নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

সদ্য ঘোষিত খুলনা জেলা ও মহানগর আহ্বায়ক কমিটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান না করে পুনর্মূল্যায়নে দাবি জানিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও দলের কেন্দ্রীয় খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও তাঁর সমর্থক নেতা-কর্মীরা। গতকাল দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবের ব্যাংকুয়েট হলে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী সঙ্গে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নজরুল ইসলাম মঞ্জু দলের হাইকমান্ডের কাছে এই দাবি জানিয়েছেন।
তারা বলেন, এই দাবি দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন না হলে খুলনায় বিএনপি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং দলের ত্যাগী নেতা-কর্মী ও জনগণের মধ্যে আস্থাহীনতা দেখা দেবে। এর ফলে চলমান সরকার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রাম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। খুলনা বিএনপির ব্যানারে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগ নিরাময় ও নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করে বলেন, যে মুহূর্তে দলের চেয়ারপারসন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে, সারা দেশের নেতা-কর্মীরা তাঁর সুচিকিৎসা ও মুক্তির দাবিতে রাজপথের আন্দোলনে রয়েছে, ঠিক সেই মুহূর্তে দলের মধ্যে স্বার্থান্বেষী কতিপয় ব্যক্তি কেন্দ্রকে ভুল বুঝিয়ে ও বাস্তব তথ্য গোপন করে জেলা ও নগর বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে।
যা খুলনার সংগ্রামী, ত্যাগী ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা গ্রহণ করেনি। তবে এই দলের এই দুঃসময়ে তারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করছে না এবং পাল্টাপাল্টি কোনো কর্মসূচিও দেবে না। তিনি বলেন, সদ্য ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি পুনর্মূল্যায়নের জন্য তাঁরা অপেক্ষা করবে।
তিনি আশা করেন, দলের হাইকমান্ড বিষয়টি উপলব্ধি করে দ্রুত সময়ের মধ্যে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। আর তারা না হলে তাঁরা এ ব্যাপারে দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন বলে জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, খুলনা মহানগর বিএনপির বেশিরভাগ নেতা-কর্মী তাঁর সঙ্গে রয়েছেন। খুলনা মহানগরীর ৫ থানা ও ওয়ার্ড কমিটির সব সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী সম্মেলন স্থলে উপস্থিত হয়েছে বলে তিনি জানান। এ সময় থানা ও ওয়ার্ড কমিটির নেতা-কর্মীরা হাত তুলে দাঁড়ান।
সম্মেলনে শুরুতে তিনি আবেগঘন বক্তৃতায় বলেন, `আমরা স্তম্ভিত, ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ। রক্তের দাগ শুকানোর আগেই আমরা অযোগ্য ঘোষিত হলাম। কিন্তু কোনো?’
তিনি আরও বলেন, ঘোষিত কমিটিতে যাদের আনা হয়েছে তারা কি আমাদের চেয়ে যোগ্য? আন্দোলন সংগ্রাম, মানবতার সেবায় ও হাজারো কর্মসূচি পালনে আমাদের আমাদের অযোগ্যতা কোথায়? সারা দেশে বিএনপির রাজনীতি চর্চায় অন্যতম মডেল খুলনা মহানগর বিএনপি কেন আক্রমণের শিকার? সারা দেশ খুলনার দিকে তাকিয়ে থাকে যে খুলনায় বিএনপি কর্মীরা যে কোনো সরকার বিরোধী কর্মসূচিতে শক্ত প্রতিবাদ জানাবে, তাইতো খুলনা বিএনপি সবার সেরা।
সেই বিএনপিকে নিয়ে দলের এ অবহেলা কোনো? যারা দল প্রতিষ্ঠার ৪৪ বছরে ৪৪ দিন খুলনায় আসেনি, থাকেনি দল ও দলের নেতা-কর্মীদের পাশে, তিনটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যাদের কোনো ভূমিকা ছিল না, পড়েনি কখনো মিথ্যা মামলায়, থাকেনি আহত কর্মীর পাশে, পড়েনি জানাজা, ছিল না দাফনে ও আহত কর্মীর চিকিৎসা সেবায়।
যারা এই শহরের পাঁচটা রাস্তার নাম জানেন না, বলতে পারবে না পাঁচজন বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম, পাঁচজন খ্যাতনামা ডাক্তারের নাম, পাঁচজন গুণীজনের নাম, পাঁচজন শিক্ষাবিদের নাম। যারা মাঠের কর্মীদের চেনেন। দুই দফা করোনাকালে যাদের জনগণ পাশে পায়নি, তারা চায় খুলনা বিএনপির কর্তৃত্ব, ধিক তাদের প্রতি।” তিনি বলেন, “দল গঠনে নেতৃত্ব প্রাধান্য পেয়েছে শহরের বড় ছিনতাইকারী, কর্মীর খুনির সহযোগী, মাদক কারবারি, মোটরসাইকেল চোর, জুয়াড়ি। পদবঞ্চিত হয়েছে আন্দোলন সংগ্রামে সাহসী ভূমিকা পালনকারী। ”
দলের এই সংকটে প্রয়োজন ধৈর্য, ঐকবদ্ধতা ও আগামীর রাজনীতি নিয়ে সুচিন্তিত সুস্থ ভাবনা এবং সময় উপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে তিনি জানান। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নগর কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মণি, নগর কমিটির নেতা জাফরুল্লাহ খান সাচ্চু প্রমুখ।

