ফ্যাক্টচেক ডেস্ক

দেশে সংবাদমাধ্যম থেকে সোশ্যাল মিডিয়া, সর্বত্রই আলোচনার শীর্ষে প্রশ্ন ফাঁস। এ আলোচনার মধ্যেই গতকাল শুক্রবার (১২ জুলাই) অনুষ্ঠিত বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে দাবিতে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ‘ইঞ্জি. নাজমুল সরকার’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে গত বুধবার (১০ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টায় গণিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ছবি পোস্ট করে দাবি করা হয়, ‘পরীক্ষা শুরুর একদিন আগেই ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনের স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষার গণিত প্রশ্নের প্রথম পৃষ্ঠার ছবি আপলোড করা হলো। এখান থেকে শতভাগ কমন আসবে।’
ফেসবুক অ্যাকাউন্টটির প্রোফাইল ছবিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপপ্রেস সচিব (ডিপিএস) এম এম ইমরুল কায়েসের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। ছবিটিতে এম এম ইমরুল কায়েসকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধনের গণিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের দাবিটি সবচেয়ে বেশি ভাইরাল হয়েছে ‘সোলাইমান চৌধুরী (Solaiman Chowdhury)’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে।
এই অ্যাকাউন্টে প্রশ্নপত্রের ছবিটি পোস্ট করা হয় বুধবার (১০ জুলাই) রাত ৮টা ২৯ মিনিটে। এই পোস্টেও হুবহু একই ক্যাপশন দেওয়া হয়েছে। পোস্টটিতে আজ শনিবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা পৌনে ৭টা পর্যন্ত প্রায় ৯০০ রিয়েকশন পড়েছে, শেয়ার হয়েছে প্রায় ৫০০। এই অ্যাকাউন্টের প্রোফাইল ছবিতে সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের সঙ্গে ফুলের তোড়াসহ এক ব্যক্তিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
দাবিটির সত্যতা যাচাইয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের দাবিটি প্রচারকারী ফেসবুক অ্যাকাউন্ট দুটি পর্যবেক্ষণ করে আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগ। এর মধ্যে সোলাইমান চৌধুরী নামের অ্যাকাউন্টটির পরিচয়ে লেখা— সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট। অ্যাকাউন্টটির লোকেশন দেওয়া ঢাকা। ফলোয়ার সংখ্যা সাড়ে ৪ হাজারের বেশি। এসব তথ্যের বাইরে অ্যাকাউন্টটির ব্যাপারে আর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অ্যাকাউন্টটিতে গত ২৬ এপ্রিল থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত ৫টি পোস্ট করা হয়েছে। পোস্টগুলো পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁস, মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল পরিবর্তন সংক্রান্ত।
সবশেষ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধনের গণিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের পোস্টটি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পোস্টটি একাধিকবার এডিট করা হয়েছে। পোস্টটির এডিট হিস্ট্রি যাচাই করে দেখা যায়, পোস্টটি বুধবার (১০ জুলাই) রাত ৮টা ২৯ মিনিটে যখন করা হয়, তখন কেবল একটি ডট (.) দিয়ে পোস্টটি করা হয়। সেটিতে প্রশ্নপত্রের কোনো ছবি ছিল না এবং কোনো রিয়েকশনও ছিল না। পরে গতকাল শুক্রবার (১২ জুলাই) দুপুর ২টা ৫৭ মিনিটে পোস্টটিতে গণিতের প্রশ্নপত্রের ছবিটি যুক্ত করা হয়। পোস্টটিতে এনগেজমেন্ট এসেছে প্রশ্নপত্রের ছবিটি যুক্ত করার পরেই।
প্রসঙ্গত, ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা গত শুক্রবার (১২ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের আটটি বিভাগীয় শহরের বিভিন্ন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়।
‘ইঞ্জি. নাজমুল সরকার’ নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া প্রশ্নপত্রের ছবি সংবলিত পোস্টটি যাচাই করে একই ফলাফল পাওয়া যায়। এই অ্যাকাউন্টের পরিচয়েও সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট দাবি করা হয়েছে। অ্যাকাউন্টটিতে গত ২৯ জুন থেকে আজ শনিবার (১৩ জুলাই) পর্যন্ত মোট তিনটি পোস্ট পাওয়া যায়। এর মধ্যে একটি পোস্ট উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার বাংলা প্রথম পত্রের বহুনির্বাচনি অংশের প্রশ্নপত্রের।
