আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগন বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক জোট ন্যাটোর একাধিক পরামর্শমূলক গ্রুপে অংশগ্রহণ কমানোর পরিকল্পনা করছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক কর্মকর্তার মতে, ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার যে উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসন নিয়েছে, এটি তারই সর্বশেষ ইঙ্গিত।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে প্রায় ২০০ জন মার্কিন সামরিক সদস্য প্রভাবিত হবেন। মূলত ন্যাটোর ৩০টি ‘সেন্টারস অব এক্সেলেন্সে’ যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ কমে যাবে। এসব কেন্দ্র বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধকৌশল ও সামরিক দক্ষতায় ন্যাটো বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। প্রশাসনের পরিকল্পনার বিস্তারিত জানাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলেছেন।
সব সদস্যকে একসঙ্গে প্রত্যাহার করা হবে না। বরং যাদের মেয়াদ শেষ হবে, তাদের জায়গায় নতুন করে কাউকে পাঠানো হবে না—এভাবেই ধীরে ধীরে সংখ্যা কমানো হবে। দুই মার্কিন কর্মকর্তার মতে, এই প্রক্রিয়ায় কয়েক বছর লেগে যেতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি এসব কেন্দ্র থেকে সরে যাচ্ছে না বলেও তারা জানিয়েছেন।
যেসব পরামর্শমূলক গ্রুপে কাটছাঁটের পরিকল্পনা রয়েছে, তার মধ্যে—জ্বালানি নিরাপত্তা ও নৌযুদ্ধ বিষয়ক গ্রুপও আছে বলে দুই ইউরোপীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এ ছাড়া বিশেষ অভিযান ও গোয়েন্দা কার্যক্রম সংক্রান্ত ন্যাটোর আনুষ্ঠানিক সংস্থাগুলোতেও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা কমানো হবে বলে দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তবে তাদের একজন বলেন, এসব ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু দায়িত্ব ন্যাটোর ভেতর অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হবে, ফলে সিদ্ধান্তটির প্রভাব সীমিত থাকতে পারে।
দুই মার্কিন কর্মকর্তার মতে, এই সিদ্ধান্ত কয়েক মাস ধরেই বিবেচনায় ছিল। তাদের একজন স্পষ্ট করে বলেন, ডেনমার্কের অধীন গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের উসকানিমূলক বক্তব্য ইউরোপীয় নেতাদের পাশাপাশি কংগ্রেসের বহু আইনপ্রণেতার তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। তাদের আশঙ্কা, এতে ন্যাটো জোটের অপূরণীয় ও অপ্রয়োজনীয় ক্ষতি হতে পারে।
পেন্টাগনের এক মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেননি। ন্যাটোর এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, ‘মার্কিন বাহিনীর অবস্থান ও জনবল সংক্রান্ত সমন্বয় নতুন কিছু নয়।’ তিনি আরও বলেন, সামগ্রিক বাহিনী বণ্টন নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ন্যাটো নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে।
ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপে তাদের সামরিক উপস্থিতি কমিয়ে আনছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় মিত্রদের ওপর নিজেদের সম্মিলিত প্রতিরক্ষার দায়িত্ব আরও বেশি নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে প্রশাসন। গত বছর পেন্টাগন হঠাৎ ঘোষণা দেয়, তারা রোমানিয়া থেকে এক ব্রিগেড সেনা প্রত্যাহার করবে এবং রাশিয়ার সীমান্তঘেঁষা তিনটি বাল্টিক দেশকে দেওয়া নিরাপত্তা সহায়তা কর্মসূচি কমাবে। ইউক্রেনে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের আগ্রাসনের কারণে ন্যাটো ও ক্রেমলিনের মধ্যে সরাসরি সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের চাপের মুখে ন্যাটো গত গ্রীষ্মে সিদ্ধান্ত নেয়, আগামী ১০ বছরে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়িয়ে জিডিপির ৫ শতাংশে নেওয়া হবে। এর মধ্যে দেড় শতাংশ ব্যয় করা হবে অবকাঠামো ও অন্যান্য বেসামরিক প্রকল্পে। কংগ্রেসের কয়েকজন প্রভাবশালী রিপাবলিকানসহ অনেক আইনপ্রণেতা ইউরোপে প্রশাসনের এসব সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। তারা পেন্টাগনের নির্দেশনা সত্ত্বেও প্রভাবিত নিরাপত্তা সহায়তা কর্মসূচিগুলোর জন্য অর্থায়ন নিশ্চিত করতে কাজ করছেন।
