পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে উত্তর-পশ্চিম মৎস্য সম্প্রসারণ ও বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের ভঙ্গুর অবস্থা আর নেই। একসময় অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় খামারটি মুখ থুবড়ে পড়ার উপক্রম হয়েছিল।
এখন আগের অবস্থার আমূল পরিবর্তন হয়েছে। এসেছে গলদা চিংড়ি উৎপাদনে সাফল্য, যা বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।
এছাড়া খামারটিতে রয়েছে মাছের পোনা উৎপাদনের জন্য ৪৬টি পুকুর, প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্স ও আবাসিক ভবন। এখানে কার্পজাতীয় রুই, কাতলা, সিলভার, বিগ হেড, গ্রাসকার্প, কালবাউশ, বাটা ও দেশীয় প্রজাতির শিং, মাগুর, কই, গুলসা ট্যাংরা ও পাবদার পোনা উৎপাদন হয়।
রংপুর জেলার ৫৮ উপজেলা, কুড়িগ্রাম ও রংপুর সদরের শুঠিবাড়ী ও দিনাজপুরের বীরগঞ্জে চিংড়ি চাষ সম্প্রসারিত হয়েছে। পার্বতীপুরের মতো তারাও চিংড়ি চাষ করে চাষিদের মধ্যে পোনা বিতরণ করেছে।
এই প্রথম জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে পার্বতীপুর উত্তর-পশ্চিম মৎস্যবীজ উৎপাদন খামার থেকে জেলার ১১টি উপজেলায় প্রায় ৫ মেট্রিক টন পোনা সরবরাহ করা হয়েছে।
পার্বতীপুর উত্তর-পশ্চিম মৎস্য সম্প্রসারণ ও বীজ উৎপাদন খামারের ব্যবস্থাপক মো. মুসা কালিমুল্লা জানান, এটি আদর্শ খামারে পরিণত করা সম্ভব। এ খামারে গলদা চিংড়ি নয়, যেন সাদা সোনা উৎপাদন হচ্ছে। এখানে দেশীয় প্রজাতির শিং, মাগুর, কই, গুলসা ট্যাংরা, পাবদা ও রুই, কাতলা, সিলভার কার্প, বিগ হেড, গ্রাসকার্প, কালবাউশ, বাটাজাতীয় মাছের পোনা উৎপাদন শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, একসময় ধারণা করা হয়েছিল, এ অঞ্চলের মাটি ও পানি চিংড়ি চাষের উপযুক্ত নয়। কিন্তু খামারে সফল গলদা চিংড়ির বীজ উৎপাদন এ অঞ্চলে চিংড়ি চাষের সম্ভাবনাকে অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০২১ সালের জুন কর্মপরিকল্পনায় এই খামারে সাড়ে চার লাখ গলদা চিংড়ি পোনা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। গলদা চিংড়ির পিএল উৎপাদনের ক্ষেত্রে জীবনচক্রের শুরুতে ব্রাউন ওয়াটার বা লোনাপানির দরকার হয়।
এ ক্ষেত্রে কক্সবাজারের পেকুয়া থেকে ব্রাউন ওয়াটার বা লোনাপানি সংগ্রহ করে স্বাদু বা মিঠাপানির সঙ্গে খাপ খাওয়ায়ে পিএল উৎপাদন করা হয়। উৎপাদনের ক্ষেত্রে বরগুনার আমতলীর পায়রা নদী থেকে গলদা চিংড়ির মা মাছ সংগ্রহ করে আনা হয়। মা মাছ থেকে লাভা সংগ্রহ করে ২৮-৩৫ দিনের মধ্যে পিএল উৎপাদন করা হয়।
দিনাজপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মুক্তাদির খান বলেন, এ অঞ্চলে দেশীয় মাছগুলো প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এ মুহূর্তে খামারে চাষি পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মশালা করা হচ্ছে। এ ছাড়া খামারে কাগজে-কলমে যে লোকবল থাকার কথা তা এখানে নেই। তারপরও স্বল্প লোকবল নিয়ে খামারের কাজ সুচারুভাবে করে যাওয়ার চেষ্টা করছেন খামার ব্যবস্থাপক।
রংপুর বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাইনার আলম জানান, খামারটি মাছ চাষের ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়েছে। অব্যবস্থাপনায় খামারটি মুখ থুবড়ে পড়ার উপক্রম হয়েছিল। তবে এখন সে অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। কারণ সব কর্মকর্তা, কর্মচারী দলবদ্ধভাবে কাজ করছেন। এ খামার থেকে প্রায় ১ হাজার ২০০ চাষি মাছের পোনা নিয়ে চাষ করছেন।
পার্বতীপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম প্রামাণিক বলেন, দীর্ঘদিনের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনায় খামারটি পতিত ছিল। বর্তমানে আগের অবস্থার চেয়ে খামারের আমূল পরিবর্তন ঘটেছে।

