আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বিশ্বখ্যাত ইতালিয়ান ফ্যাশন ডিজাইনার জর্জিও আরমানি ৯১ বছর বয়সে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) আরমানি গ্রুপ এক বিবৃতিতে তাঁর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে আরমানি ইতালিয়ান স্টাইলকে আন্তর্জাতিক ফ্যাশনের শীর্ষে তুলে ধরেন এবং হলিউডের লালগালিচায় নতুন মাত্রা যোগ করেন।
কোম্পানির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মি. আরমানি, যাকে কর্মী ও সহকর্মীরা শ্রদ্ধাভরে ডাকতেন, তিনি শান্তিপূর্ণভাবে পরিবারের উপস্থিতিতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন।’ বিবৃতিতে তাঁকে ‘এক অদম্য চালিকা শক্তি’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়।
পরিবার ও কর্মীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়—আরমানি যে ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তুলেছিলেন, তাঁর উত্তরাধিকার তাঁরা সম্মান ও আন্তরিকতায় ধরে রাখবেন।
১৯৩৪ সালে উত্তর ইতালির পিয়াচেঞ্জায় জন্ম নেওয়া আরমানি শুরুতে চিকিৎসা বিদ্যা নিয়ে পড়লেও পরে ফ্যাশন জগতে প্রবেশ করেন। ১৯৫৭ সালে মিলানের ‘লা রিনাসেন্তে’ ডিপার্টমেন্ট স্টোরে উইন্ডো ড্রেসার হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। পরে ডিজাইনার নিনো চেরুতির অধীনে কাজ করার সময় তিনি স্যুট জ্যাকেটের ঐতিহ্যবাহী কাঠামো ভেঙে নতুনত্ব আনেন। ১৯৭৫ সালে স্থপতি সার্জিও গালিওত্তির সঙ্গে মিলে গড়ে তোলেন ‘জর্জিও আরমানি’ ব্র্যান্ড।
৮০ ’র দশকে তাঁর ডিজাইন হলিউডে সাড়া ফেলে। রিচার্ড গেরের ‘আমেরিকান গিগোলো’ সিনেমায় আরমানির স্যুট নতুন স্ট্যাটাস সিম্বল হয়ে ওঠে। এরপর আরমানি হয়ে ওঠেন রেড কার্পেট ফ্যাশনের অন্যতম ভরসার নাম। আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার, সোফিয়া লরেন, শন কনারি থেকে শুরু করে অসংখ্য তারকা আরমানির পোশাকে হাজির হয়েছেন।
গালিওত্তির মৃত্যুর পর ১৯৮৫ সাল থেকে কোম্পানির একক মালিক ছিলেন জর্জিও আরমানি। পরে তিনি এম্পোরিও আরমানি, আরমানি জিনস, আরমানি এক্সচেঞ্জ সহ বহুমুখী ধারা চালু করেন। দুবাইয়ের বুর্জ খলিফায় বিলাসবহুল হোটেলসহ মিলানের কেন্দ্রস্থলে একটি বিশাল আরমানি কমপ্লেক্সও গড়ে তোলেন।
ফ্যাশনের বাইরে খেলাধুলার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন জর্জিও আরমানি। ২০০৮ সালে তিনি ইতালির সফল বাস্কেটবল দল অলিম্পিয়া মিলানো কিনে নেন এবং পরবর্তীতে ইতালির অলিম্পিক দলের ইউনিফর্ম ডিজাইন করেন।
ফ্যাশন জগতে অমর হয়ে থাকা এই ডিজাইনারকে ২০২১ সালে ইতালির অন্যতম সেরা সম্মান ‘গ্র্যান্ড অফিসার অব দ্য অর্ডার অব মেরিট’ দেওয়া হয়। এ ছাড়া তিনি জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর শুভেচ্ছাদূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
ফ্যাশনকে শুধু পোশাকে সীমাবদ্ধ রাখেননি আরমানি; তিনি গড়ে তুলেছেন এক উত্তরাধিকার, যা আজও বিশ্ব ফ্যাশনে অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।

