আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিউইয়র্ক সিটির ডেমোক্রেটিক মেয়র প্রার্থী জোহরান মামদানির কিছু নির্বাচনী প্রস্তাবকে ‘নিরর্থক ও মূর্খামি’ বলে মন্তব্য করেছেন। ‘দ্য ফুল সেন্ড পডকাস্ট’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, এই ধরনের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে মামদানি মেয়র নির্বাচিত হলেও মাত্র এক মেয়াদই টিকতে পারবেন।
মঙ্গলবার সিএনএন জানিয়েছে, ওই পডকাস্টে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন নেতানিয়াহু। এর মধ্যে ছিল গাজায় চলমান যুদ্ধ, ইরান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের খাদ্য পছন্দ এবং আমেরিকায় ইহুদিবিদ্বেষের উত্থান। আলোচনাটির একপর্যায়ে মামদানিকে ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ আখ্যায়িত করেন উপস্থাপক অ্যারন স্টাইনি স্টেইনবার্গ এবং এ বিষয়ে নেতানিয়াহুর মতামত জানতে চান।
মামদানির বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আপনি পুলিশের খরচ কমাতে চান? আপনি কি চান মানুষ দোকানে ঢুকে চুরি করুক আর কেউ বাধা না দিক? এটাকে কি আপনি ভালো সমাজ মনে করেন?’
তবে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামদানি পরিষ্কারভাবে বলেছেন, তিনি পুলিশের তহবিল কমাতে চান না, বরং সেই অর্থের পুনর্বিন্যাস করতে চান, যাতে পুলিশ গুরুতর অপরাধ দমনেই মনোযোগ দেয়।
ইসরায়েলের বাইরে নিউইয়র্ক শহরেই সবচেয়ে বেশি প্রায় ১২ লাখ ইহুদি জনসংখ্যা রয়েছে। নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য নিউইয়র্কের রক্ষণশীল ইহুদিদের একাংশকে প্রভাবিত করতে পারে, যদিও তিনি উদারপন্থী ইহুদিদের কাছে তেমন জনপ্রিয় নন। আর নিউইয়র্ক শহরে ডেমোক্র্যাটদের আধিক্য থাকায় এই প্রভাব আরও সীমিত হতে পারে।
মামদানি এর আগে ইসরায়েলের গাজা হামলাকে ‘গণহত্যা’ বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন, তিনি মেয়র হলে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে নেতানিয়াহুকে নিউইয়র্কে পেলে গ্রেপ্তার করবেন। ইসরায়েল অবশ্য গাজায় তাদের সামরিক অভিযানে ‘গণহত্যা’ হচ্ছে, এমন দাবি অস্বীকার করে আসছে।
মামদানির একজন মুখপাত্র নেতানিয়াহুর মন্তব্যের বিষয়ে সোমবার তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। মামদানির প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু আরও বলেছেন, ‘আপনি ধনীদের ওপর অতিরিক্ত কর বসাতে চান? আপনি কি ব্যবসা-বাণিজ্য ধ্বংস করতে চান? এসব করে একটা মেয়াদও টেকা মুশকিল।’ তিনি মামদানির কর প্রস্তাবকে ‘বাস্তবতা দ্বারা ধাক্কা খাওয়ার মতো’ উল্লেখ করে বলেন, মানুষ যখন বাস্তবের সঙ্গে ধাক্কা খায়, তখন বোঝে এসব কতটা মূর্খামি।
নিউইয়র্কের আসন্ন নভেম্বরের নির্বাচনে মামদানির প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছেন বর্তমান মেয়র এরিক অ্যাডামস, রিপাবলিকান কার্টিস স্লিওয়া এবং সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমো, যিনি তৃতীয় দল থেকে প্রার্থী হয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
অ্যাডামস ও কুওমো দুজনই মামদানির বিরুদ্ধে ‘ইহুদিবিদ্বেষ’ ইস্যুতে সরব হয়েছেন। যদিও মামদানি নিজেকে ইহুদিবিদ্বেষী মানতে নারাজ। ইতিমধ্যে তিনি সিটি কম্পট্রোলার ব্র্যাড ল্যান্ডার এবং মার্কিন কংগ্রেসম্যান জেরি ন্যাডলারের মতো প্রভাবশালী ইহুদি নেতাদের সমর্থন পেয়েছেন এবং নিউইয়র্ক শহরের বিদ্বেষমূলক অপরাধ প্রতিরোধ কর্মসূচির জন্য ৮০০ শতাংশ বাজেট বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিউইয়র্ক সিটির ডেমোক্রেটিক মেয়র প্রার্থী জোহরান মামদানির কিছু নির্বাচনী প্রস্তাবকে ‘নিরর্থক ও মূর্খামি’ বলে মন্তব্য করেছেন। ‘দ্য ফুল সেন্ড পডকাস্ট’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, এই ধরনের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে মামদানি মেয়র নির্বাচিত হলেও মাত্র এক মেয়াদই টিকতে পারবেন।
মঙ্গলবার সিএনএন জানিয়েছে, ওই পডকাস্টে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন নেতানিয়াহু। এর মধ্যে ছিল গাজায় চলমান যুদ্ধ, ইরান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের খাদ্য পছন্দ এবং আমেরিকায় ইহুদিবিদ্বেষের উত্থান। আলোচনাটির একপর্যায়ে মামদানিকে ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ আখ্যায়িত করেন উপস্থাপক অ্যারন স্টাইনি স্টেইনবার্গ এবং এ বিষয়ে নেতানিয়াহুর মতামত জানতে চান।
মামদানির বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আপনি পুলিশের খরচ কমাতে চান? আপনি কি চান মানুষ দোকানে ঢুকে চুরি করুক আর কেউ বাধা না দিক? এটাকে কি আপনি ভালো সমাজ মনে করেন?’
