ফ্যাক্টচেক ডেস্ক

‘অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এক ব্যক্তি কোমল পানীয় কোকাকোলার বোতলে কোক সদৃশ তরল ঢুকাচ্ছেন’—এমন একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ‘সালাউদ্দিন হালাল (Shalahuddin Halal)’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) ২১ সেকেন্ডের ভিডিওটি শেয়ার করে দাবি করা হয়, বাংলাদেশে নকল কোকাকোলা তৈরির ভিডিও এটি। ভিডিওটি আজ শুক্রবার (২৯ মার্চ) দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৩ লাখ বার দেখা হয়েছে, শেয়ার হয়েছে এক হাজারের কাছাকাছি। ‘সোনারগাঁওকন্ঠ’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকেও ভিডিওটি ‘বাংলাদেশে কোকাকোলার কারখানা’ শিরোনামে একই দিনে পোস্ট করা হয়েছে। এ পেজ থেকে ভিডিওটি দেখা হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার বার এবং এখান থেকেও ভিডিওটি এক হাজারের কাছাকাছি শেয়ার হয়েছে।
ভিডিওটি বাংলাদেশের কি না তা যাচাই করে দেখেছে আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া নকল কোকাকোলার ভিডিওটি ভালোভাবে শুনে এখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের উর্দু ভাষায় কথা বলতে শোনা যায়। এ থেকে ভিডিওটি বাংলাদেশের দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত ভিডিওগুলোর সত্যতা সম্পর্কে সন্দেহ করে আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগ।
এই সন্দেহের সূত্রে রিভার্স ইমেজ অনুসন্ধানে পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম এমএমনিউজডটটিভিতে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। এতে বলা হয়, ভিডিওটি প্রথম পোস্ট করা হয় পাকিস্তানভিত্তিক ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ‘পাপারাজ্জি ম্যাগাজিনে’। ভিডিওটিতে এটি কোথায় ধারণ করা হয়েছে সেটির কোনো উল্লেখ নেই। এমএমনিউজডটটিভির প্রতিবেদনে পাপারাজ্জি ম্যাগাজিনের পোস্টের লিংকটিও যুক্ত করে দেওয়া হয়। তবে ভিডিওটির সত্যতা বা বোতলগুলো আসলেই কোকাকোলার পণ্য নাকি নকল তা নিশ্চিত করতে পারেনি এমএম নিউজ।
এই সূত্রে কি-ওয়ার্ড অনুসন্ধানে ‘করাচী আপডেট’ নামের পাকিস্তানভিত্তিক একটি ফেসবুক পেজে বাংলাদেশে কোকাকোলা নকল করা হচ্ছে দাবিতে প্রচারিত ভিডিওটি খুঁজে পাওয়া যায়। পেজে ভিডিওটি গত ২৭ মার্চ পোস্ট করা হয়। পোস্টে ব্যঙ্গ করে উর্দু ভাষায় বলা হয়, কোকাকোলা খাও এবং দীর্ঘজীবী হও। এখন আর বলতে হবে না কোকাকোলা ইহুদিদের পণ্য। এটি আমাদের নিজেদের তৈরি ‘মেড ইন পাকিস্তান’ ব্র্যান্ডের কোকাকোলা।
‘সেলিম লাশারি’ নামের আরেকটি পাকিস্তানভিত্তিক ফেসবুক পেজে একই দিনে ভাইরাল ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। উর্দু ভাষায় পোস্টটির শিরোনামে ব্যঙ্গ করে লেখা হয়, পেপসি ও কোক বয়কট করবেন না। কারণ এগুলো এখন পাকিস্তানের গুজরানওয়ালা শহরে মুসলমান ভাইয়েরা নিজেরাই তৈরি করছে।
পরে আরও খুঁজে গুজরানওয়ালায় নকল কোমল পানীয় তৈরির বিষয়ে বার্তা সংস্থা এএফপিসহ একাধিক ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠানের ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। এসব প্রতিবেদনে প্রাপ্ত ছবি ও তথ্যের সঙ্গে সম্প্রতি নকল কোকাকোলা তৈরির ভিডিওটির সাদৃশ্য পাওয়া যায়।
