আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোতে একটি ক্যাথলিক গির্জায় সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছে। গতকাল রোববার একদল ব্যক্তি ধর্মীয় উপাসনার জন্য গির্জাটিতে সমবেত হওয়ার পর এই হামলার ঘটনা ঘটে। তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোর সাহেল অঞ্চলের ডোরি শহর থেকে ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত এসসাকানে গ্রামের গির্জায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। গির্জায় বিশপ মনসিনর লরেন্ট ডাবিরে এক বিবৃতিতে বলেছেন, হামলার ঠিক আগে একদল লোক উপাসনার জন্য গির্জায় সমবেত হয়েছিলেন।
বিশপ ১৫ জন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমরা আপনাদের নজরে আনতে চাই যে, ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের ওপর সন্ত্রাসী হামলায় প্রাথমিকভাবে আমরা ১৫ জন নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। যাঁদের মধ্যে ১২ জনই নিহত হয়েছেন ঘটনাস্থলে। এ ছাড়া এই হামলায় আরও অন্তত ২ জন আহত হয়েছেন।’
নিহতদের পরিবারের প্রতি শোক প্রকাশ করে বিশপ বলেন, ‘এই বেদনাদায়ক পরিস্থিতিতে যাঁরা মারা গেছেন তাঁদের আত্মার জন্য, আহতদের নিরাময়ের জন্য ও শোকাহত পরিবারের সান্ত্বনার জন্য সবাইকে প্রার্থনা করার আহ্বান জানাচ্ছি।’
উল্লেখ্য, বুরকিনা ফাসো গত এক দশক ধরে প্রতিবেশী মালি থেকে আসা আল-কায়েদা এবং দায়েশ/আইএসআইএস গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করছে।

ভারত মহাসাগরে মার্কিন সাবমেরিন থেকে ছোড়া টর্পেডো হামলায় নিহত ৮৪ জন ইরানি নাবিকের মরদেহ ইরানে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে শ্রীলঙ্কা। গত ৪ মার্চ যুদ্ধের মূল রণক্ষেত্র থেকে অনেক দূরে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানি ফ্রিগেট ‘আইআরআইএস ডেনা’ ডুবিয়ে দেওয়ার নয় দিন পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
৩৪ মিনিট আগে
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গরা নির্যাতিত হচ্ছে। তাই তিনি শরণার্থী হিসেবে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে নিচ্ছেন। কিন্তু বাস্তবে অনেক শ্বেতাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকান উন্নত জীবনের আশায় নিজেদের দেশেই ফিরে যাচ্ছেন।
২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সামরিক সংঘাতের উত্তাপ বাড়লেও তাতে সরাসরি জড়াতে নারাজ ইউরোপের শক্তিশালী দেশ জার্মানি। জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক মার্জ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও তার মিত্রদের সঙ্গে পশ্চিমা বিশ্বের যে যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছে, বার্লিন কোনোভাবেই সেই যুদ্ধের অংশ হত
২ ঘণ্টা আগে
নারীদের জন্য বাধ্যতামূলক ঋতুকালীন ছুটি বা ‘মেনস্ট্রুয়াল লিভ’ সংক্রান্ত আইন করা হলে তা কর্মক্ষেত্রে তাঁদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। আদালত মনে করেন, এমন আইন থাকলে নিয়োগকর্তারা নারীদের চাকরিতে নিতে অনাগ্রহী হবেন।
২ ঘণ্টা আগে