
সম্প্রতি নেপালে ফ্ল্যাশ ফ্লাড বা আকস্মিক বন্যায় বিপুল প্রাণহানি ও ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি কোলাজ ছবি শেয়ার করে দাবি করা হয়েছে, এটি নেপালে বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির ‘আগের ও পরের’ দৃশ্য।
আলোচিত দাবিতে কয়েকটি পোস্ট রয়েছে এখানে, এখানেএবং এখানে।
ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলোর কমেন্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায়, অধিকাংশ ব্যবহারকারী ছবিটিকে সত্য মনে করে সমবেদনা জানিয়েছেন। পোস্টের কমেন্টে একজন লিখেছেন, ‘গভীর শোক ও সমবেদনা জানাচ্ছি’, অন্য একজন বলেন, ‘May Allah bless Nepali people’।
প্রচারিত দাবির বিষয়ে অনুসন্ধানে নেপালের কোনো গণমাধ্যম কিংবা নির্ভরযোগ্য সূত্রে আলোচিত দাবির পক্ষে কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া, ছবিটির স্থান কিংবা সোর্স সম্পর্কেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে দাবির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়।
পরে কোলাজ ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি কি না, তা যাচাই করতে একাধিক এআই কনটেন্ট শনাক্তকারী টুলের সহায়তা নেওয়া হয়। এআই কনটেন্ট শনাক্তকারী টুল ‘হাইভ মডারেশন’-এর বিশ্লেষণে দেখা যায়, ছবিগুলো এআই দিয়ে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা যথাক্রমে ৯৯ শতাংশ এবং ৯৮ শতাংশ।

উল্লেখ্য, আজ সোমবার পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৯০০ ছাড়িয়েছে। নেপাল-চীন সীমান্তের দুই পাশে এখনো ৪ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। গত সপ্তাহের বুধবার বরফ, পাথর, কাদা ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত পাহাড়ি উপত্যকা ও নদীগুলো দিয়ে নেমে এসে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পর এই বিপর্যয় ঘটে।
নেপালের আকস্মিক বন্যায় ধ্বংসযজ্ঞের আগে ও পরের দৃশ্য দাবিতে প্রচারিত কোলাজ ছবিটি বাস্তব নয়। মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি করা কাল্পনিক ছবিকে নেপালের সম্প্রতি বিপর্যয়ের দৃশ্য দাবি করে প্রচার করা হয়েছে।
‘দুইটা ব্যাংক খোলেন। একটার নাম দেন “বিএনপি ব্যাংক”, আরেকটার নাম দেন “জামায়াত ব্যাংক”। এরপর এক মাস পর দুই ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ জনসম্মুখে প্রকাশ করেন। তারপর বুঝব, এই দেশের মানুষ কার কাছে তাদের আমানত রাখতে
৬ দিন আগে
এক বাংলাদেশি হিন্দু তরুণীকে তাঁর বাবার সামনেই মুসলিমরা ধর্ষণ করেছে—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
৬ দিন আগে
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ২৪ আগস্ট আলোচিত দাবিতে ফেসবুকে শেয়ার করা কয়েকটি পোস্ট দেখুন এখানে
৭ দিন আগে
দশকের পর দশক ধরে আমাদের বলা হয়েছে, সুস্থ থাকতে হলে প্রতিদিন টানা আট ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি। এর চেয়ে কম ঘুম হলে চোখে ঝাপসা লাগা, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল হওয়া, ওজন বৃদ্ধি ও দ্রুত বার্ধক্যের মতো নানা সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে—এমন ধারণাও প্রচলিত।
৭ দিন আগে