সম্পাদকীয়

ঘটনাটা ঘটেছিল সুচিত্রা সেনের সঙ্গে। পরে সুচিত্রা সেন মহানায়িকা হয়েছেন। এ ঘটনাটির কথা মনে রেখেছিলেন কি তিনি? সুচিত্রা তখন সিনেমার লাইনে নবীন। পরিচালকদের দিক থেকে খুব একটা ডাক পান না। ১৯৫৩ সাল ছিল সুচিত্রা সেনের জন্য সংগ্রামের কাল।
প্রেমেন্দ্র মিত্র তখন সাহিত্যজগৎ থেকে ক্রমে ক্রমে সরে এসেছেন চলচ্চিত্রজগতের দিকে। কৌতুকশিল্পী নবদ্বীপ হালদারের বাড়িতে চলচ্চিত্রসংক্রান্ত আড্ডা দিতেন তিনি। সঙ্গে থাকতেন ধীরাজ ভট্টাচার্য।
একদিন নবদ্বীপ হালদারের বাড়িতে ছবির পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। সুশীল চক্রবর্তীও আছেন সেখানে। কাজের লোক এসে খবর দিল, একজন ভদ্রমহিলা প্রেমেনবাবুকে খুঁজছেন।
কথাটা শুনে নবদ্বীপ বলে উঠলেন, ‘প্রেমেন, তুমি কি দুনিয়ার মেয়েকে আমার বাড়ির ঠিকানা দিয়ে এসেছ নাকি যে এখানে তোমাকে মেয়েরা খুঁজতে আসছে? এই সুশীল, দেখ্ তো কে এসেছে। তেমন বুঝলে হটিয়ে দিবি।’
সুশীলবাবু বাইরে এসে দেখেন সুচিত্রা সেন দাঁড়িয়ে আছেন। তখন অল্প কয়েকটি ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। তাই চেহারাটা পরিচিত।
সুশীলবাবুকে দেখে সুচিত্রা সেন জিজ্ঞেস করলেন, ‘এখানে প্রেমেনবাবু আছেন?’
সুশীল বললেন, ‘হ্যাঁ আছেন, কিন্তু তিনি তো এখন ব্যস্ত।’
সুচিত্রা বললেন, ‘আমি ওর বাড়িতে গিয়েছিলাম। সেখানে শুনলাম উনি এখানে এসেছেন। ওর সঙ্গে আমার একটু দেখা করা দরকার।’
সুশীল সুচিত্রাকে একটু বসতে বলে ভেতরে এসে কথাগুলো বললেন। নবদ্বীপ হালদার সব শুনে বললেন, ‘নিশ্চয়ই পার্ট চাইতে এসেছে। তুই গিয়ে বলে দেগা আমাদের সব পার্ট দেওয়া হয়ে গেছে, আপনি যেতে পারেন।’
প্রেমেন মিত্র বললেন, ‘না না, অত কড়া কথা বলার দরকার নেই। তুমি বরং গিয়ে বলগে যাও, উনি যেন পরে আমার বাড়িতে দেখা করেন। এখন আমি ব্যস্ত।’
সে কথা সুচিত্রাকে বলার পর সুচিত্রার মুখটা মলিন হয়ে গেল। ব্যাগ থেকে রুমাল বের করে কপালের ঘাম মুছে বেরিয়ে গেলেন তিনি।
সূত্র: আশিসতরু মুখোপাধ্যায়, মহানায়িকা সুচিত্রা, পৃষ্ঠা ২১-২২

ঘটনাটা ঘটেছিল সুচিত্রা সেনের সঙ্গে। পরে সুচিত্রা সেন মহানায়িকা হয়েছেন। এ ঘটনাটির কথা মনে রেখেছিলেন কি তিনি? সুচিত্রা তখন সিনেমার লাইনে নবীন। পরিচালকদের দিক থেকে খুব একটা ডাক পান না। ১৯৫৩ সাল ছিল সুচিত্রা সেনের জন্য সংগ্রামের কাল।
প্রেমেন্দ্র মিত্র তখন সাহিত্যজগৎ থেকে ক্রমে ক্রমে সরে এসেছেন চলচ্চিত্রজগতের দিকে। কৌতুকশিল্পী নবদ্বীপ হালদারের বাড়িতে চলচ্চিত্রসংক্রান্ত আড্ডা দিতেন তিনি। সঙ্গে থাকতেন ধীরাজ ভট্টাচার্য।
একদিন নবদ্বীপ হালদারের বাড়িতে ছবির পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। সুশীল চক্রবর্তীও আছেন সেখানে। কাজের লোক এসে খবর দিল, একজন ভদ্রমহিলা প্রেমেনবাবুকে খুঁজছেন।
কথাটা শুনে নবদ্বীপ বলে উঠলেন, ‘প্রেমেন, তুমি কি দুনিয়ার মেয়েকে আমার বাড়ির ঠিকানা দিয়ে এসেছ নাকি যে এখানে তোমাকে মেয়েরা খুঁজতে আসছে? এই সুশীল, দেখ্ তো কে এসেছে। তেমন বুঝলে হটিয়ে দিবি।’
সুশীলবাবু বাইরে এসে দেখেন সুচিত্রা সেন দাঁড়িয়ে আছেন। তখন অল্প কয়েকটি ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। তাই চেহারাটা পরিচিত।
সুশীলবাবুকে দেখে সুচিত্রা সেন জিজ্ঞেস করলেন, ‘এখানে প্রেমেনবাবু আছেন?’
সুশীল বললেন, ‘হ্যাঁ আছেন, কিন্তু তিনি তো এখন ব্যস্ত।’
সুচিত্রা বললেন, ‘আমি ওর বাড়িতে গিয়েছিলাম। সেখানে শুনলাম উনি এখানে এসেছেন। ওর সঙ্গে আমার একটু দেখা করা দরকার।’
সুশীল সুচিত্রাকে একটু বসতে বলে ভেতরে এসে কথাগুলো বললেন। নবদ্বীপ হালদার সব শুনে বললেন, ‘নিশ্চয়ই পার্ট চাইতে এসেছে। তুই গিয়ে বলে দেগা আমাদের সব পার্ট দেওয়া হয়ে গেছে, আপনি যেতে পারেন।’
প্রেমেন মিত্র বললেন, ‘না না, অত কড়া কথা বলার দরকার নেই। তুমি বরং গিয়ে বলগে যাও, উনি যেন পরে আমার বাড়িতে দেখা করেন। এখন আমি ব্যস্ত।’
সে কথা সুচিত্রাকে বলার পর সুচিত্রার মুখটা মলিন হয়ে গেল। ব্যাগ থেকে রুমাল বের করে কপালের ঘাম মুছে বেরিয়ে গেলেন তিনি।
সূত্র: আশিসতরু মুখোপাধ্যায়, মহানায়িকা সুচিত্রা, পৃষ্ঠা ২১-২২

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