সদ্য ঘোষিত খুলনা জেলা ও মহানগর আহ্বায়ক কমিটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান না করে পুনর্মূল্যায়নে দাবি জানিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও দলের কেন্দ্রীয় খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও তাঁর সমর্থক নেতা-কর্মীরা। গতকাল দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবের ব্যাংকুয়েট হলে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী সঙ্গে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নজরুল ইসলাম মঞ্জু দলের হাইকমান্ডের কাছে এই দাবি জানিয়েছেন।
তারা বলেন, এই দাবি দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন না হলে খুলনায় বিএনপি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং দলের ত্যাগী নেতা-কর্মী ও জনগণের মধ্যে আস্থাহীনতা দেখা দেবে। এর ফলে চলমান সরকার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রাম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। খুলনা বিএনপির ব্যানারে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগ নিরাময় ও নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করে বলেন, যে মুহূর্তে দলের চেয়ারপারসন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে, সারা দেশের নেতা-কর্মীরা তাঁর সুচিকিৎসা ও মুক্তির দাবিতে রাজপথের আন্দোলনে রয়েছে, ঠিক সেই মুহূর্তে দলের মধ্যে স্বার্থান্বেষী কতিপয় ব্যক্তি কেন্দ্রকে ভুল বুঝিয়ে ও বাস্তব তথ্য গোপন করে জেলা ও নগর বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে।
যা খুলনার সংগ্রামী, ত্যাগী ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা গ্রহণ করেনি। তবে এই দলের এই দুঃসময়ে তারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করছে না এবং পাল্টাপাল্টি কোনো কর্মসূচিও দেবে না। তিনি বলেন, সদ্য ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি পুনর্মূল্যায়নের জন্য তাঁরা অপেক্ষা করবে।
তিনি আশা করেন, দলের হাইকমান্ড বিষয়টি উপলব্ধি করে দ্রুত সময়ের মধ্যে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। আর তারা না হলে তাঁরা এ ব্যাপারে দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন বলে জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, খুলনা মহানগর বিএনপির বেশিরভাগ নেতা-কর্মী তাঁর সঙ্গে রয়েছেন। খুলনা মহানগরীর ৫ থানা ও ওয়ার্ড কমিটির সব সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী সম্মেলন স্থলে উপস্থিত হয়েছে বলে তিনি জানান। এ সময় থানা ও ওয়ার্ড কমিটির নেতা-কর্মীরা হাত তুলে দাঁড়ান।
সম্মেলনে শুরুতে তিনি আবেগঘন বক্তৃতায় বলেন, `আমরা স্তম্ভিত, ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ। রক্তের দাগ শুকানোর আগেই আমরা অযোগ্য ঘোষিত হলাম। কিন্তু কোনো?’
তিনি আরও বলেন, ঘোষিত কমিটিতে যাদের আনা হয়েছে তারা কি আমাদের চেয়ে যোগ্য? আন্দোলন সংগ্রাম, মানবতার সেবায় ও হাজারো কর্মসূচি পালনে আমাদের আমাদের অযোগ্যতা কোথায়? সারা দেশে বিএনপির রাজনীতি চর্চায় অন্যতম মডেল খুলনা মহানগর বিএনপি কেন আক্রমণের শিকার? সারা দেশ খুলনার দিকে তাকিয়ে থাকে যে খুলনায় বিএনপি কর্মীরা যে কোনো সরকার বিরোধী কর্মসূচিতে শক্ত প্রতিবাদ জানাবে, তাইতো খুলনা বিএনপি সবার সেরা।
সেই বিএনপিকে নিয়ে দলের এ অবহেলা কোনো? যারা দল প্রতিষ্ঠার ৪৪ বছরে ৪৪ দিন খুলনায় আসেনি, থাকেনি দল ও দলের নেতা-কর্মীদের পাশে, তিনটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যাদের কোনো ভূমিকা ছিল না, পড়েনি কখনো মিথ্যা মামলায়, থাকেনি আহত কর্মীর পাশে, পড়েনি জানাজা, ছিল না দাফনে ও আহত কর্মীর চিকিৎসা সেবায়।
যারা এই শহরের পাঁচটা রাস্তার নাম জানেন না, বলতে পারবে না পাঁচজন বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম, পাঁচজন খ্যাতনামা ডাক্তারের নাম, পাঁচজন গুণীজনের নাম, পাঁচজন শিক্ষাবিদের নাম। যারা মাঠের কর্মীদের চেনেন। দুই দফা করোনাকালে যাদের জনগণ পাশে পায়নি, তারা চায় খুলনা বিএনপির কর্তৃত্ব, ধিক তাদের প্রতি।” তিনি বলেন, “দল গঠনে নেতৃত্ব প্রাধান্য পেয়েছে শহরের বড় ছিনতাইকারী, কর্মীর খুনির সহযোগী, মাদক কারবারি, মোটরসাইকেল চোর, জুয়াড়ি। পদবঞ্চিত হয়েছে আন্দোলন সংগ্রামে সাহসী ভূমিকা পালনকারী। ”
দলের এই সংকটে প্রয়োজন ধৈর্য, ঐকবদ্ধতা ও আগামীর রাজনীতি নিয়ে সুচিন্তিত সুস্থ ভাবনা এবং সময় উপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে তিনি জানান। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নগর কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মণি, নগর কমিটির নেতা জাফরুল্লাহ খান সাচ্চু প্রমুখ।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