
ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতের প্রধান রোনেন বারকে বরখাস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পরিকল্পনা আঁচ করতে না পারার ব্যর্থতার কারণে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নেতানিয়াহুর সরকার।
আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় ইসরায়েলি মন্ত্রিপরিষদে এ-সংক্রান্ত ভোটাভুটি হয়। বৈঠক শেষে রোনেন বারকে বরখাস্তের ঘোষণা দেয় মন্ত্রিপরিষদ।
ইসরায়েলি গণমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের তথ্যমতে, প্রথমবারের মতো দেশটির ইতিহাসে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থার প্রধানকে বরখাস্তের নজির তৈরি হলো। আগামী ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে তাঁকে। যদিও, প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, এপ্রিলের ২০ তারিখ হবে শিন বেতে তাঁর শেষ দিন। পরে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে সেই তারিখ এগিয়ে আনা হয়।
টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না রোনেন বার। তবে তিনি মন্ত্রীদের উদ্দেশে কড়া ভাষায় একটি চিঠি লিখেছেন। লিখেছেন, তিনি এই বৈঠকে উপস্থিত থাকছেন না, কারণ যে প্রক্রিয়ায় তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে তা আইনসিদ্ধ মনে করেন না। পাশাপাশি তিনি বলেন, পদ থেকে তাঁকে অপসারণ একটি সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হওয়া উচিত, যেখানে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। কারণ তাঁর পদ প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের।
চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেছেন, হামাসের পরিকল্পনা জেনেও চুপ ছিলেন বলে তাঁকে যে অপবাদ দেওয়ার চেষ্টা করছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
শিন বেত প্রধানের চিঠিতে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি নিয়েও বিস্ফোরক তথ্য দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে রোনেন লিখেছেন, ‘বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আমাকে যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে আলোচনা করতে কায়রোতে পাঠাতে চেয়েছিলেন। শর্ত ছিল—আমি আলোচনা করব ঠিকই, কিন্তু কৌশলে যুদ্ধবিরতি চুক্তি না করেই ফিরে আসতে হবে আমাকে। আলোচনা শুরুর এক মাস আগে আমাকে সরিয়ে দিয়ে নিজের ঘনিষ্ঠ এক সহযোগীকে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়, যাতে নেতানিয়াহু নিজের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে পারেন। নিজের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে পারেন।’
নিরাপত্তাপ্রধানের এই বরখাস্তকে ঘিরে ইসরায়েলে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই পদক্ষেপের তুমুল সমালোচনা ও নিন্দা করছেন নেতানিয়াহুর বিরোধীরা। যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে তাঁর বক্তব্য উসকে দিয়েছে নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভ। নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে জড়ো হয়েছে লাখ লাখ ইসরায়েলি।
এরই মধ্যে এক মতামত জরিপে উঠে এসেছে, ৫১ শতাংশ ইসরায়েলি শিন বেতের প্রধান রোনেনের বরখাস্তের বিরোধিতা করছেন। আর প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর চেয়ে রোনেনকেই বেশি বিশ্বাস করেন ৪৬ শতাংশ। এরই মধ্যে এই বরখাস্তের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একটি পিটিশন দায়ের করা হয়েছে।
২০২১ সালের অক্টোবরে শিন বেতের প্রধান হিসেবে পাঁচ বছর মেয়াদে বারকে নিযুক্ত করা হয়। নেতানিয়াহু গত রোববার এক ভিডিও বিবৃতিতে বারকে বরখাস্ত করার বিষয়ে তাঁর ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি বলেন, বারকে আর বিশ্বাস করতে পারছেন না তিনি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই অবিশ্বাস আরও বেড়েছে।

ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতের প্রধান রোনেন বারকে বরখাস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পরিকল্পনা আঁচ করতে না পারার ব্যর্থতার কারণে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নেতানিয়াহুর সরকার।
আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় ইসরায়েলি মন্ত্রিপরিষদে এ-সংক্রান্ত ভোটাভুটি হয়। বৈঠক শেষে রোনেন বারকে বরখাস্তের ঘোষণা দেয় মন্ত্রিপরিষদ।
ইসরায়েলি গণমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের তথ্যমতে, প্রথমবারের মতো দেশটির ইতিহাসে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থার প্রধানকে বরখাস্তের নজির তৈরি হলো। আগামী ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে তাঁকে। যদিও, প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, এপ্রিলের ২০ তারিখ হবে শিন বেতে তাঁর শেষ দিন। পরে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে সেই তারিখ এগিয়ে আনা হয়।
টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না রোনেন বার। তবে তিনি মন্ত্রীদের উদ্দেশে কড়া ভাষায় একটি চিঠি লিখেছেন। লিখেছেন, তিনি এই বৈঠকে উপস্থিত থাকছেন না, কারণ যে প্রক্রিয়ায় তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে তা আইনসিদ্ধ মনে করেন না। পাশাপাশি তিনি বলেন, পদ থেকে তাঁকে অপসারণ একটি সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হওয়া উচিত, যেখানে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। কারণ তাঁর পদ প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের।
চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেছেন, হামাসের পরিকল্পনা জেনেও চুপ ছিলেন বলে তাঁকে যে অপবাদ দেওয়ার চেষ্টা করছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
শিন বেত প্রধানের চিঠিতে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি নিয়েও বিস্ফোরক তথ্য দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে রোনেন লিখেছেন, ‘বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আমাকে যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে আলোচনা করতে কায়রোতে পাঠাতে চেয়েছিলেন। শর্ত ছিল—আমি আলোচনা করব ঠিকই, কিন্তু কৌশলে যুদ্ধবিরতি চুক্তি না করেই ফিরে আসতে হবে আমাকে। আলোচনা শুরুর এক মাস আগে আমাকে সরিয়ে দিয়ে নিজের ঘনিষ্ঠ এক সহযোগীকে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়, যাতে নেতানিয়াহু নিজের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে পারেন। নিজের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে পারেন।’
নিরাপত্তাপ্রধানের এই বরখাস্তকে ঘিরে ইসরায়েলে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই পদক্ষেপের তুমুল সমালোচনা ও নিন্দা করছেন নেতানিয়াহুর বিরোধীরা। যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে তাঁর বক্তব্য উসকে দিয়েছে নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভ। নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে জড়ো হয়েছে লাখ লাখ ইসরায়েলি।
এরই মধ্যে এক মতামত জরিপে উঠে এসেছে, ৫১ শতাংশ ইসরায়েলি শিন বেতের প্রধান রোনেনের বরখাস্তের বিরোধিতা করছেন। আর প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর চেয়ে রোনেনকেই বেশি বিশ্বাস করেন ৪৬ শতাংশ। এরই মধ্যে এই বরখাস্তের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একটি পিটিশন দায়ের করা হয়েছে।
২০২১ সালের অক্টোবরে শিন বেতের প্রধান হিসেবে পাঁচ বছর মেয়াদে বারকে নিযুক্ত করা হয়। নেতানিয়াহু গত রোববার এক ভিডিও বিবৃতিতে বারকে বরখাস্ত করার বিষয়ে তাঁর ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি বলেন, বারকে আর বিশ্বাস করতে পারছেন না তিনি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই অবিশ্বাস আরও বেড়েছে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৭ ঘণ্টা আগে