নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তাঁর বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে আর সরকারের মুখাপেক্ষী হতে চায় না বিএনপি। ঘরোয়া কর্মসূচি থেকে বেরিয়ে এসে দলটি রাজপথে সরকারের পতনে জোরদার আন্দোলন গড়ে তুলুক, দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সমমনারাও এমনটাই চাচ্ছে। এই চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়ে রাজপথে আন্দোলনের কথা ভাবছে বিএনপি। চলতি বছর সাড়ে ৭ মাসের ব্যবধানে তিন বার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে খালেদা জিয়াকে। মার্চে করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পরেই শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। পরিবারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আবেদন করা হলে তা নাকচ হয়। বর্তমানে হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) তাঁর চিকিৎসা চলছে। লিভার সিরোসিস শনাক্ত হওয়ার পর এরই মধ্যে পাঁচ বার রক্তক্ষরণ হয়েছে।
গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জাতীয়তাবাদী জনতা দলের এক আলোচনায় রাজপথের আন্দোলনের জন্য বিএনপির ভাবনা সম্পর্কে জানান দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা (প্রধানমন্ত্রী) থাকলে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা হবে না। আন্দোলন করে চিকিৎসা হবে না। তবে আন্দোলন করলে সরকারের পতন হয়। আমরা সেই পথেই এগোচ্ছি।’
একই দিনে ২০ দলীয় জোটভুক্ত ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) এক আলোচনা সভায় আগামী দিনের আন্দোলনের জন্য ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে সমমনা দলগুলোর পক্ষ থেকে বিএনপিকে ঘরোয়া কর্মসূচি ছেড়ে রাজপথে নামার পরামর্শ দেওয়া হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের এখানে যেসব রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ আছেন, তারা শুধু নয়, সব রাজনৈতিক দলের প্রতি অনুরোধ তারা ঐক্যবদ্ধ হবে। ছোট-খাটো বিভেদ ভুলে গিয়ে কোথায় ডান-বাম-এসব দেখার দরকার নাই। আজকে গোটা জাতি ডুবতে যাচ্ছে। সেখানে আমাদের একমাত্র দায়িত্ব হচ্ছে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে উঠে দাঁড়াতে হবে, জনগণকে উঠে দাঁড়ানোর কথা বলতে হবে।’
বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তি ও তাঁর বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে রাজপথের আন্দোলনে নামার জন্য বিএনপিকে আহ্বান জানান কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম। বিএনপির নীতি নির্ধারকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিএনপিকে আন্দোলনের বিষয়ে সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সবাইকে সুসংগঠিত করতে হবে। সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সরকারের কাছে দাবি না করে সরকার পতনে রাজপথে নামার আহ্বান জানান গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর। তিনি বলেন, এই অমানবিক সরকারের কাছে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়ে লাভ নেই। তারা (সরকার) আইনের তোয়াক্কা করে না। তারা রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে বিভেদ তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। এই অবস্থায় রাস্তায় নামতে হবে।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তাঁর বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে আর সরকারের মুখাপেক্ষী হতে চায় না বিএনপি। ঘরোয়া কর্মসূচি থেকে বেরিয়ে এসে দলটি রাজপথে সরকারের পতনে জোরদার আন্দোলন গড়ে তুলুক, দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সমমনারাও এমনটাই চাচ্ছে। এই চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়ে রাজপথে আন্দোলনের কথা ভাবছে বিএনপি। চলতি বছর সাড়ে ৭ মাসের ব্যবধানে তিন বার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে খালেদা জিয়াকে। মার্চে করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পরেই শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। পরিবারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আবেদন করা হলে তা নাকচ হয়। বর্তমানে হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) তাঁর চিকিৎসা চলছে। লিভার সিরোসিস শনাক্ত হওয়ার পর এরই মধ্যে পাঁচ বার রক্তক্ষরণ হয়েছে।
গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জাতীয়তাবাদী জনতা দলের এক আলোচনায় রাজপথের আন্দোলনের জন্য বিএনপির ভাবনা সম্পর্কে জানান দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা (প্রধানমন্ত্রী) থাকলে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা হবে না। আন্দোলন করে চিকিৎসা হবে না। তবে আন্দোলন করলে সরকারের পতন হয়। আমরা সেই পথেই এগোচ্ছি।’
একই দিনে ২০ দলীয় জোটভুক্ত ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) এক আলোচনা সভায় আগামী দিনের আন্দোলনের জন্য ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে সমমনা দলগুলোর পক্ষ থেকে বিএনপিকে ঘরোয়া কর্মসূচি ছেড়ে রাজপথে নামার পরামর্শ দেওয়া হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের এখানে যেসব রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ আছেন, তারা শুধু নয়, সব রাজনৈতিক দলের প্রতি অনুরোধ তারা ঐক্যবদ্ধ হবে। ছোট-খাটো বিভেদ ভুলে গিয়ে কোথায় ডান-বাম-এসব দেখার দরকার নাই। আজকে গোটা জাতি ডুবতে যাচ্ছে। সেখানে আমাদের একমাত্র দায়িত্ব হচ্ছে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে উঠে দাঁড়াতে হবে, জনগণকে উঠে দাঁড়ানোর কথা বলতে হবে।’
বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তি ও তাঁর বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে রাজপথের আন্দোলনে নামার জন্য বিএনপিকে আহ্বান জানান কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম। বিএনপির নীতি নির্ধারকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিএনপিকে আন্দোলনের বিষয়ে সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সবাইকে সুসংগঠিত করতে হবে। সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সরকারের কাছে দাবি না করে সরকার পতনে রাজপথে নামার আহ্বান জানান গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর। তিনি বলেন, এই অমানবিক সরকারের কাছে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়ে লাভ নেই। তারা (সরকার) আইনের তোয়াক্কা করে না। তারা রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে বিভেদ তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। এই অবস্থায় রাস্তায় নামতে হবে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