এ ছাড়া ভাইরাল ভিডিওটিতে কোকাকোলার মোড়কে বোতলের আকার ১ দশমিক ৫ লিটার দেখা যায়। তবে কোকাকোলা বাংলাদেশের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশে কোকাকোলার এমন আকৃতির বোতল উৎপাদন হয় না। বাংলাদেশে সাধারণত বড় আকারের কোকাকোলার মধ্যে ১ লিটার, ১ দশমিক ২৫ লিটার ও ২ লিটারের বোতল উৎপাদন করা হয়ে থাকে। মোড়কের গায়ে ‘কোকাকোলা’ লেখাটিও সাধারণত বাংলা ভাষাতেই লেখা হয়।
অপরদিকে ভাইরাল ভিডিওটির মোড়কে ‘কোকাকোলা’ লেখাটি ইংরেজিতে রয়েছে। এ ছাড়া পাকিস্তানের বেশ কিছু পণ্য বেচার ওয়েবসাইট সূত্রে দেশটির বাজারে ১ দশমিক ৫ লিটার কোকাকোলার বোতল বিক্রির তথ্য পাওয়া যায়। পাশাপাশি কোনো নির্ভরযোগ্য সংবাদ মাধ্যম সূত্রে বাংলাদেশে কোকাকোলা নকল করার ভাইরাল দাবিটির পক্ষে কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
উল্লিখিত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে এটি স্পষ্ট, নকল কোকাকোলা তৈরির ভাইরাল ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়।

‘অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এক ব্যক্তি কোমল পানীয় কোকাকোলার বোতলে কোক সদৃশ তরল ঢুকাচ্ছেন’—এমন একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ‘সালাউদ্দিন হালাল (Shalahuddin Halal)’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) ২১ সেকেন্ডের ভিডিওটি শেয়ার করে দাবি করা হয়, বাংলাদেশে নকল কোকাকোলা তৈরির ভিডিও এটি। ভিডিওটি আজ শুক্রবার (২৯ মার্চ) দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৩ লাখ বার দেখা হয়েছে, শেয়ার হয়েছে এক হাজারের কাছাকাছি। ‘সোনারগাঁওকন্ঠ’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকেও ভিডিওটি ‘বাংলাদেশে কোকাকোলার কারখানা’ শিরোনামে একই দিনে পোস্ট করা হয়েছে। এ পেজ থেকে ভিডিওটি দেখা হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার বার এবং এখান থেকেও ভিডিওটি এক হাজারের কাছাকাছি শেয়ার হয়েছে।
ভিডিওটি বাংলাদেশের কি না তা যাচাই করে দেখেছে আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া নকল কোকাকোলার ভিডিওটি ভালোভাবে শুনে এখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের উর্দু ভাষায় কথা বলতে শোনা যায়। এ থেকে ভিডিওটি বাংলাদেশের দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত ভিডিওগুলোর সত্যতা সম্পর্কে সন্দেহ করে আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগ।
এই সন্দেহের সূত্রে রিভার্স ইমেজ অনুসন্ধানে পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম এমএমনিউজডটটিভিতে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। এতে বলা হয়, ভিডিওটি প্রথম পোস্ট করা হয় পাকিস্তানভিত্তিক ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ‘পাপারাজ্জি ম্যাগাজিনে’। ভিডিওটিতে এটি কোথায় ধারণ করা হয়েছে সেটির কোনো উল্লেখ নেই। এমএমনিউজডটটিভির প্রতিবেদনে পাপারাজ্জি ম্যাগাজিনের পোস্টের লিংকটিও যুক্ত করে দেওয়া হয়। তবে ভিডিওটির সত্যতা বা বোতলগুলো আসলেই কোকাকোলার পণ্য নাকি নকল তা নিশ্চিত করতে পারেনি এমএম নিউজ।