তবে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামদানি পরিষ্কারভাবে বলেছেন, তিনি পুলিশের তহবিল কমাতে চান না, বরং সেই অর্থের পুনর্বিন্যাস করতে চান, যাতে পুলিশ গুরুতর অপরাধ দমনেই মনোযোগ দেয়।
ইসরায়েলের বাইরে নিউইয়র্ক শহরেই সবচেয়ে বেশি প্রায় ১২ লাখ ইহুদি জনসংখ্যা রয়েছে। নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য নিউইয়র্কের রক্ষণশীল ইহুদিদের একাংশকে প্রভাবিত করতে পারে, যদিও তিনি উদারপন্থী ইহুদিদের কাছে তেমন জনপ্রিয় নন। আর নিউইয়র্ক শহরে ডেমোক্র্যাটদের আধিক্য থাকায় এই প্রভাব আরও সীমিত হতে পারে।
মামদানি এর আগে ইসরায়েলের গাজা হামলাকে ‘গণহত্যা’ বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন, তিনি মেয়র হলে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে নেতানিয়াহুকে নিউইয়র্কে পেলে গ্রেপ্তার করবেন। ইসরায়েল অবশ্য গাজায় তাদের সামরিক অভিযানে ‘গণহত্যা’ হচ্ছে, এমন দাবি অস্বীকার করে আসছে।
মামদানির একজন মুখপাত্র নেতানিয়াহুর মন্তব্যের বিষয়ে সোমবার তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। মামদানির প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু আরও বলেছেন, ‘আপনি ধনীদের ওপর অতিরিক্ত কর বসাতে চান? আপনি কি ব্যবসা-বাণিজ্য ধ্বংস করতে চান? এসব করে একটা মেয়াদও টেকা মুশকিল।’ তিনি মামদানির কর প্রস্তাবকে ‘বাস্তবতা দ্বারা ধাক্কা খাওয়ার মতো’ উল্লেখ করে বলেন, মানুষ যখন বাস্তবের সঙ্গে ধাক্কা খায়, তখন বোঝে এসব কতটা মূর্খামি।
নিউইয়র্কের আসন্ন নভেম্বরের নির্বাচনে মামদানির প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছেন বর্তমান মেয়র এরিক অ্যাডামস, রিপাবলিকান কার্টিস স্লিওয়া এবং সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমো, যিনি তৃতীয় দল থেকে প্রার্থী হয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
অ্যাডামস ও কুওমো দুজনই মামদানির বিরুদ্ধে ‘ইহুদিবিদ্বেষ’ ইস্যুতে সরব হয়েছেন। যদিও মামদানি নিজেকে ইহুদিবিদ্বেষী মানতে নারাজ। ইতিমধ্যে তিনি সিটি কম্পট্রোলার ব্র্যাড ল্যান্ডার এবং মার্কিন কংগ্রেসম্যান জেরি ন্যাডলারের মতো প্রভাবশালী ইহুদি নেতাদের সমর্থন পেয়েছেন এবং নিউইয়র্ক শহরের বিদ্বেষমূলক অপরাধ প্রতিরোধ কর্মসূচির জন্য ৮০০ শতাংশ বাজেট বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
১ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
১ ঘণ্টা আগে
তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
২ ঘণ্টা আগে
অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানের অংশ হিসেবে ২০২৫ সালে ১ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে শিক্ষার্থী ভিসা রয়েছে প্রায় ৮ হাজারের বেশি। গতকাল সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানায়...
৫ ঘণ্টা আগে