অ্যাকাউন্টটিতে বুধবার (১০ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টায় কেবল একটি ডট (.) দিয়ে পোস্টটি করা হয়। পরে শুক্রবার পরীক্ষা শেষে বিকেল ৩টায় পোস্টটিতে গণিতের প্রশ্নপত্রের ছবিটি যুক্ত করা হয়েছে। পোস্টটিতে এনগেজমেন্ট এসেছে প্রশ্নপত্রের ছবিটি যুক্ত করার পরেই।
অর্থাৎ সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ডিপিএসের ছবিযুক্ত অ্যাকাউন্ট দুটি থেকে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধনের গণিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদের প্রশ্নপত্র ফাঁসের দাবিটি সঠিক নয়। মূলত, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশব্যাপী পরীক্ষা শেষে আগেই দিয়ে রাখা পোস্ট সম্পাদনার মাধ্যমে প্রশ্নপত্রের ছবিটি যুক্ত করা হয়েছে। অ্যাকাউন্টগুলোতে দাবি করা প্রশ্নফাঁসের অন্যান্য পোস্টগুলোও একইভাবে করা হয়েছে।
যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব (ডিপিএস) এম এম ইমরুল কায়েস
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব (ডিপিএস) এম এম ইমরুল কায়েস গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট দিয়ে বলেন, ‘আমার ছবি ব্যবহার করে ফেক আইডি খোলা হয়েছে; ইতিমধ্যে পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে বিষয়টি অবহিত করেছি। সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করছি।’

দেশে সংবাদমাধ্যম থেকে সোশ্যাল মিডিয়া, সর্বত্রই আলোচনার শীর্ষে প্রশ্ন ফাঁস। এ আলোচনার মধ্যেই গতকাল শুক্রবার (১২ জুলাই) অনুষ্ঠিত বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে দাবিতে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ‘ইঞ্জি. নাজমুল সরকার’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে গত বুধবার (১০ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টায় গণিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ছবি পোস্ট করে দাবি করা হয়, ‘পরীক্ষা শুরুর একদিন আগেই ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনের স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষার গণিত প্রশ্নের প্রথম পৃষ্ঠার ছবি আপলোড করা হলো। এখান থেকে শতভাগ কমন আসবে।’
ফেসবুক অ্যাকাউন্টটির প্রোফাইল ছবিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপপ্রেস সচিব (ডিপিএস) এম এম ইমরুল কায়েসের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। ছবিটিতে এম এম ইমরুল কায়েসকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধনের গণিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের দাবিটি সবচেয়ে বেশি ভাইরাল হয়েছে ‘সোলাইমান চৌধুরী (Solaiman Chowdhury)’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে।
এই অ্যাকাউন্টে প্রশ্নপত্রের ছবিটি পোস্ট করা হয় বুধবার (১০ জুলাই) রাত ৮টা ২৯ মিনিটে। এই পোস্টেও হুবহু একই ক্যাপশন দেওয়া হয়েছে। পোস্টটিতে আজ শনিবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা পৌনে ৭টা পর্যন্ত প্রায় ৯০০ রিয়েকশন পড়েছে, শেয়ার হয়েছে প্রায় ৫০০। এই অ্যাকাউন্টের প্রোফাইল ছবিতে সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের সঙ্গে ফুলের তোড়াসহ এক ব্যক্তিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
দাবিটির সত্যতা যাচাইয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের দাবিটি প্রচারকারী ফেসবুক অ্যাকাউন্ট দুটি পর্যবেক্ষণ করে আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগ। এর মধ্যে সোলাইমান চৌধুরী নামের অ্যাকাউন্টটির পরিচয়ে লেখা— সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট। অ্যাকাউন্টটির লোকেশন দেওয়া ঢাকা। ফলোয়ার সংখ্যা সাড়ে ৪ হাজারের বেশি। এসব তথ্যের বাইরে অ্যাকাউন্টটির ব্যাপারে আর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অ্যাকাউন্টটিতে গত ২৬ এপ্রিল থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত ৫টি পোস্ট করা হয়েছে। পোস্টগুলো পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁস, মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল পরিবর্তন সংক্রান্ত।