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে উত্তর-পশ্চিম মৎস্য সম্প্রসারণ ও বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের ভঙ্গুর অবস্থা আর নেই। একসময় অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় খামারটি মুখ থুবড়ে পড়ার উপক্রম হয়েছিল।
এখন আগের অবস্থার আমূল পরিবর্তন হয়েছে। এসেছে গলদা চিংড়ি উৎপাদনে সাফল্য, যা বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।
এছাড়া খামারটিতে রয়েছে মাছের পোনা উৎপাদনের জন্য ৪৬টি পুকুর, প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্স ও আবাসিক ভবন। এখানে কার্পজাতীয় রুই, কাতলা, সিলভার, বিগ হেড, গ্রাসকার্প, কালবাউশ, বাটা ও দেশীয় প্রজাতির শিং, মাগুর, কই, গুলসা ট্যাংরা ও পাবদার পোনা উৎপাদন হয়।
রংপুর জেলার ৫৮ উপজেলা, কুড়িগ্রাম ও রংপুর সদরের শুঠিবাড়ী ও দিনাজপুরের বীরগঞ্জে চিংড়ি চাষ সম্প্রসারিত হয়েছে। পার্বতীপুরের মতো তারাও চিংড়ি চাষ করে চাষিদের মধ্যে পোনা বিতরণ করেছে।
এই প্রথম জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে পার্বতীপুর উত্তর-পশ্চিম মৎস্যবীজ উৎপাদন খামার থেকে জেলার ১১টি উপজেলায় প্রায় ৫ মেট্রিক টন পোনা সরবরাহ করা হয়েছে।
পার্বতীপুর উত্তর-পশ্চিম মৎস্য সম্প্রসারণ ও বীজ উৎপাদন খামারের ব্যবস্থাপক মো. মুসা কালিমুল্লা জানান, এটি আদর্শ খামারে পরিণত করা সম্ভব। এ খামারে গলদা চিংড়ি নয়, যেন সাদা সোনা উৎপাদন হচ্ছে। এখানে দেশীয় প্রজাতির শিং, মাগুর, কই, গুলসা ট্যাংরা, পাবদা ও রুই, কাতলা, সিলভার কার্প, বিগ হেড, গ্রাসকার্প, কালবাউশ, বাটাজাতীয় মাছের পোনা উৎপাদন শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, একসময় ধারণা করা হয়েছিল, এ অঞ্চলের মাটি ও পানি চিংড়ি চাষের উপযুক্ত নয়। কিন্তু খামারে সফল গলদা চিংড়ির বীজ উৎপাদন এ অঞ্চলে চিংড়ি চাষের সম্ভাবনাকে অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০২১ সালের জুন কর্মপরিকল্পনায় এই খামারে সাড়ে চার লাখ গলদা চিংড়ি পোনা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। গলদা চিংড়ির পিএল উৎপাদনের ক্ষেত্রে জীবনচক্রের শুরুতে ব্রাউন ওয়াটার বা লোনাপানির দরকার হয়।
এ ক্ষেত্রে কক্সবাজারের পেকুয়া থেকে ব্রাউন ওয়াটার বা লোনাপানি সংগ্রহ করে স্বাদু বা মিঠাপানির সঙ্গে খাপ খাওয়ায়ে পিএল উৎপাদন করা হয়। উৎপাদনের ক্ষেত্রে বরগুনার আমতলীর পায়রা নদী থেকে গলদা চিংড়ির মা মাছ সংগ্রহ করে আনা হয়। মা মাছ থেকে লাভা সংগ্রহ করে ২৮-৩৫ দিনের মধ্যে পিএল উৎপাদন করা হয়।
দিনাজপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মুক্তাদির খান বলেন, এ অঞ্চলে দেশীয় মাছগুলো প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এ মুহূর্তে খামারে চাষি পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মশালা করা হচ্ছে। এ ছাড়া খামারে কাগজে-কলমে যে লোকবল থাকার কথা তা এখানে নেই। তারপরও স্বল্প লোকবল নিয়ে খামারের কাজ সুচারুভাবে করে যাওয়ার চেষ্টা করছেন খামার ব্যবস্থাপক।
রংপুর বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাইনার আলম জানান, খামারটি মাছ চাষের ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়েছে। অব্যবস্থাপনায় খামারটি মুখ থুবড়ে পড়ার উপক্রম হয়েছিল। তবে এখন সে অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। কারণ সব কর্মকর্তা, কর্মচারী দলবদ্ধভাবে কাজ করছেন। এ খামার থেকে প্রায় ১ হাজার ২০০ চাষি মাছের পোনা নিয়ে চাষ করছেন।
পার্বতীপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম প্রামাণিক বলেন, দীর্ঘদিনের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনায় খামারটি পতিত ছিল। বর্তমানে আগের অবস্থার চেয়ে খামারের আমূল পরিবর্তন ঘটেছে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