ফিচার ডেস্ক

শিশুর মনোবল বাড়ানোর জন্য মা-বাবা, অভিভাবক ও শিক্ষকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। মনোবিজ্ঞানীরা বিভিন্ন গবেষণা থেকে শিশুর মনোবল বাড়ানোর কিছু কার্যকরী কৌশল খুঁজে পেয়েছেন। এসব কৌশল শিশুর শারীরিক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তুলতে সাহায্য করবে।
শিশুদের প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে দিন
শিশুদের সব সময় কঠিন বা প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে দূরে রাখা উচিত নয়। মাঝে মাঝে সমস্যা বা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সুযোগ তাদের দেওয়া উচিত। এর মাধ্যমে তারা শিখবে, কীভাবে চাপের মধ্যে কাজ করা যায় এবং সমস্যার সমাধান করতে হয়। সমস্যা সমাধান করলে শিশুদের আত্মবিশ্বাস ও মনোবল বাড়তে থাকবে। এই অভিজ্ঞতা তাদের মানসিকভাবে শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যতে বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজে আসবে।
সাহসী হতে উদ্বুদ্ধ করুন
নায়ক বা হিরোরা যেসব গল্পে ঝুঁকি নিয়ে বিজয়ী হয়, শিশুরা সাধারণত সে রকম গল্প শুনতে ভালোবাসে। অভিভাবক বা শিক্ষকেরা যদি নিজেদের জীবনের এমন গল্পগুলো তাদের শোনান, তবে শিশুদের মনে সাহস ও প্রেরণা জাগবে। তারা নিজেও ঝুঁকি নিতে সাহসী হয়ে উঠবে এবং নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত হবে।
সমস্যা সমাধানে ছোট ধাপের প্রক্রিয়া
বড় সমস্যাগুলো শিশুদের কাছে ছোট ছোট ধাপে ভাগ করে সমাধানে সহায়তা করুন। যখন শিশু বড় সমস্যাকে ছোট ধাপে ভাগের পর সমাধান করতে পারে, তখন তাদের মনোবল ও ঘটনা বিশ্লেষণ করার প্রবণতা বাড়ে। ফলে তারা আরও বড় সমস্যা সহজে সমাধান করতে পারে।
সাফল্যে প্রশংসা করুন
শিশুরা ছোট বা বড়—যেকোনো সাফল্যে উচ্ছ্বসিত হয়। তাদের সাফল্যে প্রশংসা করলে এটি তাদের উৎসাহ বাড়ায়। মনস্তত্ত্ববিদদের মতে, প্রশংসা উৎসাহ বাড়ানোর প্রথম সোপান। যখন শিশু একটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সফল হয় এবং তার প্রচেষ্টার জন্য প্রশংসিত হয়, তখন তার মধ্যে আরও বড় চ্যালেঞ্জ গ্রহণের সাহস তৈরি হয়। শিশুর সাফল্যকে উদ্যাপন করা তার আত্মবিশ্বাস ও মনোবল বাড়ার অন্যতম উপায়।
নতুন চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুত করুন
সব সময় শিশুদের সমস্যা থেকে দূরে রাখতে চাইলে তাদের মানসিক দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। শিশুকে প্রতিকূল অবস্থার সম্মুখীন না করলে তার মানসিক শক্তি গড়ে উঠবে না। শিশুদের মনোবল বাড়ানোর জন্য, তাদের নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে উৎসাহিত করা উচিত। এর মাধ্যমে তারা বুঝবে, বিপদ বা সমস্যার সম্মুখীন হওয়া ভয়াবহ কিছু নয়; বরং এটি জীবনকে আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করে তোলে।
শিশুদের মনোবল গড়ে তোলা একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এটি শুধু তাদের শারীরিক বিকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়; বরং তাদের মানসিক এবং আবেগিক স্বাস্থ্যের জন্যও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মা-বাবা, অভিভাবক ও শিক্ষকেরা যদি সঠিক পদক্ষেপ নেন, তাহলে শিশুদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, সাহস ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার ক্ষমতা গড়ে ওঠে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

