
তিন বছরে বুরকিনা ফাসোর সোনার খনি খাতে রাজস্ব আয় হয়েছে রেকর্ড ১৮ বিলিয়ন ডলার। সম্প্রতি দেশটির অন্তর্বর্তী সরকার এমনটাই দাবি করেছে। সোমালীয় সংবাদমাধ্যম গ্যারো অনলাইন এ তথ্য জানিয়েছে।
২০২২ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসে দেশটির বর্তমান সরকার। ক্ষমতা নিয়েই ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ত্রাউরে ঘোষণা দিয়েছিলেন, দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের মালিকানা জনগণের হাতে ফেরানো হবে। তাঁর প্রশাসনের দাবি, ক্যাপ্টেনের সেই কথা রেখেছেন তাঁরা। দেশটির খনিবিষয়ক মন্ত্রী বলছেন, অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এবং স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, নিরাপত্তাসহ জনসেবা তহবিল সরবরাহের জন্য সরকারি প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল রাজস্ব।
আফ্রিকার অন্যতম সোনা উৎপাদনকারী দেশ বুরকিনা ফাসো একদিকে যেমন প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ, অন্যদিকে জর্জরিত নিরাপত্তাসংকটে। বিশেষ করে, দেশটির উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোর সহিংসতা এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তবে সেনানিয়ন্ত্রিত সরকার বারবার বলছে, প্রাকৃতিক সম্পদের সম্পূর্ণ সুবিধা দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো হবে।
তবে বেসরকারি গবেষক ও নাগরিক সমাজের অনেকে এই দাবির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের মতে, রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে স্বাধীন তদারকি ও নিয়মিত প্রতিবেদন থাকা জরুরি, যাতে এই অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না, তা জনগণ জানতে পারে।

ভারত মহাসাগরে মার্কিন সাবমেরিন থেকে ছোড়া টর্পেডো হামলায় নিহত ৮৪ জন ইরানি নাবিকের মরদেহ ইরানে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে শ্রীলঙ্কা। গত ৪ মার্চ যুদ্ধের মূল রণক্ষেত্র থেকে অনেক দূরে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানি ফ্রিগেট ‘আইআরআইএস ডেনা’ ডুবিয়ে দেওয়ার নয় দিন পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
৩২ মিনিট আগে
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গরা নির্যাতিত হচ্ছে। তাই তিনি শরণার্থী হিসেবে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে নিচ্ছেন। কিন্তু বাস্তবে অনেক শ্বেতাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকান উন্নত জীবনের আশায় নিজেদের দেশেই ফিরে যাচ্ছেন।
২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সামরিক সংঘাতের উত্তাপ বাড়লেও তাতে সরাসরি জড়াতে নারাজ ইউরোপের শক্তিশালী দেশ জার্মানি। জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক মার্জ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও তার মিত্রদের সঙ্গে পশ্চিমা বিশ্বের যে যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছে, বার্লিন কোনোভাবেই সেই যুদ্ধের অংশ হত
২ ঘণ্টা আগে
নারীদের জন্য বাধ্যতামূলক ঋতুকালীন ছুটি বা ‘মেনস্ট্রুয়াল লিভ’ সংক্রান্ত আইন করা হলে তা কর্মক্ষেত্রে তাঁদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। আদালত মনে করেন, এমন আইন থাকলে নিয়োগকর্তারা নারীদের চাকরিতে নিতে অনাগ্রহী হবেন।
২ ঘণ্টা আগে