সমকামিতার বিরুদ্ধে সবচেয়ে কঠোর আইন পাস করেছে আফ্রিকার দেশ উগান্ডা। মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে দেশটির প্রেসিডেন্ট ইউরি মুসাভেনি অ্যান্টিহোমোসেক্সুয়ালিটি বিলে সই করেছেন। তবে এর সমালোচনা করছে পশ্চিমা দেশগুলো। এমনকি নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে দেশটির ওপর।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা যায়, উগান্ডায় সমকামী সম্পর্ক আগে থেকেই অবৈধ। আফ্রিকার আরও ৩০টির বেশি দেশে সমকামিতা অবৈধ। কিন্তু উগান্ডার মতো এত কঠোর আইন কোনো দেশে নেই।
সোমবার (২৯ মে) নতুন এই আইনের ঘোষণা দেয় উগান্ডা সরকার। এতে কেউ সমকামিতায় দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। আর ১৮ বছরের নিচে কারও সঙ্গে সমকামী যৌন সম্পর্ক থাকলে কিংবা কারও মধ্যে এইচআইভি/এইডসের মতো প্রাণঘাতী ভাইরাস সংক্রমিত হলে নতুন আইনে মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। এ ছাড়া সমকামিতার প্রচার চালানোর ক্ষেত্রে ২০ বছরের সাজার বিধান রাখা হয়েছে নতুন আইনে।
চলতি মাসের শুরুর দিকে উগান্ডার আইনপ্রণেতারা সমকামিতাবিরোধী খসড়া বিল পাস করেন। ওই সময় বলা হয়, পশ্চিমা অনৈতিকতা থেকে উগান্ডার মূল্যবোধ রক্ষা করার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের বৈদেশিক হস্তক্ষেপ প্রতিহত করারও ঘোষণা দেওয়া হয়।
এদিকে উগান্ডার কঠোর এই আইনের কড়া সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আইনটির বিরুদ্ধে উগান্ডার উচ্চ আদালতে আবেদন করার ঘোষণা দিয়েছে হিউম্যান রাইটস অ্যাওয়ারনেস অ্যান্ড প্রমোশন ফোরাম এবং আরও ১০টি মানবাধিকার সংগঠন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, এই চুক্তিটি নিশ্চিত করার আগে তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘চমৎকার’ আলোচনা করেছেন। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন দুই
৮ ঘণ্টা আগে
উদ্বেগের বিষয় হলো, যেহেতু দুই দেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, তাই ইরান তাদের মাইনের বিস্তারিত মানচিত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের জন্য একটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
গত সপ্তাহে প্রথম দফার আলোচনা শেষ হলেও মধ্যস্থতাকারী ও সহায়তাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা শেষ হয়ে যায়নি। বরং এই প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ইরান সফর করছেন।
১০ ঘণ্টা আগে