
আফ্রিকার সেনাশাসিত তিন দেশ—মালি, বুরকিনা ফাসো ও নাইজার সম্প্রতি এক প্রতিরক্ষা জোট গঠন করেছে। নাম দেওয়া হয়েছে সাহেল প্রতিরক্ষা জোট। দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ মোকাবিলা এবং বহিঃশক্তির আগ্রাসন থেকে বাঁচতে একে অপরকে রক্ষা করতেই এই জোট গঠন করা হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গতকাল শনিবার দেশ তিনটির নেতারা এই জোট গঠনে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুসারে, জোটের কোনো দেশ কখনো কোনো বিপদে পড়লে এমনকি সামরিকভাবে বিপদের মুখে পড়লে জোটের অন্য সদস্য দেশগুলো তাকে রক্ষা করবে। এর আগে দেশ তিনটির মধ্যে স্বাক্ষরিত লিপটাকো-গুরমা চার্টারে স্বাক্ষর করে। এবার সেই চার্টারের সম্প্রসারণ হিসেবে গঠিত হলো ‘সাহেল প্রতিরক্ষা জোট’।
চুক্তিতে বলা হয়েছে, ‘চুক্তিবদ্ধ এক বা একাধিক দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর যেকোনো আক্রমণ অন্যান্য পক্ষের বিরুদ্ধে আগ্রাসন বলে বিবেচিত হবে।’ চুক্তিতে আরও বলা হয়েছে, এটি কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ সশস্ত্র বিদ্রোহ প্রতিরোধ বা নিষ্পত্তি করতে কাজ করার জন্য তিনটি দেশকে আবদ্ধ করে।’
সাহেল প্রতিরক্ষা জোট গঠনের বিষয়ে মালির সামরিক সরকারের প্রধান আসিমি গইতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, ‘আমি আজ বুরকিনা ফাসো ও নাইজারের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে সাহেল অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা ও পারস্পরিক সহায়তা কাঠামো প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লিপটাকো-গুরমা সনদে স্বাক্ষর করেছি।’ লিপটাকো-গুরমা হলো সেই অঞ্চল যেখানে মালি, বুরকিনা ফাসো এবং নাইজারের সীমান্ত মিলিত হয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষরের পর মালির রাজধানী বামাকোতে এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আব্দুলায়ে দিওপ বলেছেন, ‘জোটটি তিন দেশের সামরিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে জোরদার করবে। এ ছাড়া তিন দেশের সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করাও আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

আফ্রিকার সেনাশাসিত তিন দেশ—মালি, বুরকিনা ফাসো ও নাইজার সম্প্রতি এক প্রতিরক্ষা জোট গঠন করেছে। নাম দেওয়া হয়েছে সাহেল প্রতিরক্ষা জোট। দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ মোকাবিলা এবং বহিঃশক্তির আগ্রাসন থেকে বাঁচতে একে অপরকে রক্ষা করতেই এই জোট গঠন করা হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গতকাল শনিবার দেশ তিনটির নেতারা এই জোট গঠনে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুসারে, জোটের কোনো দেশ কখনো কোনো বিপদে পড়লে এমনকি সামরিকভাবে বিপদের মুখে পড়লে জোটের অন্য সদস্য দেশগুলো তাকে রক্ষা করবে। এর আগে দেশ তিনটির মধ্যে স্বাক্ষরিত লিপটাকো-গুরমা চার্টারে স্বাক্ষর করে। এবার সেই চার্টারের সম্প্রসারণ হিসেবে গঠিত হলো ‘সাহেল প্রতিরক্ষা জোট’।
চুক্তিতে বলা হয়েছে, ‘চুক্তিবদ্ধ এক বা একাধিক দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর যেকোনো আক্রমণ অন্যান্য পক্ষের বিরুদ্ধে আগ্রাসন বলে বিবেচিত হবে।’ চুক্তিতে আরও বলা হয়েছে, এটি কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ সশস্ত্র বিদ্রোহ প্রতিরোধ বা নিষ্পত্তি করতে কাজ করার জন্য তিনটি দেশকে আবদ্ধ করে।’
সাহেল প্রতিরক্ষা জোট গঠনের বিষয়ে মালির সামরিক সরকারের প্রধান আসিমি গইতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, ‘আমি আজ বুরকিনা ফাসো ও নাইজারের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে সাহেল অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা ও পারস্পরিক সহায়তা কাঠামো প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লিপটাকো-গুরমা সনদে স্বাক্ষর করেছি।’ লিপটাকো-গুরমা হলো সেই অঞ্চল যেখানে মালি, বুরকিনা ফাসো এবং নাইজারের সীমান্ত মিলিত হয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষরের পর মালির রাজধানী বামাকোতে এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আব্দুলায়ে দিওপ বলেছেন, ‘জোটটি তিন দেশের সামরিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে জোরদার করবে। এ ছাড়া তিন দেশের সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করাও আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
১ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৩ ঘণ্টা আগে