দাঁত শুধু হাসির সৌন্দর্য নয়, সুস্থ দাঁত না থাকলে খাবার খাওয়া থেকে শুরু করে কথা বলা পর্যন্ত দৈনন্দিন জীবনের অনেক কাজে ভোগান্তি তৈরি হয়। অথচ দাঁতের ব্যথা, ক্ষয় বা দাগকে অনেকে বয়সজনিত কিংবা স্বাভাবিক ভেবে অবহেলা করেন। বিশেষ করে টক খাবার বেশি খাওয়া, দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস থাকা, সময়মতো স্কেলিং না করা অথবা পারিবারিক প্রবণতা—এসব কারণ দাঁতের নানা সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে।

দাঁতে ক্ষয় ও শিরশিরে ব্যথা
দাঁতে ব্যথা অনেক কারণে হতে পারে। আগে কারণ শনাক্ত করে চিকিৎসা নিলে সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে। দাঁতের গোড়ায় পাথর জমা অথবা দাঁতে ক্ষয় বা দাঁতে ক্যাভিটি কিংবা গর্ত থাকলে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। বাসায় কুসুম গরম পানিতে এক চিমটি লবণ দিয়ে কুলকুচা করতে হবে দিনে তিন থেকে চারবার। দাঁতের শিরশির ভাব রোধে কিছু টুথপেস্ট পাওয়া যায়, সেগুলো দাঁতের গোড়ায় দুই মিনিট লাগিয়ে রেখে ব্রাশ করলে উপকার মিলবে।
দাঁতের ওপরের চিবানোর অংশ ক্ষয় হয়ে যাওয়া, শক্ত কিছু খেতে গেলে ব্যথা হওয়া কিংবা মিষ্টি কিংবা খেজুর, চকলেটের মতো খাবারে হঠাৎ তীব্র ব্যথা অনুভূত হওয়া—এগুলো দাঁতের ভেতরের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস থাকলে মাড়ি ও দাঁতের সংক্রমণের ঝুঁকিও বেশি থাকে। তাই ব্যথা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে দেরি না করে বিডিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ।

বেশি টক খাবার কি দাঁত ক্ষয়ের কারণ
নিয়মিত ভিটামিন সি-জাতীয় ফল, টক স্যুপ বা অ্যাসিডিক খাবার বেশি খেলে দাঁতের এনামেল ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। যাদের পরিবারে দাঁত ক্ষয়ের ইতিহাস আছে, তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি। আশার কথা হলো, দাঁতের ক্ষয় পুরোপুরি ঠিক করা সম্ভব। ক্ষয়ের মাত্রা অনুযায়ী ফিলিং, ভিনিয়ার, ক্রাউনসহ বিভিন্ন চিকিৎসা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে খুব শক্ত খাবার একেবারে এড়িয়ে না গিয়ে বরং আঁশযুক্ত খাবার বেশি খাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় ক্যালসিয়াম-সমৃদ্ধ খাবার রাখা দাঁতের জন্য উপকারী।

স্কেলিং করালে কি দাঁত নরম হয়ে যায়
স্কেলিং করালে দাঁতের গোড়া নরম হয়ে যায়, এটি ভুল ধারণা। আসলে চিকিৎসকের কাছে যখন স্কেলিংয়ের রোগীরা যায়, তত দিনে তাদের দাঁতের গোড়ায় অনেক বেশি পাথর জমে। ফলে স্কেলিং করে সেই পাথর সরানোর কারণে মাড়ি অনেক সরে যায়। এই মাড়ি আগের অবস্থায় আসতে কিছু সময় লাগে। এই সময়টুকুতে অনেকে মনে করেন, দাঁতের গোড়া নরম হয়ে গেছে বা দাঁত আলগা হয়ে গেছে। স্কেলিং করার নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। দাঁতে ক্যালকুলাস কিংবা পাথর জমলে স্কেলিং করানো প্রয়োজন। অনেকের ছয় মাস পরপর, আবার অনেকের পাঁচ-ছয় বছর পর স্কেলিং করালেও চলে। তবে একজন বিডিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসককে দেখিয়ে স্কেলিং করানো ভালো। দাঁতের দাগ স্কেলিং করালেই চলে যাবে, কিন্তু দাঁত সাদা করা যাবে না। দাঁত সাদা করার জন্য অন্য চিকিৎসা আছে।

আঁকাবাঁকা দাঁত এবং উচ্চারণে সমস্যা
দাঁত আঁকাবাঁকা হওয়ার বিভিন্ন কারণ রয়েছে। শিশুর দুধদাঁত পড়ে আসল দাঁত ওঠার একটা নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। সেই সময়ের আগে বা পরে দুধদাঁত ফেলে দিলে আসল দাঁত ওঠে আঁকাবাঁকা হয়ে। জিহ্বা ভারী অথবা জিহ্বার কোনো ধরনের অস্বাভাবিকতা থাকলে কথায় একধরনের জড়তা আসে। সেসব ক্ষেত্রে যদি কথা বলতে সমস্যা না হয়, তাহলে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। শিশুর দাঁত তোলার ক্ষেত্রে বিডিএস ডিগ্রিধারী একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। যেসব দাঁত নড়ে পড়ে যাবে, সেগুলো নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। কারণ, এসব দাঁতের ক্ষেত্রে বুঝতে হবে, নিচে আসল দাঁত চলে এসেছে, তাই দুধদাঁত নড়ছে। যদি এমন হয় যে দুধদাঁত নড়ছে না, কিন্তু আসল দাঁত চলে আসছে, তাহলে দ্রুততম সময়ে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে দুধদাঁত ফেলে দিতে হবে।
চিকিৎসকের পরামর্শ: ডা. পূজা সাহা, ডেন্টাল সার্জন সিকদার ডেন্টাল কেয়ার, মিরপুর, ঢাকা

হামে আক্রান্ত এক বছরের ছেলেকে নিয়ে টানা প্রায় তিন মাস হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ঘুরেছেন পিরোজপুরের জাকির হোসেন (ছদ্মনাম)। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ছেলের বেশ জ্বর হলে তাকে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসা শেষে ১ মার্চ বাড়ি যাওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
১ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৬৩ জনে। এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৩২।
১১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সরকারের জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) চলমান কার্যক্রমকে আরও বেশি বেগবান, গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে তিন লাখ ৮৩ হাজার ডোজ পোলিও টিকা দিয়েছে চীনের শীর্ষস্থানীয় টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক....
১৫ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৮ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫৬ জনে। এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪২৪।
১ দিন আগে