সবশেষ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধনের গণিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের পোস্টটি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পোস্টটি একাধিকবার এডিট করা হয়েছে। পোস্টটির এডিট হিস্ট্রি যাচাই করে দেখা যায়, পোস্টটি বুধবার (১০ জুলাই) রাত ৮টা ২৯ মিনিটে যখন করা হয়, তখন কেবল একটি ডট (.) দিয়ে পোস্টটি করা হয়। সেটিতে প্রশ্নপত্রের কোনো ছবি ছিল না এবং কোনো রিয়েকশনও ছিল না। পরে গতকাল শুক্রবার (১২ জুলাই) দুপুর ২টা ৫৭ মিনিটে পোস্টটিতে গণিতের প্রশ্নপত্রের ছবিটি যুক্ত করা হয়। পোস্টটিতে এনগেজমেন্ট এসেছে প্রশ্নপত্রের ছবিটি যুক্ত করার পরেই।
প্রসঙ্গত, ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা গত শুক্রবার (১২ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের আটটি বিভাগীয় শহরের বিভিন্ন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়।
‘ইঞ্জি. নাজমুল সরকার’ নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া প্রশ্নপত্রের ছবি সংবলিত পোস্টটি যাচাই করে একই ফলাফল পাওয়া যায়। এই অ্যাকাউন্টের পরিচয়েও সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট দাবি করা হয়েছে। অ্যাকাউন্টটিতে গত ২৯ জুন থেকে আজ শনিবার (১৩ জুলাই) পর্যন্ত মোট তিনটি পোস্ট পাওয়া যায়। এর মধ্যে একটি পোস্ট উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার বাংলা প্রথম পত্রের বহুনির্বাচনি অংশের প্রশ্নপত্রের।
অ্যাকাউন্টটিতে বুধবার (১০ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টায় কেবল একটি ডট (.) দিয়ে পোস্টটি করা হয়। পরে শুক্রবার পরীক্ষা শেষে বিকেল ৩টায় পোস্টটিতে গণিতের প্রশ্নপত্রের ছবিটি যুক্ত করা হয়েছে। পোস্টটিতে এনগেজমেন্ট এসেছে প্রশ্নপত্রের ছবিটি যুক্ত করার পরেই।
অর্থাৎ সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ডিপিএসের ছবিযুক্ত অ্যাকাউন্ট দুটি থেকে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধনের গণিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদের প্রশ্নপত্র ফাঁসের দাবিটি সঠিক নয়। মূলত, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশব্যাপী পরীক্ষা শেষে আগেই দিয়ে রাখা পোস্ট সম্পাদনার মাধ্যমে প্রশ্নপত্রের ছবিটি যুক্ত করা হয়েছে। অ্যাকাউন্টগুলোতে দাবি করা প্রশ্নফাঁসের অন্যান্য পোস্টগুলোও একইভাবে করা হয়েছে।
যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব (ডিপিএস) এম এম ইমরুল কায়েস
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব (ডিপিএস) এম এম ইমরুল কায়েস গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট দিয়ে বলেন, ‘আমার ছবি ব্যবহার করে ফেক আইডি খোলা হয়েছে; ইতিমধ্যে পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে বিষয়টি অবহিত করেছি। সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করছি।’

সম্প্রতি আজকের পত্রিকার নাম ও ফটোকার্ড ব্যবহার করে ‘হরেকৃষ্ণ হরিবোল, দাঁড়িপাল্লা টেনে তোলঃ পরওয়ার’ শিরোনামে একটি ভুয়া ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
০৩ নভেম্বর ২০২৫
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রাতের রাস্তার মাঝখানে এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি এক হাতে একটি স্বচ্ছ বোতল, অপর হাতে বাঘের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। এমনকি বাঘটির মুখে বোতল গুঁজে দিতেও দেখা যায় তাঁকে।
০২ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পাকিস্তানের যৌথবাহিনীর চেয়ারম্যানকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল যুক্ত বাংলাদেশের মানচিত্রসংবলিত পতাকা উপহার দিয়েছেন বলে ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের দাবি সম্পূর্ণ অসত্য ও কল্পনাপ্রসূত বলে জানিয়েছে সিএ (প্রধান উপদেষ্টা) ফ্যাক্ট চেক।
২৮ অক্টোবর ২০২৫
একটি মেরিন পার্কে এক নারী প্রশিক্ষককে চুবিয়ে হত্যা করেছে অরকা বা কিলার তিমি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
১৩ আগস্ট ২০২৫