এ ছাড়া, কংগ্রেস এমন একটি আইন পাস করেছে, যাতে ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বড় ধরনেরভাবে কমানোর আগে পেন্টাগনকে কংগ্রেসের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। আইনে বলা হয়েছে, ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের মোট সেনাসংখ্যা ৭৬ হাজারের নিচে নামলে এই শর্ত প্রযোজ্য হবে। বর্তমানে সেখানে প্রায় ৮০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।
যদিও প্রত্যাহার হতে যাওয়া সেনাসংখ্যা ইউরোপে অবস্থানরত মোট মার্কিন সেনার তুলনায় খুবই কম, তবে বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তা মনে করেন, এতে ন্যাটো জোটের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। কারণ এতে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যবান সামরিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।
বাইডেন প্রশাসনের সময়ে পেন্টাগনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা লরেন স্পেরানজা বলেন, ‘আমাদের অনেক কর্মীর বাস্তব যুদ্ধ ও অভিযান পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে, যা তারা এসব কেন্দ্রে কাজে লাগান। মার্কিন কর্মীদের সরিয়ে নিলে এক ধরনের ব্রেইন ড্রেইন বা মেধাপাচার ঘটবে।’

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগন বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক জোট ন্যাটোর একাধিক পরামর্শমূলক গ্রুপে অংশগ্রহণ কমানোর পরিকল্পনা করছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক কর্মকর্তার মতে, ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার যে উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসন নিয়েছে, এটি তারই সর্বশেষ ইঙ্গিত।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে প্রায় ২০০ জন মার্কিন সামরিক সদস্য প্রভাবিত হবেন। মূলত ন্যাটোর ৩০টি ‘সেন্টারস অব এক্সেলেন্সে’ যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ কমে যাবে। এসব কেন্দ্র বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধকৌশল ও সামরিক দক্ষতায় ন্যাটো বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। প্রশাসনের পরিকল্পনার বিস্তারিত জানাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলেছেন।
সব সদস্যকে একসঙ্গে প্রত্যাহার করা হবে না। বরং যাদের মেয়াদ শেষ হবে, তাদের জায়গায় নতুন করে কাউকে পাঠানো হবে না—এভাবেই ধীরে ধীরে সংখ্যা কমানো হবে। দুই মার্কিন কর্মকর্তার মতে, এই প্রক্রিয়ায় কয়েক বছর লেগে যেতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি এসব কেন্দ্র থেকে সরে যাচ্ছে না বলেও তারা জানিয়েছেন।
যেসব পরামর্শমূলক গ্রুপে কাটছাঁটের পরিকল্পনা রয়েছে, তার মধ্যে—জ্বালানি নিরাপত্তা ও নৌযুদ্ধ বিষয়ক গ্রুপও আছে বলে দুই ইউরোপীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এ ছাড়া বিশেষ অভিযান ও গোয়েন্দা কার্যক্রম সংক্রান্ত ন্যাটোর আনুষ্ঠানিক সংস্থাগুলোতেও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা কমানো হবে বলে দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তবে তাদের একজন বলেন, এসব ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু দায়িত্ব ন্যাটোর ভেতর অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হবে, ফলে সিদ্ধান্তটির প্রভাব সীমিত থাকতে পারে।
দুই মার্কিন কর্মকর্তার মতে, এই সিদ্ধান্ত কয়েক মাস ধরেই বিবেচনায় ছিল। তাদের একজন স্পষ্ট করে বলেন, ডেনমার্কের অধীন গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের উসকানিমূলক বক্তব্য ইউরোপীয় নেতাদের পাশাপাশি কংগ্রেসের বহু আইনপ্রণেতার তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। তাদের আশঙ্কা, এতে ন্যাটো জোটের অপূরণীয় ও অপ্রয়োজনীয় ক্ষতি হতে পারে।
পেন্টাগনের এক মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেননি। ন্যাটোর এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, ‘মার্কিন বাহিনীর অবস্থান ও জনবল সংক্রান্ত সমন্বয় নতুন কিছু নয়।’ তিনি আরও বলেন, সামগ্রিক বাহিনী বণ্টন নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ন্যাটো নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে।
ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপে তাদের সামরিক উপস্থিতি কমিয়ে আনছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় মিত্রদের ওপর নিজেদের সম্মিলিত প্রতিরক্ষার দায়িত্ব আরও বেশি নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে প্রশাসন। গত বছর পেন্টাগন হঠাৎ ঘোষণা দেয়, তারা রোমানিয়া থেকে এক ব্রিগেড সেনা প্রত্যাহার করবে এবং রাশিয়ার সীমান্তঘেঁষা তিনটি বাল্টিক দেশকে দেওয়া নিরাপত্তা সহায়তা কর্মসূচি কমাবে। ইউক্রেনে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের আগ্রাসনের কারণে ন্যাটো ও ক্রেমলিনের মধ্যে সরাসরি সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের চাপের মুখে ন্যাটো গত গ্রীষ্মে সিদ্ধান্ত নেয়, আগামী ১০ বছরে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়িয়ে জিডিপির ৫ শতাংশে নেওয়া হবে। এর মধ্যে দেড় শতাংশ ব্যয় করা হবে অবকাঠামো ও অন্যান্য বেসামরিক প্রকল্পে। কংগ্রেসের কয়েকজন প্রভাবশালী রিপাবলিকানসহ অনেক আইনপ্রণেতা ইউরোপে প্রশাসনের এসব সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। তারা পেন্টাগনের নির্দেশনা সত্ত্বেও প্রভাবিত নিরাপত্তা সহায়তা কর্মসূচিগুলোর জন্য অর্থায়ন নিশ্চিত করতে কাজ করছেন।
এ ছাড়া, কংগ্রেস এমন একটি আইন পাস করেছে, যাতে ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বড় ধরনেরভাবে কমানোর আগে পেন্টাগনকে কংগ্রেসের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। আইনে বলা হয়েছে, ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের মোট সেনাসংখ্যা ৭৬ হাজারের নিচে নামলে এই শর্ত প্রযোজ্য হবে। বর্তমানে সেখানে প্রায় ৮০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।
যদিও প্রত্যাহার হতে যাওয়া সেনাসংখ্যা ইউরোপে অবস্থানরত মোট মার্কিন সেনার তুলনায় খুবই কম, তবে বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তা মনে করেন, এতে ন্যাটো জোটের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। কারণ এতে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যবান সামরিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।
বাইডেন প্রশাসনের সময়ে পেন্টাগনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা লরেন স্পেরানজা বলেন, ‘আমাদের অনেক কর্মীর বাস্তব যুদ্ধ ও অভিযান পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে, যা তারা এসব কেন্দ্রে কাজে লাগান। মার্কিন কর্মীদের সরিয়ে নিলে এক ধরনের ব্রেইন ড্রেইন বা মেধাপাচার ঘটবে।’

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মী আদিত্যর দুপুরের খাবার গরম করা নিয়ে আপত্তি তুললে হয়রানির সূত্রপাত হয়। আদিত্য পালং পনির গরম করছিলেন, যা উত্তর ভারতের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খাবার। ওই কর্মীর অভিযোগ ছিল, খাবারটি থেকে ‘কড়া গন্ধ’ আসছিল।
৩২ মিনিট আগে
এক প্রতিবেদনে দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশন আগামী ৫ মার্চের নির্বাচনের জন্য ২০ জানুয়ারিকে প্রার্থী নিবন্ধনের শেষ সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। প্রচলিত আইন অনুযায়ী, কোনো নির্বাচিত প্রতিনিধি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাইলে তাঁকে অবশ্যই আগে পদত্যাগ করতে হবে।
২ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাঠানো বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। আজ বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ঘোষণায় নেতানিয়াহুর দপ্তর জানায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে...
২ ঘণ্টা আগে
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আগামী সপ্তাহের চীন সফর করবেন। এই সময়ে ব্রিটেন ও চীন ব্যবসায়িক সংলাপে এক ‘সোনালি যুগ’ পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্য নিয়েছে। এ উদ্যোগ সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এমনটাই জানিয়েছে। উভয় দেশের শীর্ষ নির্বাহীরা এতে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে