ‘এই সরকার আমাদের কিছুই দিচ্ছে না—না গ্যাসোলিন, না ডলার। আমরা ভাই ইভোকে রক্ষা করব এবং নির্বাচনে জিতব।’
২০০৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মোরালেসের শাসনামলে বলিভিয়ার অর্থনীতি প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানির মাধ্যমে চাঙা ছিল। কিন্তু গ্যাসের রিজার্ভ শেষ হয়ে যাওয়ার পরই দেশে সংকট শুরু হয়। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানী লা পাজের বাজারে এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘চিজের দাম এক বছরেই দ্বিগুণ হয়েছে। আমি না আর্সে, না মোরালেস—কাউকেই ভোট দেব না।’

মোরালেসের প্রতিষ্ঠিত দল এমএএস বর্তমানে ভেঙে পড়ার মুখে। এই দলের ৩৬ বছর বয়সী আন্দ্রোনিকো রদ্রিগেস এখন সিনেট প্রেসিডেন্ট। আগামী নির্বাচনে তিনি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। একসময় মোরালেসের উত্তরসূরি হিসেবে পরিচিত আন্দ্রোনিকোর এই সিদ্ধান্ত হয়তো দলকে পুনরুজ্জীবিত করবে, অথবা চিরতরে বিভক্ত করে দিতে পারে।
এদিকে মোরালেস ঘোষণা দিয়েছেন—তিনি লা পাজে মিছিল করে গিয়ে প্রার্থিতার জন্য নিবন্ধন করবেন। তিনি বলেছেন, ‘আমার শাসনামলে কখনো জ্বালানি বা ডলার সংকট ছিল না।’
২০১৯ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে মোরালেস সাংবিধানিক সীমা উপেক্ষা করে চতুর্থবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। কিন্তু ফলাফল ঘোষণায় কালক্ষেপণ ও হঠাৎ বিজয়ের ঘোষণায় দেশে সহিংসতা সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় দেশ ছেড়ে পালিয়ে মেক্সিকো ও পরে আর্জেন্টিনায় যান মোরালেস।
বর্তমানে মোরালেসের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলাটি আবারও খোলা হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মানবপাচারের অভিযোগও। তবে যে মেয়েটির গর্ভে মোরালেসের সন্তান এসেছিল বলে অভিযোগ করা হয়, সেই মেয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেননি। ২০১৯ সাল থেকে তিনিও আত্মগোপনে আছেন।
মোরালেস দাবি করেন, তাঁর জনপ্রিয়তা দেখে সরকার তাঁকে আটক বা হত্যা করতে চায়। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অন্য দেশে সাবেক প্রেসিডেন্টদের নিরাপত্তা ও সম্মান দেওয়া হয়, এখানে হয় উল্টোটা।’
নির্বাচন সামনে রেখে বলিভিয়ার রাজনীতি এখন উত্তাল। অর্থনৈতিক দোলাচলে দুলছে দেশের জনগণ। আর ইভো মোরালেস আত্মগোপন থেকে নতুন করে ক্ষমতায় ফেরার স্বপ্ন দেখছেন।

বলিভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেসের বিরুদ্ধে এক কিশোরীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে ৬৫ বছর বয়সী এই নেতা তাই বর্তমানে গহিন জঙ্গলে আত্মগোপন করে আছেন। ধারণা করা হচ্ছে, সেখান থেকেই আবারও দেশের ক্ষমতা নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, বলিভিয়ার চাপারে অঞ্চলের ছোট্ট গ্রাম লাউকা এন-এ সাত মাস ধরে একটি রেডিও স্টেশনে আত্মগোপনে আছেন মোরালেস। বর্তমানে এই এলাকাটির চারপাশে অবস্থান নিয়ে রাত-দিন পাহারা দিচ্ছেন শত শত কোকা চাষি। তাঁদের হাতে কাঠের বর্শা আর লোহার ঢাকনা দিয়ে তৈরি ঢাল। এখানে প্রবেশ করা যে কারও জন্য এখন কঠিন, এমনকি পুলিশের জন্যও। মোরালেসের অনুরাগীরা দিনের পর দিন পাহারা দিচ্ছেন যেন তাঁদের ‘ভাই’ ইভোকে কেউ ধরতে না পারে।
মোরালেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় ১৫ বছরের এক কিশোরীকে তিনি ধর্ষণ করেছিলেন। দাবি করা হয়, ওই কিশোরীর গর্ভে তাঁর সন্তানও চলে আসে। তবে মোরালেস বলছেন, এটি একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। বর্তমান সরকার তাঁকে রাজনৈতিকভাবে ধ্বংস করে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
এদিকে মোরালেসের সাবেক মন্ত্রী ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুইস আর্সে মোরালেসের আত্মপক্ষ সমর্থনকে উড়িয়ে দিয়েছেন। এক সময়ের সহকর্মী ও ঘনিষ্ঠ দুই ব্যক্তি থেকে তাঁরা এখন একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত যদি মোরালেস উল্টাতে পারেন, তবে আগামী আগস্টের নির্বাচনে তাঁরা দুজন মুখোমুখি হতে পারেন।

