
সিলেটের বন্যাকবলিত এলাকায় চিকিৎসকদের জরুরি নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। আজ বুধবার সচিবালয়ে সকালে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমে সিলেট বিভাগের স্বাস্থ্যসেবা কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক জরুরি সভায় যুক্ত হয়ে ডায়রিয়া ও পানিবাহিত বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি নির্দেশনা দেন তিনি।
এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এসব এলাকায় ডায়রিয়া এবং পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রে পর্যাপ্ত স্যালাইন ও ওষুধ মজুত রাখতে হবে। এ ছাড়া হাসপাতালে বিষধর সাপের প্রতিষেধক (এন্টিভেনম) মজুত রাখা এবং যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে মন্ত্রী সবার প্রতি আহ্বান জানান। সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকার সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে বন্যা–পরবর্তী যথাযথ চিকিৎসাসেবা প্রদানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। এ সময় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির প্রমুখ অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।
এদিকে দুপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিদর্শন করেন। তিনি মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি ল্যাব, বায়োকেমিস্ট্রি ল্যাব, প্যাথলজি ল্যাব পরিদর্শন করেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর স্বাস্থ্যমন্ত্রী এভারকেয়ার হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এ সময় হাসপাতালটির প্রয়োজনীয় অনুমোদন এবং কাগজপত্র যাচাই করেন।
এভারকেয়ার হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকার মিরপুরের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল ও কার্ডিয়াক সেন্টার পরিদর্শন করেন। সেখানে জরুরি বিভাগ, আইসিইউ, এইচডিইউ, সিসিইউ পরিদর্শন করেন এবং আগত রোগী, রোগীর স্বজন ও ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে হাসপাতালের কাগজপত্র দেখেন এবং অনুমোদিত শয্যার বাইরে রোগী ভর্তি না করতে ও সব সময় পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রাখতে নির্দেশনা দেন।

সিলেটের বন্যাকবলিত এলাকায় চিকিৎসকদের জরুরি নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। আজ বুধবার সচিবালয়ে সকালে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমে সিলেট বিভাগের স্বাস্থ্যসেবা কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক জরুরি সভায় যুক্ত হয়ে ডায়রিয়া ও পানিবাহিত বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি নির্দেশনা দেন তিনি।
এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এসব এলাকায় ডায়রিয়া এবং পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রে পর্যাপ্ত স্যালাইন ও ওষুধ মজুত রাখতে হবে। এ ছাড়া হাসপাতালে বিষধর সাপের প্রতিষেধক (এন্টিভেনম) মজুত রাখা এবং যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে মন্ত্রী সবার প্রতি আহ্বান জানান। সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকার সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে বন্যা–পরবর্তী যথাযথ চিকিৎসাসেবা প্রদানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। এ সময় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির প্রমুখ অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।
এদিকে দুপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিদর্শন করেন। তিনি মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি ল্যাব, বায়োকেমিস্ট্রি ল্যাব, প্যাথলজি ল্যাব পরিদর্শন করেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর স্বাস্থ্যমন্ত্রী এভারকেয়ার হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এ সময় হাসপাতালটির প্রয়োজনীয় অনুমোদন এবং কাগজপত্র যাচাই করেন।
এভারকেয়ার হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকার মিরপুরের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল ও কার্ডিয়াক সেন্টার পরিদর্শন করেন। সেখানে জরুরি বিভাগ, আইসিইউ, এইচডিইউ, সিসিইউ পরিদর্শন করেন এবং আগত রোগী, রোগীর স্বজন ও ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে হাসপাতালের কাগজপত্র দেখেন এবং অনুমোদিত শয্যার বাইরে রোগী ভর্তি না করতে ও সব সময় পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রাখতে নির্দেশনা দেন।

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
৩ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৬ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৭ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৭ দিন আগে