শামিমুজ্জামান, খুলনা

খুলনার ৪ নম্বর ঘাট ও রূপসা ঘাটে ভারতে ইলিশ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধিদের হিড়িক পড়েছে। নির্দিষ্ট কোনো দাম না থাকায় প্রতিনিধিরা অসম প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকা বেশি দিয়েই কিনছেন ইলিশ। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়ার পর থেকে এই ভিড় শুরু হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ অঞ্চল থেকে ২৩ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ইলিশ ক্রয় করছেন। রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে, আরিফ সি ফুড, সেভ অ্যান্ড সেফটি, বাগেরহাট সি ফুড, আলফা এগ্রো, সাউদার্ন ফুড, রূপসা ফিশ অ্যান্ড অ্যালাইড, রহমানিয়া ইনপ্যাক্ট, জয় এন্টারপ্রাইজ, সি গোল্ড এক্সপোর্ট, এমএস মাহিমা এন্টারপ্রাইজ, সততা ফিশ ফিড, সরদার অ্যালুমোনিয়াম, আনোয়ার ফ্রোজেন ফুড, ন্যাশনাল এগ্রো ফিশারিজ, রাব্বি এন্টারপ্রাইজ, রিয়ানস হাব, কেবি এন্টারপ্রাইজ, এবি ইন্টারন্যাশনাল, বাবস বাংলাদেশ, জনতা ফিশ ও বায়োনিক সি ফুড।
মৎস্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দেশের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন সময় ইলিশ রপ্তানি বন্ধ রাখে। ২০১২ সালের আগে ভারতে ইলিশ রপ্তানি হয়েছে। গত বছর দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয়।
জনতা ফিশের স্থানীয় প্রতিনিধি এ প্রতিবেদককে জানান, মহিপুর, পাথরঘাটা, চরদুয়ানী, কুয়াকাটা ও ভোলা থেকে প্রতিদিন ভোরে ইলিশ আসছে। বলেশ্বরের মাছ এখনো আসেনি। এক কেজি সাইজের মাছের আমদানি অনেক কম। ৭০০ গ্রামের মাছের আমদানি বেশি। তিনি বলেন, আমদানিকারকেরা অসম প্রতিযোগিতায় নেমেছে। কেউ ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ প্রতি কেজি ৯০০ টাকা দরে আবার কোনো রপ্তানিকারক ৮৫০ টাকা দরে কিনছেন। রূপসা পাইকারি মৎস্য আড়তের রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিরা একই সাইজ ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি ৮৪০ টাকা দরেও কিনছেন।
বিএফডিসির মৎস্য অবতরণকেন্দ্র খুলনার ব্যবস্থাপক মো. রাসেল শিকদার জানান, এ অঞ্চল থেকে ২২টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ইলিশ কিনছে। প্রত্যেকেই ৪০ টন মাছ রপ্তানির অনুমতি পেয়েছে। তিনি জানান, ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৩২ টন খুলনার মোকাম থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশে করেছে। গত বছর এ মোকাম থেকে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৩২৫ মেট্রিক টন পশ্চিমবঙ্গে রপ্তানি হয়। এই সূত্র বলেছে, রপ্তানিকারকেরা অসম প্রতিযোগিতায় নেমেছেন।
ইলিশ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান অর্পিতা ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মালিক বিশুদানন্দ আচার্জি জানান, এবার ভারতে ৪ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানি হবে। পশ্চিমবঙ্গে প্রতি কেজি ইলিশের রপ্তানিমূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮৫০ টাকা। ভারত ও বাংলাদেশের কাস্টমস থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় ইলিশের এ চালান ছাড় করা হচ্ছে।
বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার আজিজুর রহমান জানান, ইলিশ রপ্তানির তৃতীয় চালান মোংলা বন্দর দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে গেছে। প্রতিদিন ট্রাকবোঝাই ইলিশ পশ্চিমবঙ্গে ঢুকছে। দ্রুত রপ্তানির জন্য কাস্টমসের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তালিয়া ইসলাম স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ৩ অক্টোবর পর্যন্ত রপ্তানি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এদিকে মৎস্য অধিদপ্তর খুলনার আয়োজনে আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় গল্লামারী মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় জেলা পর্যায়ের সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এবং ইলিশ সম্পদ উন্নয়নের প্রকল্প পরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী ও মৎস্য অধিদপ্তর খুলনা বিভাগের উপপরিচালক মো. আবু ছাইদ বিশেষ অতিথি থাকবেন।

খুলনার ৪ নম্বর ঘাট ও রূপসা ঘাটে ভারতে ইলিশ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধিদের হিড়িক পড়েছে। নির্দিষ্ট কোনো দাম না থাকায় প্রতিনিধিরা অসম প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকা বেশি দিয়েই কিনছেন ইলিশ। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়ার পর থেকে এই ভিড় শুরু হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ অঞ্চল থেকে ২৩ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ইলিশ ক্রয় করছেন। রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে, আরিফ সি ফুড, সেভ অ্যান্ড সেফটি, বাগেরহাট সি ফুড, আলফা এগ্রো, সাউদার্ন ফুড, রূপসা ফিশ অ্যান্ড অ্যালাইড, রহমানিয়া ইনপ্যাক্ট, জয় এন্টারপ্রাইজ, সি গোল্ড এক্সপোর্ট, এমএস মাহিমা এন্টারপ্রাইজ, সততা ফিশ ফিড, সরদার অ্যালুমোনিয়াম, আনোয়ার ফ্রোজেন ফুড, ন্যাশনাল এগ্রো ফিশারিজ, রাব্বি এন্টারপ্রাইজ, রিয়ানস হাব, কেবি এন্টারপ্রাইজ, এবি ইন্টারন্যাশনাল, বাবস বাংলাদেশ, জনতা ফিশ ও বায়োনিক সি ফুড।
মৎস্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দেশের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন সময় ইলিশ রপ্তানি বন্ধ রাখে। ২০১২ সালের আগে ভারতে ইলিশ রপ্তানি হয়েছে। গত বছর দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয়।
জনতা ফিশের স্থানীয় প্রতিনিধি এ প্রতিবেদককে জানান, মহিপুর, পাথরঘাটা, চরদুয়ানী, কুয়াকাটা ও ভোলা থেকে প্রতিদিন ভোরে ইলিশ আসছে। বলেশ্বরের মাছ এখনো আসেনি। এক কেজি সাইজের মাছের আমদানি অনেক কম। ৭০০ গ্রামের মাছের আমদানি বেশি। তিনি বলেন, আমদানিকারকেরা অসম প্রতিযোগিতায় নেমেছে। কেউ ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ প্রতি কেজি ৯০০ টাকা দরে আবার কোনো রপ্তানিকারক ৮৫০ টাকা দরে কিনছেন। রূপসা পাইকারি মৎস্য আড়তের রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিরা একই সাইজ ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি ৮৪০ টাকা দরেও কিনছেন।
বিএফডিসির মৎস্য অবতরণকেন্দ্র খুলনার ব্যবস্থাপক মো. রাসেল শিকদার জানান, এ অঞ্চল থেকে ২২টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ইলিশ কিনছে। প্রত্যেকেই ৪০ টন মাছ রপ্তানির অনুমতি পেয়েছে। তিনি জানান, ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৩২ টন খুলনার মোকাম থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশে করেছে। গত বছর এ মোকাম থেকে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৩২৫ মেট্রিক টন পশ্চিমবঙ্গে রপ্তানি হয়। এই সূত্র বলেছে, রপ্তানিকারকেরা অসম প্রতিযোগিতায় নেমেছেন।
ইলিশ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান অর্পিতা ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মালিক বিশুদানন্দ আচার্জি জানান, এবার ভারতে ৪ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানি হবে। পশ্চিমবঙ্গে প্রতি কেজি ইলিশের রপ্তানিমূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮৫০ টাকা। ভারত ও বাংলাদেশের কাস্টমস থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় ইলিশের এ চালান ছাড় করা হচ্ছে।
বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার আজিজুর রহমান জানান, ইলিশ রপ্তানির তৃতীয় চালান মোংলা বন্দর দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে গেছে। প্রতিদিন ট্রাকবোঝাই ইলিশ পশ্চিমবঙ্গে ঢুকছে। দ্রুত রপ্তানির জন্য কাস্টমসের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তালিয়া ইসলাম স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ৩ অক্টোবর পর্যন্ত রপ্তানি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এদিকে মৎস্য অধিদপ্তর খুলনার আয়োজনে আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় গল্লামারী মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় জেলা পর্যায়ের সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এবং ইলিশ সম্পদ উন্নয়নের প্রকল্প পরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী ও মৎস্য অধিদপ্তর খুলনা বিভাগের উপপরিচালক মো. আবু ছাইদ বিশেষ অতিথি থাকবেন।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