বলিভিয়া বর্তমানে চরম অর্থনৈতিক সংকটে। ডলার ও জ্বালানি সংকটে মানুষ রাস্তায় বিক্ষোভ করছে। প্রেসিডেন্ট আর্সে বলছেন, তাঁর সরকার কাঠামোগত সমাধানের পথে হাঁটছে। কিন্তু মোরালেসের অনুসারীরা বলছেন, এই সংকটের জন্য বর্তমান সরকার দায়ী এবং তাঁরা নির্বাচনের আগ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবেন।
চাপারে অঞ্চলের কোকা চাষি আলবার্টিনা রদ্রিগেজ বলেন, ‘এই সরকার আমাদের কিছুই দিচ্ছে না—না গ্যাসোলিন, না ডলার। আমরা ভাই ইভোকে রক্ষা করব এবং নির্বাচনে জিতব।’
২০০৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মোরালেসের শাসনামলে বলিভিয়ার অর্থনীতি প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানির মাধ্যমে চাঙা ছিল। কিন্তু গ্যাসের রিজার্ভ শেষ হয়ে যাওয়ার পরই দেশে সংকট শুরু হয়। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানী লা পাজের বাজারে এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘চিজের দাম এক বছরেই দ্বিগুণ হয়েছে। আমি না আর্সে, না মোরালেস—কাউকেই ভোট দেব না।’

মোরালেসের প্রতিষ্ঠিত দল এমএএস বর্তমানে ভেঙে পড়ার মুখে। এই দলের ৩৬ বছর বয়সী আন্দ্রোনিকো রদ্রিগেস এখন সিনেট প্রেসিডেন্ট। আগামী নির্বাচনে তিনি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। একসময় মোরালেসের উত্তরসূরি হিসেবে পরিচিত আন্দ্রোনিকোর এই সিদ্ধান্ত হয়তো দলকে পুনরুজ্জীবিত করবে, অথবা চিরতরে বিভক্ত করে দিতে পারে।
এদিকে মোরালেস ঘোষণা দিয়েছেন—তিনি লা পাজে মিছিল করে গিয়ে প্রার্থিতার জন্য নিবন্ধন করবেন। তিনি বলেছেন, ‘আমার শাসনামলে কখনো জ্বালানি বা ডলার সংকট ছিল না।’
২০১৯ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে মোরালেস সাংবিধানিক সীমা উপেক্ষা করে চতুর্থবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। কিন্তু ফলাফল ঘোষণায় কালক্ষেপণ ও হঠাৎ বিজয়ের ঘোষণায় দেশে সহিংসতা সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় দেশ ছেড়ে পালিয়ে মেক্সিকো ও পরে আর্জেন্টিনায় যান মোরালেস।
বর্তমানে মোরালেসের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলাটি আবারও খোলা হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মানবপাচারের অভিযোগও। তবে যে মেয়েটির গর্ভে মোরালেসের সন্তান এসেছিল বলে অভিযোগ করা হয়, সেই মেয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেননি। ২০১৯ সাল থেকে তিনিও আত্মগোপনে আছেন।
মোরালেস দাবি করেন, তাঁর জনপ্রিয়তা দেখে সরকার তাঁকে আটক বা হত্যা করতে চায়। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অন্য দেশে সাবেক প্রেসিডেন্টদের নিরাপত্তা ও সম্মান দেওয়া হয়, এখানে হয় উল্টোটা।’
নির্বাচন সামনে রেখে বলিভিয়ার রাজনীতি এখন উত্তাল। অর্থনৈতিক দোলাচলে দুলছে দেশের জনগণ। আর ইভো মোরালেস আত্মগোপন থেকে নতুন করে ক্ষমতায় ফেরার স্বপ্ন দেখছেন।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৭ ঘণ্টা আগে