বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ২০২১ সালে প্রণীত এমবিবিএস কারিকুলামের অ্যানাটমি আরও ক্লিনিক্যাল ব্যবহার এবং বাস্তবসম্মত প্রয়োগ নিশ্চিতের দাবিতে অ্যানাটমিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের দুইদিনব্যাপী বৈজ্ঞানিক কর্মশালা ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন কক্সবাজারের একটি হোটেলে আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন- কর্মশালার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে ২০২১ সালের কারিকুলামের সিদ্ধান্তসমূহ যেনো একসঙ্গে সবগুলো মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদেরকে একই পদ্ধতিতে শিক্ষাদান এবং পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। তাহলে দেশে আরও সুযোগ্য এবং মানসম্মত চিকিৎসক তৈরি করা সম্ভব হবে। এই কর্মশালায় সমগ্র বাংলাদেশের মোট ১১৭টি মেডিকেল কলেজ (৬টি আমি মেডিকেল কলেজসহ) থেকে মোট ১৩২ জন অ্যানাটমির বিশেষজ্ঞ শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।
আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট এনাটমিস্ট অধ্যাপক খন্দকার মাঞ্জারে শামীম, অ্যানাটমিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক শামীম আরা, সাধারণ সম্পাদক ডা. এএইচএম মোস্তফা কামাল, বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. রোকসানা আহমেদ।
পোস্টার প্রেজেন্টেশনের সময় অ্যাডভান্স অ্যানাটমির বিভিন্ন প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। যা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের অ্যানাটমিস্টদেরকে আরও চৌকশ করে তুলবে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তুর মধ্যে অন্যতম ছিল অ্যানাটমির ইতিহাস, অর্গান ডোনেশন, ভ্রুনবিদ্যা, জেনেটিক্স ইত্যাদি।
এই কর্মশালার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলো বিশেষঞ্জ অ্যানাটমিস্টদেরকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করে তাদের কাছ থেকে আরও নতুন নতুন পঠনমূলক পরামর্শ সংগ্রহ করা। যা উঠে এসেছে সম্প্রতি শেষ হয়ে যাওয়া ১ম পেশাগত এমবিবিএস পরীক্ষা ২০২৩ এর অ্যানাটমি বিষয়ক পরীক্ষা থেকে।
ফলে পরবর্তী পরীক্ষাসমূহ আরও ফলপ্রসূভাবে অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীরা ওরিয়েন্টেড হবে, দৈনন্দিন আরও ক্লিনিক্যাল কার্যে ব্যবহার্য অ্যানাটমির বিভিন্ন বাস্তব প্রয়োগ সম্পর্কে সম্পর্ক জ্ঞান লাভ করবে।

সরকারের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩০ শিশুর। তাদের মধ্যে ঢাকায় সর্বোচ্চ ১৭টি, বরিশালে পাঁচ, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে তিনটি করে ছয়টি এবং ময়মনসিংহে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
এক সময় যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় নির্মূল হয়ে যাওয়া হাম এখন দেশটির জনস্বাস্থ্যের জন্য নতুন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)-এর সর্বশেষ তথ্য ও গবেষণায় দেখা গেছে, দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে হামের প্রাদুর্ভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
১২ ঘণ্টা আগে
দেশে এক বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। বছরে দুবার এই ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা থাকলেও গত দুই বছরে হয়েছে দুবার। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সূত্র বলছে, ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত কৌশলগত পরিকল্পনা বা ওপির মাধ্যমে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল কেনা ও বিতরণ হতো।
২১ ঘণ্টা আগে
ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক বলে জানিয়েছেন শিশু ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, এ বয়সে হামে আক্রান্ত হওয়া তুলনামূলকভাবে বিরল হলেও সম্প্রতি এমন ঘটনা বাড়ছে। এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে মায়ের শরীর থেকে পাওয়া রোগ প্রতিরোধক্ষমতা শিশুর মধ্যে যথাযথভাবে সঞ্চারিত
১ দিন আগে