এই সূত্রে কি-ওয়ার্ড অনুসন্ধানে ‘করাচী আপডেট’ নামের পাকিস্তানভিত্তিক একটি ফেসবুক পেজে বাংলাদেশে কোকাকোলা নকল করা হচ্ছে দাবিতে প্রচারিত ভিডিওটি খুঁজে পাওয়া যায়। পেজে ভিডিওটি গত ২৭ মার্চ পোস্ট করা হয়। পোস্টে ব্যঙ্গ করে উর্দু ভাষায় বলা হয়, কোকাকোলা খাও এবং দীর্ঘজীবী হও। এখন আর বলতে হবে না কোকাকোলা ইহুদিদের পণ্য। এটি আমাদের নিজেদের তৈরি ‘মেড ইন পাকিস্তান’ ব্র্যান্ডের কোকাকোলা।
‘সেলিম লাশারি’ নামের আরেকটি পাকিস্তানভিত্তিক ফেসবুক পেজে একই দিনে ভাইরাল ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। উর্দু ভাষায় পোস্টটির শিরোনামে ব্যঙ্গ করে লেখা হয়, পেপসি ও কোক বয়কট করবেন না। কারণ এগুলো এখন পাকিস্তানের গুজরানওয়ালা শহরে মুসলমান ভাইয়েরা নিজেরাই তৈরি করছে।
পরে আরও খুঁজে গুজরানওয়ালায় নকল কোমল পানীয় তৈরির বিষয়ে বার্তা সংস্থা এএফপিসহ একাধিক ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠানের ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। এসব প্রতিবেদনে প্রাপ্ত ছবি ও তথ্যের সঙ্গে সম্প্রতি নকল কোকাকোলা তৈরির ভিডিওটির সাদৃশ্য পাওয়া যায়।
এ ছাড়া ভাইরাল ভিডিওটিতে কোকাকোলার মোড়কে বোতলের আকার ১ দশমিক ৫ লিটার দেখা যায়। তবে কোকাকোলা বাংলাদেশের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশে কোকাকোলার এমন আকৃতির বোতল উৎপাদন হয় না। বাংলাদেশে সাধারণত বড় আকারের কোকাকোলার মধ্যে ১ লিটার, ১ দশমিক ২৫ লিটার ও ২ লিটারের বোতল উৎপাদন করা হয়ে থাকে। মোড়কের গায়ে ‘কোকাকোলা’ লেখাটিও সাধারণত বাংলা ভাষাতেই লেখা হয়।
অপরদিকে ভাইরাল ভিডিওটির মোড়কে ‘কোকাকোলা’ লেখাটি ইংরেজিতে রয়েছে। এ ছাড়া পাকিস্তানের বেশ কিছু পণ্য বেচার ওয়েবসাইট সূত্রে দেশটির বাজারে ১ দশমিক ৫ লিটার কোকাকোলার বোতল বিক্রির তথ্য পাওয়া যায়। পাশাপাশি কোনো নির্ভরযোগ্য সংবাদ মাধ্যম সূত্রে বাংলাদেশে কোকাকোলা নকল করার ভাইরাল দাবিটির পক্ষে কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
উল্লিখিত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে এটি স্পষ্ট, নকল কোকাকোলা তৈরির ভাইরাল ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়।

সম্প্রতি আজকের পত্রিকার নাম ও ফটোকার্ড ব্যবহার করে ‘হরেকৃষ্ণ হরিবোল, দাঁড়িপাল্লা টেনে তোলঃ পরওয়ার’ শিরোনামে একটি ভুয়া ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
০৩ নভেম্বর ২০২৫
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রাতের রাস্তার মাঝখানে এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি এক হাতে একটি স্বচ্ছ বোতল, অপর হাতে বাঘের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। এমনকি বাঘটির মুখে বোতল গুঁজে দিতেও দেখা যায় তাঁকে।
০২ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পাকিস্তানের যৌথবাহিনীর চেয়ারম্যানকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল যুক্ত বাংলাদেশের মানচিত্রসংবলিত পতাকা উপহার দিয়েছেন বলে ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের দাবি সম্পূর্ণ অসত্য ও কল্পনাপ্রসূত বলে জানিয়েছে সিএ (প্রধান উপদেষ্টা) ফ্যাক্ট চেক।
২৮ অক্টোবর ২০২৫
একটি মেরিন পার্কে এক নারী প্রশিক্ষককে চুবিয়ে হত্যা করেছে অরকা বা কিলার তিমি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
১৩ আগস্ট ২০২৫