বিশ্বখ্যাত ইতালিয়ান ফ্যাশন ডিজাইনার জর্জিও আরমানি ৯১ বছর বয়সে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) আরমানি গ্রুপ এক বিবৃতিতে তাঁর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে আরমানি ইতালিয়ান স্টাইলকে আন্তর্জাতিক ফ্যাশনের শীর্ষে তুলে ধরেন এবং হলিউডের লালগালিচায় নতুন মাত্রা যোগ করেন।
কোম্পানির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মি. আরমানি, যাকে কর্মী ও সহকর্মীরা শ্রদ্ধাভরে ডাকতেন, তিনি শান্তিপূর্ণভাবে পরিবারের উপস্থিতিতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন।’ বিবৃতিতে তাঁকে ‘এক অদম্য চালিকা শক্তি’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়।
পরিবার ও কর্মীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়—আরমানি যে ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তুলেছিলেন, তাঁর উত্তরাধিকার তাঁরা সম্মান ও আন্তরিকতায় ধরে রাখবেন।
১৯৩৪ সালে উত্তর ইতালির পিয়াচেঞ্জায় জন্ম নেওয়া আরমানি শুরুতে চিকিৎসা বিদ্যা নিয়ে পড়লেও পরে ফ্যাশন জগতে প্রবেশ করেন। ১৯৫৭ সালে মিলানের ‘লা রিনাসেন্তে’ ডিপার্টমেন্ট স্টোরে উইন্ডো ড্রেসার হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। পরে ডিজাইনার নিনো চেরুতির অধীনে কাজ করার সময় তিনি স্যুট জ্যাকেটের ঐতিহ্যবাহী কাঠামো ভেঙে নতুনত্ব আনেন। ১৯৭৫ সালে স্থপতি সার্জিও গালিওত্তির সঙ্গে মিলে গড়ে তোলেন ‘জর্জিও আরমানি’ ব্র্যান্ড।
৮০ ’র দশকে তাঁর ডিজাইন হলিউডে সাড়া ফেলে। রিচার্ড গেরের ‘আমেরিকান গিগোলো’ সিনেমায় আরমানির স্যুট নতুন স্ট্যাটাস সিম্বল হয়ে ওঠে। এরপর আরমানি হয়ে ওঠেন রেড কার্পেট ফ্যাশনের অন্যতম ভরসার নাম। আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার, সোফিয়া লরেন, শন কনারি থেকে শুরু করে অসংখ্য তারকা আরমানির পোশাকে হাজির হয়েছেন।
গালিওত্তির মৃত্যুর পর ১৯৮৫ সাল থেকে কোম্পানির একক মালিক ছিলেন জর্জিও আরমানি। পরে তিনি এম্পোরিও আরমানি, আরমানি জিনস, আরমানি এক্সচেঞ্জ সহ বহুমুখী ধারা চালু করেন। দুবাইয়ের বুর্জ খলিফায় বিলাসবহুল হোটেলসহ মিলানের কেন্দ্রস্থলে একটি বিশাল আরমানি কমপ্লেক্সও গড়ে তোলেন।
ফ্যাশনের বাইরে খেলাধুলার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন জর্জিও আরমানি। ২০০৮ সালে তিনি ইতালির সফল বাস্কেটবল দল অলিম্পিয়া মিলানো কিনে নেন এবং পরবর্তীতে ইতালির অলিম্পিক দলের ইউনিফর্ম ডিজাইন করেন।
ফ্যাশন জগতে অমর হয়ে থাকা এই ডিজাইনারকে ২০২১ সালে ইতালির অন্যতম সেরা সম্মান ‘গ্র্যান্ড অফিসার অব দ্য অর্ডার অব মেরিট’ দেওয়া হয়। এ ছাড়া তিনি জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর শুভেচ্ছাদূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
ফ্যাশনকে শুধু পোশাকে সীমাবদ্ধ রাখেননি আরমানি; তিনি গড়ে তুলেছেন এক উত্তরাধিকার, যা আজও বিশ্ব ফ্যাশনে অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির কঠোরপন্থী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৩৩ মিনিট আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
১ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
১ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
২ ঘণ্টা আগে