শিশুর মনোবল বাড়ানোর জন্য মা-বাবা, অভিভাবক ও শিক্ষকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। মনোবিজ্ঞানীরা বিভিন্ন গবেষণা থেকে শিশুর মনোবল বাড়ানোর কিছু কার্যকরী কৌশল খুঁজে পেয়েছেন। এসব কৌশল শিশুর শারীরিক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তুলতে সাহায্য করবে।
শিশুদের প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে দিন
শিশুদের সব সময় কঠিন বা প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে দূরে রাখা উচিত নয়। মাঝে মাঝে সমস্যা বা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সুযোগ তাদের দেওয়া উচিত। এর মাধ্যমে তারা শিখবে, কীভাবে চাপের মধ্যে কাজ করা যায় এবং সমস্যার সমাধান করতে হয়। সমস্যা সমাধান করলে শিশুদের আত্মবিশ্বাস ও মনোবল বাড়তে থাকবে। এই অভিজ্ঞতা তাদের মানসিকভাবে শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যতে বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজে আসবে।
সাহসী হতে উদ্বুদ্ধ করুন
নায়ক বা হিরোরা যেসব গল্পে ঝুঁকি নিয়ে বিজয়ী হয়, শিশুরা সাধারণত সে রকম গল্প শুনতে ভালোবাসে। অভিভাবক বা শিক্ষকেরা যদি নিজেদের জীবনের এমন গল্পগুলো তাদের শোনান, তবে শিশুদের মনে সাহস ও প্রেরণা জাগবে। তারা নিজেও ঝুঁকি নিতে সাহসী হয়ে উঠবে এবং নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত হবে।
সমস্যা সমাধানে ছোট ধাপের প্রক্রিয়া
বড় সমস্যাগুলো শিশুদের কাছে ছোট ছোট ধাপে ভাগ করে সমাধানে সহায়তা করুন। যখন শিশু বড় সমস্যাকে ছোট ধাপে ভাগের পর সমাধান করতে পারে, তখন তাদের মনোবল ও ঘটনা বিশ্লেষণ করার প্রবণতা বাড়ে। ফলে তারা আরও বড় সমস্যা সহজে সমাধান করতে পারে।
সাফল্যে প্রশংসা করুন
শিশুরা ছোট বা বড়—যেকোনো সাফল্যে উচ্ছ্বসিত হয়। তাদের সাফল্যে প্রশংসা করলে এটি তাদের উৎসাহ বাড়ায়। মনস্তত্ত্ববিদদের মতে, প্রশংসা উৎসাহ বাড়ানোর প্রথম সোপান। যখন শিশু একটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সফল হয় এবং তার প্রচেষ্টার জন্য প্রশংসিত হয়, তখন তার মধ্যে আরও বড় চ্যালেঞ্জ গ্রহণের সাহস তৈরি হয়। শিশুর সাফল্যকে উদ্যাপন করা তার আত্মবিশ্বাস ও মনোবল বাড়ার অন্যতম উপায়।
নতুন চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুত করুন
সব সময় শিশুদের সমস্যা থেকে দূরে রাখতে চাইলে তাদের মানসিক দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। শিশুকে প্রতিকূল অবস্থার সম্মুখীন না করলে তার মানসিক শক্তি গড়ে উঠবে না। শিশুদের মনোবল বাড়ানোর জন্য, তাদের নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে উৎসাহিত করা উচিত। এর মাধ্যমে তারা বুঝবে, বিপদ বা সমস্যার সম্মুখীন হওয়া ভয়াবহ কিছু নয়; বরং এটি জীবনকে আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করে তোলে।
শিশুদের মনোবল গড়ে তোলা একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এটি শুধু তাদের শারীরিক বিকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়; বরং তাদের মানসিক এবং আবেগিক স্বাস্থ্যের জন্যও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মা-বাবা, অভিভাবক ও শিক্ষকেরা যদি সঠিক পদক্ষেপ নেন, তাহলে শিশুদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, সাহস ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার ক্ষমতা গড়ে ওঠে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
১ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
২ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
২ দিন আগে
ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
২ দিন আগে