
‘ওরা আগেই ভালো ছিল। মা ছিল জেলে, ছেলে ছিল লন্ডনে আর নেতা-কর্মীরা ছিল ধানখেতে। আজকে মুক্তি পেয়ে ওরা সংবিধান চিনেছে’—হাসনাত আবদুল্লাহর নামে এমন একটি মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
বিএনপি সরকারের উদ্দেশে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) এমন মন্তব্য করেছেন দাবিতে ছড়ানো ফটোকার্ডটি অনেক ব্যবহারকারী সত্য ধরে নিয়ে শেয়ার ও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
এই দাবিতে একাধিক (১ , ২ , ৩ , ৪ ) পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
‘MD Abdur Rahman’ নামের একটি পেজ থেকে ১২ এপ্রিল বিকেল ৪টা ৫৬ মিনিটে একটি পোস্ট শেয়ার করা হয়। ওই পোস্টটিতে ১৭ এপ্রিল বেলা ১টা পর্যন্ত ১ হাজার ৬০০ রিঅ্যাকশন পড়েছে। এ ছাড়া পোস্টটিতে ৪৬৬ কমেন্ট এবং ৬৭৯ শেয়ার রয়েছে।
আজকের পত্রিকার অনুসন্ধান
ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, বক্তব্যটি হাসনাত আবদুল্লাহর নামে প্রচার করা হলেও কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র, তারিখ বা প্রাসঙ্গিক তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
পরবর্তী সময় সংশ্লিষ্ট কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করে অনুসন্ধান চালানো হলে হাসনাত আবদুল্লাহর কোনো ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট কিংবা দেশীয় গণমাধ্যমে এমন মন্তব্যের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
আরও অনুসন্ধানে জানা যায়, আলোচিত দাবিতে সম্ভাব্য প্রথম পোস্টটি ২ এপ্রিল ‘মোহাম্মদ আল আমিন’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে শেয়ার করা হয়। তবে সেই পোস্টে কোথাও হাসনাত আবদুল্লাহ বা অন্য কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ নেই। ফলে এই বক্তব্যটিই পরবর্তীকালে হাসনাত আবদুল্লাহর নামে বিভ্রান্তিকরভাবে প্রচার করা হচ্ছে বলে ধারণা করা যায়।
সিদ্ধান্ত
ভাইরাল ফটোকার্ডের বক্তব্য হাসনাত আবদুল্লাহর নয়। একজন ব্যবহারকারীর বক্তব্য তাঁর নামে ছড়ানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা-এর নামে একটি বক্তব্য সংবলিত ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দাবি করা হচ্ছে, তিনি বলেছেন—‘আওয়ামী লীগের রাজনীতি হারিয়ে যাওয়ার নয়; বরং ৫০ গুণ শক্তিশালী হয়ে আসবে।’
৬ ঘণ্টা আগে
‘গুম হওয়া বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রীও গুম অধ্যাদেশ বাতিলের পক্ষে ভোট দিয়েছে’—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। গুমের শিকার বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা বর্তমানে বিএনপির সংসদ সদস্য। তাঁর নামে ছড়ানো এই দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
২ দিন আগে
রাজশাহীতে এক ব্যক্তিকে পুলিশের গাড়িতে তোলার পর তাঁর মৃত্যু হয়েছে—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
৩ দিন আগে
‘বর্তমানে বাংলাদেশে কেউ নিরাপত্তা নাই। একজন শিক্ষককে এভাবে আঘাত করা ঠিক না। মেধাবীদের নব্য স্বাধীন বাংলাদেশে একজন শিক্ষকও নিরাপদ নয়’—এমন ক্যাপশনে এক ব্যক্তিকে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
৩ দিন আগে